ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাবির ছাত্রী হলে মাদক সেবনের অভিযোগে ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার


জাবির ছাত্রী হলে মাদক সেবনের অভিযোগে ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের একটি কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের ঘটনা ঘটেছে, যার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুই নারী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে। একই সঙ্গে তাদের আবাসিক হল থেকেও স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে, অভিযুক্তদের একজনের বিরুদ্ধে প্রচলিত রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা করার সুপারিশও করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে একটি সিন্ডিকেট সভা শেষে রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন।

বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথি এবং নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮ ভঙ্গ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই অধ্যাদেশ অনুসারে, ক্যাম্পাস, বিভাগ, ইনস্টিটিউট বা আবাসিক হলে দেশি-বিদেশি যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, সেবন কিংবা ব্যবসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তনুজা তিথি এবং সানজিদা আমীর ইনিসীকে দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবারের মধ্যে তনুজা তিথির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা দায়েরের জন্য জোর সুপারিশ করা হয়েছে।

হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে ঝটিকা অভিযান চালানো হয়েছিল। এই অভিযানে কক্ষটি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছিল।

জানা গেছে, ওই কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল। এবং অভিযানের সময় কক্ষটিতে মাদক সেবনরত অবস্থায় উপস্থিত ছিলেন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতেই সিন্ডিকেট এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুশইন ইস্যুতে দিল্লির সদিচ্ছা ছাড়া সীমান্ত সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ এম


পুশইন ইস্যুতে দিল্লির সদিচ্ছা ছাড়া সীমান্ত সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন প্রচেষ্টা ঘিরে উত্তপ্ত দুই দেশের সীমান্ত। একের পর এক পুশইন প্রচেষ্টা রুখে দিচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), সেইসঙ্গে সজাগ স্থানীয়রাও এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কাজ করছে। পুশইন একটি রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং এটি সমাধান করতে হলে রাজনৈতিকভাবেই এগোনোর দরকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দিল্লির সদিচ্ছা ছাড়া সীমান্ত সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব নয়।

এই পুশইন চেষ্টাগুলি সীমান্তে একের পর এক সংঘটিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে। প্রতিদিন এর মধ্যে কোনো না কোনো এলাকা দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে, যা বিজিবি এর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করছে। সীমান্তরক্ষীদের পাশাপাশি সজাগ স্থানীয়রাও এই অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে মনোযোগ দিচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“যুক্তরাষ্ট্রের চাপের প্রভাব: কিউবার পর্যটনে অর্ধেকের বেশি পতন”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


“যুক্তরাষ্ট্রের চাপের প্রভাব: কিউবার পর্যটনে অর্ধেকের বেশি পতন”

বিদেশি পর্যটকদের কাছে কিউবার আকর্ষণের হ্রাস দ্রুতগতিতে ঘটছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশটিতে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে।

এটি যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নিষেধাজ্ঞাকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কিউবার জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থার প্রকাশিত তথ্য ও পরিসংখ্যান অনুসারে, বিষয়টি পরিস্কারভাবে প্রতিভাত হয়েছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক চাপের ফলস্বরূপ পর্যটন খাত একটি বড় সংকটে পড়ে গিয়েছে। এর প্রভাব কিউবার সামগ্রিক অর্থনীতিতে এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে।

কিউবার জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা ওনেইর অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসে দেশটিতে ৩ লাখ ৬০ হাজারেরও কম বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যাটি ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ কমে গেছে।

পর্যটন খাতটি কিউবায় বিদেশি মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস। অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশের জন্য এই খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের ফলস্বরূপ খাতটি নতুন করে চাপে পড়েছে। বিশেষ করে, ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার সরকারের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেশটির পর্যটন খাত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল, যার ফলে কয়েকটি বিদেশি বিমান সংস্থা ও আন্তর্জাতিক হোটেল প্রতিষ্ঠান কিউবায় তাদের কার্যক্রম কমিয়ে দিয়েছে বা বন্ধ করেছে। এতে আগের তুলনায় পর্যটকের সংখ্যা চলমানভাবে আরো কমে গেছে।

এ মাসের শুরুতে, কানাডার বিমান সংস্থা এয়ার কানাডা ঘোষণা করেছে যে, তারা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিউবায় ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রাখবে। প্রতিষ্ঠানটি তার এই সিদ্ধান্তের জন্য কিউবার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাকে উল্লেখ করেছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে কিউবায় বিমান জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ করেছিল এয়ার কানাডা, যা কিউবার পর্যটন খাতের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কারণ চলতি বছর কিউবায় আসা বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল কানাডার নাগরিক। শুধু বিমান সংস্থাগুলো নয়, আন্তর্জাতিক হোটেল ব্যবসাও কিউবায় সংকুচিত হতে দেখা যাচ্ছে। স্পেনের দুটি বড় হোটেল চেইন মেলিয়া ও ইবেরোস্টার কিউবার বেশ কয়েকটি হোটেলে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কিউবার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গায়েসার সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করার জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৫ জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। সেই সময়ের আগে স্প্যানিশ প্রতিষ্ঠান দুটি কিউবায় কার্যক্রম সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অভিযোগ করেছেন যে, গায়েসা কিউবার সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয় এবং এটি ‘রাষ্ট্রের ভেতরে আরেকটি রাষ্ট্র’ হিসেবে কাজ করে। সম্প্রতি এক ভাষণে তিনি এই নিয়ে মন্তব্য করেন যে, গায়েসা তাদের ব্যবসায়িক লাভ দেশের সাধারণ মানুষের পরিবর্তে একটি ছোট প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যয় করে। তার অভিযোগ, যারা এর বিরুদ্ধে কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং তেল সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় কিউবার অর্থনৈতিক সংকট আরো গভীর হয়েছে। দেশে জ্বালানি, খাদ্য এবং ওষুধের ঘাটতি আগে থেকেও বেড়ে গেছে। বহু খাতে উৎপাদন এবং সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন যে, কিউবাকে তেল সরবরাহকারী যেকোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে ঘোষণার পর থেকেই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে বলে দাবি করেছে কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কিউবাডিবাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটের কারণে ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের জীবিত থাকার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে এই হার আগে ৮৫ শতাংশ ছিল, এখন তা নামিয়ে ৬৫ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে এ অবস্থা দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের অন্যতম বড় প্রভাব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জ্বালানির ঘাটতির কারণে কিউবার অর্থনীতির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত। যথেষ্ট জ্বালানি না থাকার কারণে নিয়মিত ময়লা অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিভিন্ন শহরের রাস্তায় আবর্জনার স্তূপ জমে উঠেছে।

দেশজুড়ে দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন কিউবার মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, কোথাও কোথাও পরিস্থিতি ক্ষেত্রফল আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এ কারণে দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিক্ষোভও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, কিউবায় সরকারবিরোধী প্রতিবাদ সাধারণত কঠোরভাবে দমন করা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব এখন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরেও পড়ছে। বার্তা সংস্থা এএফপির রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্যাথলিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত কমিউনিয়ন ওয়েফারের সংকটও দেখা দিয়েছে। কয়েকজন ক্যাথলিক পুরোহিত জানিয়েছেন, তাদের ওয়েফার ব্যবহার সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ধর্মীয় উপাসনার সময় এই বিশেষ ধরনের রুটি বিশ্বাসীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। ওয়েফারগুলো হাভানার একটি মঠে তৈরি হয়। সেখানকার সন্ন্যাসিনীরা জানিয়েছেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে উৎপাদন ধরে রাখা তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। বলা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশ সময় মাত্র দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। ফলে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ওয়েফার তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না।

পর্যটকের সংখ্যার এই পতন, বিদেশি বিনিয়োগের হ্রাস, এবং জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি—এই সব মিলিয়ে কিউবার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রতিদিন আরো কঠিন হয়ে উঠছে। পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে দেশটির পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদত্যাগ করলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


পদত্যাগ করলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াত

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশিক রুবাইয়াত।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) তার পদত্যাগপত্র অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয়ের (আইন ও বিচার বিভাগের) সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে আশিক রুবাইয়াত উল্লেখ করেছেন, 'আমাকে এ পদে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে আমার পক্ষ থেকে এই পদে কাজ করা আর সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ হতে আজ পদত্যাগ করছি।'

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে আশিক রুবাইয়াত জানান, তিনি এখন পুরোপুরি প্র্যাক্টিসে মনোনিবেশ করতে চান। ১১ জুনের পর তিনি বিদেশে ছিলেন। সোমবার দেশে এসে তিনি পদত্যাগের চিঠি দিয়েছেন।

আশিক রুবাইয়াতের পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল মন্তব্য করেন, 'তিনি নিয়মিত অফিস করেন না। এ বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এরকম পরিস্থিতিতে তিনি তার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।'

চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্ট থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“হেবরন চুক্তি ঘিরে নতুন করে অস্থিরতা পশ্চিম তীরে”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


“হেবরন চুক্তি ঘিরে নতুন করে অস্থিরতা পশ্চিম তীরে”

ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ অভিযোগ করেছেন, তিনি ১৯৯৭ সালের হেবরন চুক্তি বাতিল করেছেন। এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের সবচেয়ে বড় শহর হেবরনে নির্মাণকাজের ওপর ফিলিস্তিনি পৌরসভার কর্তৃত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ইসরায়েল এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি হেবরন চুক্তি নামে পরিচিত। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, পশ্চিম তীরের হেবরন শহর থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করে ফিলিস্তিনিদের হাতে শহরের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করা।

হেবরন চুক্তির মাধ্যমে, পশ্চিম তীরের হেবরন শহরটি দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল। একটি অংশের বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে, এবং অন্য অংশ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্মোট্রিচের কথায়, এই সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ হেবরনের নির্দিষ্ট এলাকায় ফিলিস্তিনি পৌরসভার নির্মাণসংক্রান্ত ক্ষমতা বাতিল বা সীমিত হতে পারে। তবে, এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক আইনি পরিবর্তন বা বাস্তবায়নের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ফিলিস্তিনি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সমালোচনা করে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, হেবরন চুক্তি বাতিলের যেকোনো উদ্যোগ এলাকাটিতে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

এদিকে, পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী ও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় এক ফিলিস্তিনি কিশোরী আহত হয়েছে, এবং বেশ কিছু সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনীর ছুড়ে দেওয়া গুলি ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর কাঁধে লাগে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। এসময়ে শহরটিতে অভিযান চালানোর সময় ইসরায়েলি সেনারা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের ক্যানিস্টার নিক্ষেপ করে এবং শহরের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়।

এদিকে, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা আল-লুব্বান আশারকিয়া এলাকার সড়কে চলাচলকারী বাসিন্দাদের দুটি গাড়িতে পাথর ছুড়ে হামলা চালায়, এতে গাড়িগুলোর জানালার কাচ ভেঙে যায়। এল-বিরেহ শহরেও ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালিয়ে বাসিন্দাদের লক্ষ্য করে সাউন্ড বোমা, কাঁদানে গ্যাসের ক্যানিস্টার ও গুলি ছোড়ে। এতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং যান চলাচল ব্যাহত হয়।

এছাড়া রামাল্লার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত দেইর আবু মিশাল গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনী গুলি ছুড়ে প্রবেশ করে। তবে, সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলের আস-সাওয়াহিরা আল-শারকিয়া এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তারা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করে পরে এলাকা ত্যাগ করে।

এদিকে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ দাবি করেছেন, তিনি ১৯৯৭ সালের হেবরন চুক্তি বাতিল করেছেন। এ পদক্ষেপ যদি কার্যকর হয়, তবে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বৃহত্তম শহর হেবরনে নির্মাণকাজের ওপর ফিলিস্তিনি পৌরসভার কর্তৃত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%