নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
০৪:৩৮ পি.এম
দক্ষিণ কুড়িগ্রামের উপজেলা কুড়িগ্রামে, মোবাইল নম্বর ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে হুমকি, হয়রানি, অশালীন ও মানহানিকর মন্তব্য এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টার অভিযোগে, লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রথম টিভির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ মোহতাসিম বিল্লাহ।
সোমবার, ১০ আগস্ট কুড়িগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে তিনি এসব অভিযোগ করেন। অভিযোগে মোঃ মোহতাসিম বিল্লাহ উল্লেখ করেছেন, তার নেতৃত্বে প্রথম টিভি দীর্ঘদিন ধরে সংবাদ ও গণমাধ্যম-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চলছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আবু হাসনাত হিরন নামের একজন ব্যক্তি কিছুদিন প্রথম টিভির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি কাজ শেখার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানে আসতেন। তবে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কোনো নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র কিংবা বেতনভুক্ত কর্মচারীর হিসেবে নিয়োগ বা কোনো লিখিত চুক্তি ছিল না।
প্রতিষ্ঠানের সাবেক সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, আবু হাসনাত হিরন মাত্র কয়েকদিন কাজ শেখার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তার কার্যক্রম ও কাজের বিষয়ে আলোচনা করা হলে, তিনি বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ না করে উত্তেজনাপূর্ণ ও বিরূপ আচরণ শুরু করেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রথম টিভির চেয়ারম্যান।
একপর্যায়ে, তিনি কয়েকজন ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানে এসে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন এবং তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে অভিযোগে।
এরপর, মোবাইল নম্বর ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে, মোঃ মোহতাসিম বিল্লাহর বিরুদ্ধে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর ও আপত্তিকর মন্তব্য, পোস্ট এবং মেসেজ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীর দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করা, ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করা এবং প্রথম টিভির ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।
অভিযোগপত্রে দুটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের লিংকও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন ও মেসেজের মাধ্যমে তাকে হয়রানি, ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মোঃ মোহতাসিম বিল্লাহ বলেন, "কারও কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য থাকলে, আইনসম্মত ও যথাযথ পদ্ধতিতে তা উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ভাষা ব্যবহার, ব্যক্তিগতভাবে হুমকি প্রদান, বিভিন্ন নম্বর থেকে হয়রানি এবং একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো গ্রহণযোগ্য নয়।"
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। নিজের, পরিবারের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রথম টিভির চেয়ারম্যান।
ভবিষ্যতে তার বা প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ওপর হামলা, ক্ষয়ক্ষতি, ভয়ভীতি বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে, বর্তমান হুমকি ও হয়রানির ঘটনাগুলো তদন্তের আওতায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগের সঙ্গে, ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টের স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট ফেসবুক অ্যাকাউন্টের লিংক, মোবাইল নম্বর, কললিস্ট, মেসেজ, অডিও-ভিডিওসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্রমাণ সঙ্গে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও জানান অভিযোগকারী।
অভিযোগের শেষাংশে ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুড়িগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন মোঃ মোহতাসিম বিল্লাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের (৫০তম ব্যাচ) মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ফাহিমা খানম হ্যাপি, যিনি একই বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের মো. শান্তর স্ত্রী। তিনি মাত্র ২৫ বছর বয়সে ব্রেস্ট ইনভেসিভ কার্সিনোমা (Invasive Carcinoma of No Special Type/NST)-এ আক্রান্ত হয়েছেন।
বায়োপসি, সিটি স্ক্যান, এফএনএসি এবং ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি (Immunohistochemistry- ER, PR, HER2, Ki-67)-সহ অন্যান্য পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে যে, এটি ত্রিপল নেগেটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সারের (Triple Negative Breast Cancer- TNBC) একটি আক্রমণাত্মক ধরন, যা দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, খুব দ্রুত ফাহিমার কেমোথেরাপি শুরু করতে হবে। চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে হিসাব দিয়েছেন যে, পুরো চিকিৎসার জন্য প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা বা তারও বেশি ব্যয় হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে, চিকিৎসার জন্য দ্রুত টাকা প্রয়োজন, তবে এ দম্পতির পক্ষে তা জোগাড় করা কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। হ্যাপির স্বামী মো. শান্ত সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও এখনো নিয়োগ পাইনি, তাই কার্যত বেকার। অন্যদিকে হ্যাপির পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, আমরা মাত্র দেড় বছর আগে ক্যান্সারে হ্যাপির বাবাকে হারিয়েছি। আজ সেই পরিবারকে আবার একই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এত বড় চিকিৎসার ব্যয় বহন করা আমাদের দুই পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই আপনাদের সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ—আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী আমাদের পাশে দাঁড়ান। আপনার সামান্য সহযোগিতাও হ্যাপির চিকিৎসায় অনেক বড় আশার আলো হতে পারে।’
সহায়তা পাঠানোর মাধ্যমঃ
Agrani Bank PLC
Branch: Jahangirnagar University Branch
Account Name: MST SHAHIDA AKTER
A/C No.: 0200023010000
Routing number: 010262267
Dutch-Bangla Bank
Branch: Savar Bazar Branch
Account Name: FAHIMA KHANAM HAPPY
A/C No.: 1371050613457
Routing number: 090264122
বিকাশ (Personal): 01812-684100
নগদ / রকেট: 01770-399328
যোগাযোগ করুন মো. শান্ত: 01812-684100
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা জেলা থেকে সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, পাঁচটি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ২৭ জুলাই তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে ঢাকার একটি হত্যা মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। গত শনিবার সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের আবেদন অনুযায়ী তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডল তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের উপর শুনানি শেষে অভিযোগ গৃহীত করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে, আসামিপক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, সাইদুর রহমান সাইদ ও আল মাহমুদ পলাশ। আদালত সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলাম (৭৩) সাতক্ষীরার উত্তর ফিংড়ি এলাকার আব্দুল জব্বারের সন্তান, বর্তমানে শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন।
সোমবার সকালে তাকে সাতক্ষীরা কারাগার থেকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। আদালত কারাগারে রাখা অবস্থায়, নজরুল ইসলাম আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের জানান, তিনি এসব মামলার ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না এবং তার নাম পরিকল্পিতভাবে এসব মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আজ বিকালে আদালত জামিন আবেদনও প্রত্যাখ্যান করে। পুলিশ পরিদর্শক মঈনউদ্দিন জানিয়েছেন, জামিন আবেদন বাতিল হওয়ার পর তাকে সোমবার দুপুর ১টার দিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে। জেলায় প্রতিবারের মতো এবারের পরীক্ষায়ও সাফল্য ধরে রেখেছে স্বনামধন্য পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই পাঁচটির মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পাসের গৌরব রয়েছে। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারে বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জেলা নিয়ে শীর্ষে উঠেছে।
জানা যায়, বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর মোট ২১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাস করেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ফলাফল ১৮৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জেলার অন্য সব প্রতিষ্ঠানকে পিছনে ফেলে শীর্ষে এসেছে এই বিদ্যালয়।
অন্যদিকে, বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজে ৪৩৬ জন পরীক্ষার্থীর শতভাগ পাস করেছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বগুড়া জিলা স্কুলে ২২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২৩ জন পাস করেছে, যার মধ্যে ১৭৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
শহরের অন্য দুটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আর্মেড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) পাবলিক স্কুল শতভাগ পাস করেছে, যেখানে ৩৫৭ জন পাস করেছে এবং ২৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪১৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১৮ জন পাস করেছে, যার মধ্যে ৩২৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। স্কুল অব দ্যা হলি কুরআন-এ শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান আকন্দ জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের সব সময় নিজের সন্তানের মতো দেখভাল করেছেন। তিনি বলেন, "এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমার আরেকটি পরিবার। তারা ভালো পরীক্ষা দিয়েছে এবং ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। আমি তাদের ফলাফলে খুশি। আশা করি, আগামীতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল করবে।"
জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বগুড়া জেলায় মোট ৩২ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ২৩ হাজার ৩৮৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৭৮ জন। মোট পাসের হার ৭২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রমজান আলী আকন্দ জানিয়েছেন, জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল সন্তোষজনক। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া থেকে সরে যাচ্ছে না। বরং তারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিজেদের অনুকূলে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে আরও বেশি শক্তভাবে অবস্থান করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চায়, তাদের মিত্র এবং অংশীদাররা নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আরো বেশি করে নেবে।
সোমবার পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন। ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের নীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের কথা আবারো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মিত্র ও অংশীদারদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আরো বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বোঝা ভাগাভাগি করে নেওয়ার ওপর জোর দেন।
কোলবির ভাষায়, সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত ‘নির্ভরশীলতা নয়, অংশীদারি’ হিসেবে। ম্যানিলায় এক বক্তৃতায় কোলবি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই এশিয়া থেকে সরে যাচ্ছে না। আমরা চলে যাচ্ছি না। বরং যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য নিজেদের অনুকূলে রাখতে আমরা শক্তভাবে অবস্থান নিচ্ছি।’
কোলবির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরের প্রথম গন্তব্য ফিলিপাইন। ফিলিপাইন হলো এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরনো চুক্তিভিত্তিক মিত্র। সফরে তিনি ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়াও যাবেন। কোলবি উল্লেখ করেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য নিজেদের অনুকূলে রাখতে প্রথম দ্বীপশৃঙ্খল এলাকায় প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি। তিনি দাবি করেন, এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ছে।
প্রথম দ্বীপশৃঙ্খল বলতে, জাপান থেকে শুরু করে তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও বোর্নিও পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে বোঝায়। কোলবি বলেন, এই কৌশল শুধু মার্কিন বাহিনীর ওপর নির্ভর করে বাস্তবায়ন করা যাবে না। এজন্য মিত্র দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তায় বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা যখন আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সক্রিয় হতে, নিজেদের প্রতিরক্ষায় বেশি বিনিয়োগ করতে এবং নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে বলি, তখন এর অর্থ এই নয় যে, আমরা তাদের ছেড়ে দিচ্ছি। আমরা এমন অংশীদার চাই, যারা নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে পারে।’ কোলবি আরো বলেন, ‘আমাদের অংশীদাররা শক্তিশালী হলে প্রতিরোধ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ