প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে। জেলায় প্রতিবারের মতো এবারের পরীক্ষায়ও সাফল্য ধরে রেখেছে স্বনামধন্য পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই পাঁচটির মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পাসের গৌরব রয়েছে। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারে বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জেলা নিয়ে শীর্ষে উঠেছে।
জানা যায়, বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর মোট ২১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাস করেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ফলাফল ১৮৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জেলার অন্য সব প্রতিষ্ঠানকে পিছনে ফেলে শীর্ষে এসেছে এই বিদ্যালয়।
অন্যদিকে, বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজে ৪৩৬ জন পরীক্ষার্থীর শতভাগ পাস করেছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বগুড়া জিলা স্কুলে ২২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২৩ জন পাস করেছে, যার মধ্যে ১৭৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
শহরের অন্য দুটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আর্মেড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) পাবলিক স্কুল শতভাগ পাস করেছে, যেখানে ৩৫৭ জন পাস করেছে এবং ২৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪১৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১৮ জন পাস করেছে, যার মধ্যে ৩২৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। স্কুল অব দ্যা হলি কুরআন-এ শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান আকন্দ জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের সব সময় নিজের সন্তানের মতো দেখভাল করেছেন। তিনি বলেন, "এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমার আরেকটি পরিবার। তারা ভালো পরীক্ষা দিয়েছে এবং ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। আমি তাদের ফলাফলে খুশি। আশা করি, আগামীতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল করবে।"
জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বগুড়া জেলায় মোট ৩২ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ২৩ হাজার ৩৮৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৭৮ জন। মোট পাসের হার ৭২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রমজান আলী আকন্দ জানিয়েছেন, জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল সন্তোষজনক। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন