বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১৮ পি.এম
পাবনার চাটমোহরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল বেলা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে রেলবাজার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। ওই মিছিলটি চাটমোহর-টেবুনিয়া সড়ক ও রেলওয়ে স্টেশন এলাকা প্রদক্ষিণ করে রেলবাজার মোড়ে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বিএনপি নেতারা বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, শান্ত চাটমোহরকে অশান্ত ও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
যাদের নেত্রী ভারতে পালিয়ে আছে, তারা কি করে রাজনীতি করার সাহস দেখায়? আগামীতে যদি চাটমোহরের কোথাও আওয়ামী লীগ উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে বিএনপি। আওয়ামী লীগ মিছিল করলে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। বিএনপি আপনাদেরকে শান্তিতে রেখেছে, আপনারা শান্তিতে আছেন, শান্তিতে থাকেন। গুপ্ত মিছিল করে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইলে আপনাদেরও শান্তিতে থাকতে দেওয়া হবে না।
মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম লিখন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক লিটন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম মাহমুদ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস আলো, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মুন্তাজ আলী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক খোকন প্রধান, মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস রেজা, ছাইকোলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব এবং মূলগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রনিসহ আরও অনেকে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেখানে গিয়ে কাউকে না পেয়ে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দক্ষ জনশক্তির জন্য নৈতিক, নিয়মিত এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত প্রকল্প ‘সাপোর্টিং এ ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উইথ বাংলাদেশ’ সফলভাবে দ্বিতীয় বছর পূর্ণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কারিগরি সহায়তায় ৩ মিলিয়ন ইউরো বাজেটের এই প্রকল্পটি আগামী ১ জুলাই ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ মেয়াদে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।
সম্প্রতি প্রকল্পের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে এর সামগ্রিক অগ্রগতি ও সফলতার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।
এই প্রকল্পটি সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের যৌথ পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালনা করা হচ্ছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মাধ্যমে এটি মাঠপর্যায়ে সফলভাবে কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বোয়েসেল এই প্রকল্পে সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
সম্প্রতি জুন ২০২৬-এর অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রকল্পটির অধীনে ইতিমধ্যে অনন্য কিছু মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী ৬৯৮ জন কর্মী 'জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' কর্তৃক আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে চূড়ান্তভাবে যোগ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তারা মোট ৮টি প্রধান ট্রেডে ইউরোপের বাজারে, বিশেষ করে ইতালিতে কর্মসংস্থানের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কর্মীদের ইতালির বিভিন্ন সেক্টরে কাজের জন্য প্রেরণের লক্ষ্যে ইতালীয় দূতাবাসের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং অনেকেই বর্তমানে ইন্টারভিউর জন্য অপেক্ষা করছেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের যাবতীয় তথ্য ইতালিসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের চাহিদা অনুসারে 'ওভারসিস এম্প্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম'-এ কার্যকরভাবে সন্নিবেশিত করার বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এই প্রকল্পের সম্বন্ধে মন্তব্য করেন, বলেন, টেকসই এবং ইথিক্যাল মাইগ্রেশন নিশ্চিত করতে 'ওভারসিস এম্প্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম' এর কার্যক্রম উন্নত করতে হবে। তিনি প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা ও সহজলভ্যতা বাড়ানোর জন্য এটি দ্রুত মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী করার উপর বিশেষ গুরুত্বারেরোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, যেহেতু কর্মীদের ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, তাই ইতালির পাশাপাশি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশেও তাদের পাঠানোর সুযোগ তৈরি করতে হবে। প্রকল্পটি দেশের দক্ষ কর্মীদের বৈধ উপায়ে ইউরোপে যাওয়ার ক্ষেত্রে দারুণভাবে উৎসাহিত করবে।
প্রকল্পের আগামীদিনগুলোর অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ইতালীয় ভাষা শিক্ষা দেয়া এবং ১০ দিনের প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (PDO) ম্যানুয়াল নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক নিয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্টিফাইড গ্র্যাজুয়েটদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি 'এমপ্লয়ার-ম্যাচিং পাইপলাইন' তৈরি করা হবে।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অনান্য সদস্যদের মধ্যে আইএলও'র চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার লোটে কেইসার, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, বিএমইটির মহাপরিচালক জামিল আহমেদসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষক শিক্ষকদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে ঢাবির সিনেটে সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানের নেতৃত্বে প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত হয়ে এ দাবি জানান।
সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাবির কলা অনুষদের ডিন আবুল কালাম সরকার বলেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদের মদদদাতা ও পৃষ্ঠপোষক অনেক শিক্ষক এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ফার্মেসি অনুষদের একজন শিক্ষক বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে সাদা দল নাকি ১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী গণহত্যার মতো গণহত্যা করতে চেয়েছে। অথচ সাদা দল সব সময় শিক্ষকদের নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।
আবুল কালাম বলেন, ‘গত ১৭ বছরে তাদের কার্যক্রমের জন্য কোনো শাস্তি ওই শিক্ষকদের পেতে হয়নি।
এ জন্য তারা এমন ভিত্তিহীন দাবি তোলার সাহস পাচ্ছেন। আজ আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সাদা দলের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষক শিক্ষকদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি। এ ক্ষেত্রে নিরপরাধ শিক্ষকদের যেন কোনো হয়রানি করা না হয়, সে বিষয়টিও আমরা সুস্পষ্ট করেছি। আমাদের স্পষ্ট দাবি, যেসব শিক্ষকের অপরাধ প্রমাণিত, কেবল তাদেরই শাস্তির সম্মুখীন করতে হবে।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের পূর্বের কমিটিতে এমন কয়েকজন শিক্ষক ছিলেন। যাদের কারণে ক্লাবের কার্যক্রম ঠিকমতো পরিচালনা করা যায়নি। এমনকি ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী ডিনারের আয়োজন পর্যন্ত করা যায়নি।
সাদা দলের এই নেতা বলেন, ‘আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখার কথা জানিয়েছি। এর মধ্যে আমাদের দাবি পূরণ না হলে আমরা আরো কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবো।’
সাদা দলের দাবির বিষয়ে ঢাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা সাদা দলের দাবি শুনেছি। আমরা তাদের দাবির ব্যাপারে আন্তরিক। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পৃথিবীর ইতিহাসের মধ্যে তৈরি সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ক্যামেরাটি মহাবিশ্বের অদেখা কোণগুলোর ছবি তোলার কাজ শুরু করেছে। চিলির একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ‘ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরি’ বা পর্যবেক্ষণাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাজাগতিক জরিপ শুরু করেছে।
এই দানবীয় টেলিস্কোপ আগামী ১০ বছর ধরে রাতের আকাশের গভীর ও নিখুঁত ছবি তুলবে। প্রতি রাতে এটি শত শত ছবি ধারণ করার পরিকল্পনা করেছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে, এই ক্যামেরা ব্যবহার করে আমাদের ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের কোটি কোটি তারা এবং এর বাইরের কোটি কোটি গ্যালাক্সির একটি সঠিক মানচিত্র তৈরি করা সম্ভাব হবে। এটি খুব দ্রুত ছবি তুলতে সক্ষম। একই জায়গার ছবি বারবার তোলার ফলে আগে যেসব আবছা বা অস্পষ্ট বস্তু দেখা যেত না, সেগুলোও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা ফিল মার্শাল মন্তব্য করেছেন যে, সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখন এমনভাবে মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করতে সক্ষম হবেন, যা তারা আগে কখনো করেননি। গত বছর এই ক্যামেরা দিয়ে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরের কিছু রঙিন নেবুলার অথবা গ্যাসপুঞ্জের ছবি তোলা হয়েছিল। এক আলোকবর্ষের মানে হলো প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল।
আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন এবং জ্বালানি বিভাগের অর্থায়নে এই পর্যবেক্ষণাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভেরা রুবিনের নামানুসারে এর নামকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তিনি প্রথম প্রমাণ করেছেন যে মহাবিশ্বে ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা অন্ধকার বস্তু নামক একটি রহস্যময় উপাদান বিদ্যমান। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ১০ বছরের অভিযানে ডার্ক ম্যাটার এবং ‘ডার্ক এনার্জি’র মতো মহাবিশ্বের বড় বড় রহস্যের সমাধান বের করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মাদকদ্রব্য সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এর আগের বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেত্রকোনা জেলা কার্যালয়ের একটি দল কেন্দুয়া পৌর শহরের মাস্টারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুণ্ডলী গ্রামের মৃত মুসলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬), একই গ্রামের মৃত আসর উদ্দিনের ছেলে ফজলু তালুকদার (৫০), এবং পৌরসভার বাদে আঠারবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল রহিমের ছেলে মো. সায়েম (৪৩)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, মাস্টারপাড়া এলাকার রামলাল রবিদাসের নিজ দখলীয় পরিত্যক্ত বসতঘরে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্তদের সন্ধ্যার সময় নেত্রকোনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেত্রকোনা জেলা কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. আল আমিন জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ