বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১৪ পি.এম
কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে ব্রাজিল এবং নরওয়ে পরস্পরের বিপক্ষে মাঠে নামবে।
রাউন্ড অব সিক্সটিনের এই ম্যাচটি শুধু মাঠের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি একটি তীব্র তাপপ্রবাহের বিরুদ্ধে কঠিন পরীক্ষাও হতে যাচ্ছে।
মেটলাইফ স্টেডিয়াম এলাকার জন্য দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর সর্বোচ্চ স্তরের আবহাওয়া সতর্কতা (লেভেল ৪) ঘোষণা করেছে।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস, হিউস্টন বা আটলান্টার স্টেডিয়ামগুলোতে অত্যাধুনিক এয়ার কন্ডিশনিং এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকলেও নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত অবস্থায় রয়েছে।
ফলে, বিকেল ৫টার কড়া রোদে এবং ৪৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফুটবলারদের মাঠে নামতে হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রার ওপর এই গরমে ফুটবল খেলার ফলে খেলোয়াড়দের হৃদযন্ত্রের ওপর অত্যাধিক চাপ পড়বে, পেশির সচলতা কমবে এবং মাঠে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একপ্রকার বিঘ্নিত হবে।
চলতি বিশ্বকাপে চরম আবহাওয়া বিষয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এক জরিপ অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বের অন্তত ৯টি ম্যাচ বহু বিপজ্জনক আবহাওয়ার মধ্যে খেলা হয়েছে।
ফুটবলারদের বৈশ্বিক ইউনিয়ন ‘ফিফপ্রো’ সাফ জানিয়েছে যে, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং সৌর বিকিরণ বিবেচনা করে তৈরি হওয়া বিশেষ ‘ডব্লিউবিজিটি’ সূচক যদি ২৮ ডিগ্রি অতিক্রম করে, তাহলে সেই ম্যাচ অবিলম্বে স্থগিত বা বাতিল করা উচিত।
এই তীব্র দাবদাহ শুধুমাত্র ফুটবলারদের নয়, বরং স্টেডিয়ামে আসা হাজার হাজার দর্শকদেরও বিপদের মুখে ফেলেছে।
পার্কিং লট বা স্টেডিয়ামের দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে থাকা দর্শকদের ডিহাইড্রেশন (পানিশূন্যতা) এবং হিট স্ট্রোকের লক্ষ্যবস্তু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে জার্মানি। তবে অনেকের মতে, মাঠের ফলাফলের চেয়েও বড় একটি সমস্যা হচ্ছে জার্মান ফুটবলের ভেতরের সংস্কৃতি—ব্যর্থতার পর একজন খেলোয়াড়কে দায়ী করে ‘বলির পাঁঠা’ বানানোর প্রবণতা।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। তুর্কি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় মেসুত ওজিল ব্যাপক সমালোচনার শিকার হন। এই পরিস্থিতির পর তিনি জাতীয় দল থেকেই অবসর গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, এবারের বিশ্বকাপের সময় প্যারাগুয়ের কাছে হেরে যাওয়ার পর জার্মান কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমান প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন কুর্দি ও ইয়াজিদি বংশোদ্ভূত ফরোয়ার্ড দেনিজ উনদাভকে। তিনি দাবি করেন, ম্যাচের শুরুতেই সহজ একটি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি উনদাভ।
কিন্তু জার্মান সমর্থকদের একটি বড় অংশ কোচের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, দলের ব্যর্থতার জন্য একজন খেলোয়াড়কে দোষারোপ করার পরিবর্তে কোচের কৌশল এবং দল নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন তোলা উচিত।
বিশ্বকাপের শুরুতে উনদাভ বদলি হিসেবে নেমে গুরুত্বপূর্ণ গোল করে জার্মানিকে গ্রুপ পর্ব পার হতে সাহায্য করেছিলেন। তাই অনেকের ধারণা, বিদায়ের দায় একাই তার উপর চাপানো অন্যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, জার্মান ফুটবলের আসল সংকট আরো গভীরে। এক সময় যুব উন্নয়ন, আধুনিক কৌশল ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বিশ্বসেরা দল গড়ে তুলেছিল জার্মান ফুটবল ফেডারেশন। কিন্তু বর্তমানে সেই কাঠামো নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তাদের বিকাশে পূর্বের মতো কার্যকর নয় বলেই মত দিচ্ছেন অনেকেই।
তাদের মতে, যদি জার্মানি ভবিষ্যতে আবারও বিশ্বকাপে সাফল্য পেতে চায়, তাহলে একজন খেলোয়াড়কে দোষারোপ করার পরিবর্তে নিজেদের কাঠামোগত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় প্রাণবন্ত জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন এবং ভূমিকম্প ঝুঁকির মোকাবেলা করতে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভাটি বৃহস্পতিবার নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, ‘নগরীকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
সভায় পরিষ্কারভাবে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে যে, বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। এ লক্ষ্যে, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবগঠিত কমিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলভিত্তিক বৃক্ষরোপণের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিস্তারিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে।
সভায় জানানো হয়, পরিবেশ সুরক্ষায় ডিএসসিসি’র ‘জিরো সয়েল’ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন সড়ক দ্বীপে (মিডিয়ান) প্রায় ১৮ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। তাছাড়া, গত ১৬ জুন ডিএসসিসি এলাকায় একযোগে ৬০০টি চারা রোপণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বছরের জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছিল।
এদিকে, নগরীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের বিষয়টি সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে ভূমিকম্পের মতো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলা করার লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, রাজউক এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মধ্যে একটি কার্যকর এবং সুদৃঢ় সমন্বয় গড়ে তোলার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার চাটমোহরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল বেলা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে রেলবাজার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। ওই মিছিলটি চাটমোহর-টেবুনিয়া সড়ক ও রেলওয়ে স্টেশন এলাকা প্রদক্ষিণ করে রেলবাজার মোড়ে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বিএনপি নেতারা বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, শান্ত চাটমোহরকে অশান্ত ও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
যাদের নেত্রী ভারতে পালিয়ে আছে, তারা কি করে রাজনীতি করার সাহস দেখায়? আগামীতে যদি চাটমোহরের কোথাও আওয়ামী লীগ উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে বিএনপি। আওয়ামী লীগ মিছিল করলে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। বিএনপি আপনাদেরকে শান্তিতে রেখেছে, আপনারা শান্তিতে আছেন, শান্তিতে থাকেন। গুপ্ত মিছিল করে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইলে আপনাদেরও শান্তিতে থাকতে দেওয়া হবে না।
মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম লিখন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক লিটন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম মাহমুদ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস আলো, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মুন্তাজ আলী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক খোকন প্রধান, মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস রেজা, ছাইকোলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব এবং মূলগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রনিসহ আরও অনেকে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেখানে গিয়ে কাউকে না পেয়ে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দক্ষ জনশক্তির জন্য নৈতিক, নিয়মিত এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত প্রকল্প ‘সাপোর্টিং এ ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উইথ বাংলাদেশ’ সফলভাবে দ্বিতীয় বছর পূর্ণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কারিগরি সহায়তায় ৩ মিলিয়ন ইউরো বাজেটের এই প্রকল্পটি আগামী ১ জুলাই ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ মেয়াদে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।
সম্প্রতি প্রকল্পের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে এর সামগ্রিক অগ্রগতি ও সফলতার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।
এই প্রকল্পটি সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের যৌথ পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালনা করা হচ্ছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মাধ্যমে এটি মাঠপর্যায়ে সফলভাবে কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বোয়েসেল এই প্রকল্পে সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
সম্প্রতি জুন ২০২৬-এর অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রকল্পটির অধীনে ইতিমধ্যে অনন্য কিছু মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী ৬৯৮ জন কর্মী 'জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' কর্তৃক আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে চূড়ান্তভাবে যোগ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তারা মোট ৮টি প্রধান ট্রেডে ইউরোপের বাজারে, বিশেষ করে ইতালিতে কর্মসংস্থানের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কর্মীদের ইতালির বিভিন্ন সেক্টরে কাজের জন্য প্রেরণের লক্ষ্যে ইতালীয় দূতাবাসের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং অনেকেই বর্তমানে ইন্টারভিউর জন্য অপেক্ষা করছেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের যাবতীয় তথ্য ইতালিসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের চাহিদা অনুসারে 'ওভারসিস এম্প্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম'-এ কার্যকরভাবে সন্নিবেশিত করার বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এই প্রকল্পের সম্বন্ধে মন্তব্য করেন, বলেন, টেকসই এবং ইথিক্যাল মাইগ্রেশন নিশ্চিত করতে 'ওভারসিস এম্প্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম' এর কার্যক্রম উন্নত করতে হবে। তিনি প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা ও সহজলভ্যতা বাড়ানোর জন্য এটি দ্রুত মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী করার উপর বিশেষ গুরুত্বারেরোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, যেহেতু কর্মীদের ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, তাই ইতালির পাশাপাশি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশেও তাদের পাঠানোর সুযোগ তৈরি করতে হবে। প্রকল্পটি দেশের দক্ষ কর্মীদের বৈধ উপায়ে ইউরোপে যাওয়ার ক্ষেত্রে দারুণভাবে উৎসাহিত করবে।
প্রকল্পের আগামীদিনগুলোর অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ইতালীয় ভাষা শিক্ষা দেয়া এবং ১০ দিনের প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (PDO) ম্যানুয়াল নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক নিয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্টিফাইড গ্র্যাজুয়েটদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি 'এমপ্লয়ার-ম্যাচিং পাইপলাইন' তৈরি করা হবে।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অনান্য সদস্যদের মধ্যে আইএলও'র চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার লোটে কেইসার, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, বিএমইটির মহাপরিচালক জামিল আহমেদসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ