ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশি ইমামদের বৈঠক মিশরের গ্র্যান্ড মুফতির সঙ্গে


বাংলাদেশি ইমামদের বৈঠক মিশরের গ্র্যান্ড মুফতির সঙ্গে

বাংলাদেশ এবং মিশরের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে বিখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ইমাম প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আসা বাংলাদেশি একটি প্রতিনিধি দল মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি ও দারুল ইফতা মিশরের প্রধান ড. নাজির মুহাম্মদ আইয়াদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

সোমবার (২৯ জুন) কায়রোতে দারুল ইফতা আল-মিসরিয়ার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, বাংলাদেশ এবং মিশরের মধ্যে দীর্ঘদিনের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞানভিত্তিক সম্পর্ক রয়েছে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সফর দুটি দেশের আলেম সমাজের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ইসলামি জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

তিনি ইফতা শিক্ষা, ফতোয়া গবেষণা এবং মুফতিদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

ড. নাজির মুহাম্মদ আইয়াদ বলেন, দারুল ইফতা মিসর মুফতিদের যুগোপযোগী এবং দায়িত্বশীলভাবে গড়ে তুলতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিচালিত বিশেষায়িত কোর্সে শরিয়াহ জ্ঞান, আরবি ভাষা, সমকালীন বাস্তবতা এবং আধুনিক বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান প্রদান করা হয়।

তিনি আরও বলেন, একজন যোগ্য মুফতির জন্য শুধু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনই যথেষ্ট নয়; বরং সমাজের বাস্তবতা, মানুষের জীবনব্যবস্থা এবং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি থাকা প্রয়োজন। এর মাধ্যমেই সময়োপযোগী, ভারসাম্যযুক্ত এবং দায়িত্বশীল ফতোয়া প্রদান সম্ভব।

বাংলাদেশি ইমামদের উদ্দেশ্যে মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, নিজ নিজ দেশে ইসলামের শান্তি, সহনশীলতা, মানবিকতা ও মধ্যপন্থার আদর্শ তুলে ধরতে হবে। ফতোয়া প্রদানের ক্ষেত্রে গভীর গবেষণা, সতর্কতা, আত্মশুদ্ধি এবং বিভিন্ন ইসলামী মতামতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, মানুষদের জন্য সহজতা সৃষ্টি, অযথা কঠোরতা পরিহার এবং বাস্তবতার আলোকে শরিয়াহর নির্দেশনা উপস্থাপন করা একজন মুফতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

বৈঠকে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আল-আজহার শরিফ ও দারুল ইফতা মিসরের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তারা বাংলাদেশের ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমকালীন ফতোয়া গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে মিশরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎ শেষে ঢাকাস্থ দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস মুফতি নুরুল্লাহ বলেন, মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি ড. নাজির মুহাম্মদ আইয়াদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বাংলাদেশ এবং মিশরের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা, দাওয়াহ এবং ফতোয়া গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

তিনি জানান, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মুআদালাকৃত দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসায় সমসাময়িক ফতোয়া বিভাগ চালুর প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি মূল্যবান পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

মুফতি নুরুল্লাহ বলেন, এ সাক্ষাৎ বাংলাদেশ এবং মিশরের ধর্মীয় শিক্ষা ও গবেষণার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন— ইসলামী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের প্রভাষক মাওলানা জোহায়ের ফুরকান, দারুল মাআরিফ আল-ইসলামিয়া চট্টগ্রামের সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ নুর মাজহার আনোয়ারী, দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া উত্তরা’র শিক্ষক মাওলানা হাফিজ শিব্বির আহমেদ, খিলক্ষেত জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাফিজ সাইফুল্লাহ বিন জাফর এবং বনানী সেন্ট্রাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা দেলোয়ার হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর একসঙ্গে বিসিএসে সফলতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর একসঙ্গে বিসিএসে সফলতা

 

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তারা সহপাঠী হিসেবে পরিচয় পেয়েছিলেন। সেই পরিচয়ের হাত ধরে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, বন্ধুত্ব শেষে প্রেম, এরপর আসে পরিণয়।

অবশেষে জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে তারা একসঙ্গে সাফল্যের আস্বাদ গ্রহণ করলেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থী এই দম্পতি হলেন সাহাজ উদ্দিন বাদল ও জেরিন আক্তার স্বর্ণা।

সম্প্রতি প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে উভয়েই কৃষি বিপণন কর্মকর্তা (সহকারী পরিচালক) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বাদল ও স্বর্ণা বাকৃবির কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র-ছাত্রী। একই অনুষদে, একই বর্ষের সহপাঠী থেকে জীবনসঙ্গী হয়ে এবার একই ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় তাদের সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

শিক্ষক, সহপাঠী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাদের অভিনন্দনায় সিক্ত করছেন।

তাদের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম, একে অপরের সহযোগিতা এবং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার গল্প। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি তারা ভবিষ্যতের লক্ষ্য সামনে রেখে নিয়মিত বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

সাহাজ উদ্দিন বাদল বলেন, ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের পরিচয় হয়।

সময়ের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব গভীর হয়ে যায়, এরপর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দুই পরিবারের সমর্থন ও বন্ধুদের সহযোগিতা তাদের পথচলাকে সহজ করে দিয়েছে।

বিসিএস প্রস্তুতির প্রসঙ্গে বাদল জানান, ৪৪তম বিসিএসে আবেদন করলেও তারা পরিকল্পিত প্রস্তুতি শুরু করেন ৪৫তম বিসিএস থেকে। প্রথমবার প্রিলিমিনারিতে ব্যর্থ হলে তারা থেমে যাননি। ৪৬তম বিসিএসে বাদল প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ হন, তবে স্বর্ণা সফল হননি। এই অভিজ্ঞতা তাদের আরো মনোযোগী করে তোলে।

বাদল আরো জানান, বিসিএস ছাড়াও তারা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি তিনি সোনালী ব্যাংকের অফিসার (জেনারেল) পদে এবং স্বর্ণা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এসব অর্জন তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বৃদ্ধি করেছে।

জেরিন আক্তার স্বর্ণা বলেন, এই সাফল্য তার একার নয়; পরিবার ও স্বামীর অবদান এখানে সবচেয়ে বেশি। প্রতিটি ব্যর্থতার সময় বাদল তাকে সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, যা সামনে এগিয়ে যেতে শক্তি প্রদান করেছে।

দুজনই জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ছিল তাদের নিয়মিত পড়াশোনার প্রধান স্থান। সেখানে একসঙ্গেই তারা প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং পরস্পরকে সহযোগিতা করে নিজেদের লক্ষ্য পূরণের পথ প্রশস্ত করেছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা বলেন, বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হতে ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং পারস্পরিক অনুপ্রেরণার বিকল্প কিছুই নেই। কর্মজীবনে তারা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দেশের সেবা করার অঙ্গীকার করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ

কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি। এই কমিটি বালিয়াড়িতে পরিচালিত সব সাময়িক ব্যবসার কার্ড বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে, আগামী অর্থবছর থেকে কোনো সাময়িক কার্ড নবায়ন করা হবে না বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।

সম্প্রতি একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির তরফে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রিট পিটিশন নম্বর-৬২৬/২০১১-এর আদেশ এবং সাময়িক কার্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগের বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে পরিচালিত সাময়িক ব্যবসা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু হয়েছে।

বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, সমুদ্রসৈকতের কোনো অংশে নতুন করে আর কোনো সাময়িক ব্যবসার কার্ড দেওয়া হবে না। বর্তমানে ইস্যু করা কার্ডগুলোর মেয়াদ ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। ওই সময় পরে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য এগুলোর নবায়ন করা হবে না।

জেলা প্রশাসন জানায়, গত ১ জুন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লিখিত হয়েছে, বালিয়াড়িতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকান এবং অন্যান্য স্থাপনার কারণে সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই সব সাময়িক ব্যবসায়ীকে নিজ উদ্যোগে দ্রুত দোকান ও অন্যান্য স্থাপনা অপসারণের আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সমুদ্রসৈকতের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি সংরক্ষণে এই উদ্যোগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রংপুর অঞ্চলের মানুষের দুঃখ লাঘব হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


‘তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রংপুর অঞ্চলের মানুষের দুঃখ লাঘব হবে’

লালমনিরহাটের প্রতিনিধি হিসেবে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে লালমনিরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল মন্তব্য করেন।

তিনি জানিয়েছেন, চলতি বাজেটে তিস্তা মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন। এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তিস্তাপাড় তথা বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের মানুষের দুঃখ লাঘব হবে এটা তিনি উল্লেখ করেছেন।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের উদ্বোধন শেষে, রোকন উদ্দিন বাবুল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি চীন সফর করেছেন এবং তার এই সফরের প্রধান এজেন্ডা ছিল তিস্তা মেগা প্রকল্প। অনুষ্ঠান শেষে তিনি দেশে ফিরে সংসদে জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

রোকন উদ্দিন বাবুল বলেন, ‘‘তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন’’ আমরা করেছি। এই আন্দোলনে ৪৮ ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচিতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি ছিলেন। আন্দোলন থেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি মেনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা মেগা প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে এক্সপার্ট টিম তিস্তাপাড় পরিদর্শন করেছে এবং খুব শিগগিরই তিস্তা মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কুড়িগ্রামে এনসিপির ৩৬ দিনের জুলাই জাগরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কুড়িগ্রামে এনসিপির ৩৬ দিনের জুলাই জাগরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

কুড়িগ্রামে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ৩৬ দিনের দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেছে কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপি।

বুধবার (১ জুলাই) বিকাল ৪টায় কুড়িগ্রাম কলেজ মোড়স্থ জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মুকুল মিয়া।

এসময় তিনি বলেছেন, ২৪ এর জুলাইয়ে আত্মদানকারী শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের স্মৃতি বিজড়িত ছাত্র-জনতার এই মহান অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ বিদায়ের এই ইতিহাসকে জাতির কাছে স্মরণীয় রাখতে আমাদের ৩৬ দিনের দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচির আজকে প্রথম দিন। আমাদের এই মহান আন্দোলনকে জাতির সামনে তুলে ধরতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে সকল জুলাই আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার হৃদয়ে প্রেরণা যোগাবে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিল জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিডিয়া সেল প্রধান রাশেদুজ্জামান তাওহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, নারী শক্তির আহ্বায়ক নাসিরা খন্দকার নিসা, শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মজনু মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক শক্তির আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা আহ্বায়ক শাহজাহান আলী সুমন, পৌর আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান সাগর, রাজারহাট উপজেলা আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট সাজ্জাদুল ইসলাম সাগর সহ অন্যান্যরা।

কর্মসূচিতে এনসিপি ও তার অঙ্গসংগঠনের ৩ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%