প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের একটি কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের ঘটনা ঘটেছে, যার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুই নারী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে। একই সঙ্গে তাদের আবাসিক হল থেকেও স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে, অভিযুক্তদের একজনের বিরুদ্ধে প্রচলিত রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা করার সুপারিশও করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে একটি সিন্ডিকেট সভা শেষে রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন।
বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথি এবং নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮ ভঙ্গ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই অধ্যাদেশ অনুসারে, ক্যাম্পাস, বিভাগ, ইনস্টিটিউট বা আবাসিক হলে দেশি-বিদেশি যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, সেবন কিংবা ব্যবসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তনুজা তিথি এবং সানজিদা আমীর ইনিসীকে দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবারের মধ্যে তনুজা তিথির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা দায়েরের জন্য জোর সুপারিশ করা হয়েছে।
হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে ঝটিকা অভিযান চালানো হয়েছিল। এই অভিযানে কক্ষটি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছিল।
জানা গেছে, ওই কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল। এবং অভিযানের সময় কক্ষটিতে মাদক সেবনরত অবস্থায় উপস্থিত ছিলেন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতেই সিন্ডিকেট এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন