ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৪ মন্ত্রীর দায়িত্ব বাড়ল


৪ মন্ত্রীর দায়িত্ব বাড়ল

বর্তমানে ৪ মন্ত্রীর দায়িত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসা এবং বিনিয়োগের পরিবেশকে সহজ করতে একটি জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২২ জন সদস্য।

অর্থ, বাণিজ্য, আইন ও পরিবেশমন্ত্রীসহ এই টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। রবিবার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধিশাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এ সম্পর্কিত।

জাতীয় এই টাস্কফোর্সের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এতে আরো সদস্য হিসেবে রয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অতিরিক্ত সচিব, অর্থ বিভাগের (সামষ্টিক ও টিডিএম) টাস্কফোর্সের সদস্যসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

এছাড়াও আরো সদস্য হিসেবে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এই জাতীয় টাস্কফোর্সের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন অর্থ বিভাগের সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সচিব, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদফতরের (আরজেএসসি) রেজিস্ট্রার, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কর্মার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি এবং বাংলাদেশ নিটওয়ার ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি।

টাস্কফোর্সের কার্যপরিধির বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই জাতীয় টাস্কফোর্স বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণ সংক্রান্ত খাতভিত্তিক সংস্কারের রূপরেখা অনুমোদন ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে লাইসেন্স, অনুমোদন, ছাড়পত্র, কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ ও স্থানীয় সেবায় অপ্রয়োজনীয় ধাপ চিহ্নিত করে সহজীকরণের নির্দেশনা প্রদান করবে। পাশাপাশি 'সিঙ্গেল উইন্ডো', সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ), চাহিদা বা স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন এবং অনলাইন ট্রাকিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নে নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় ও আন্তঃসংস্থাগত জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আইন, বিধি, নীতিমালা, সার্কুলার ও প্রশাসনিক আদেশ সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করবে।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদরাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক কিশোর নিহত হয়েছে, যাঁর নাম সানি বেপারী (১৭)। এই সংঘর্ষের ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে দুজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, আর অন্যরা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবি সদরদী এলাকায়। নিহত সানি বেপারী এলাকার মুদি দোকানি আতিয়ার রহমান বেপারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র এবং ভাঙ্গা থানা-পুলিশ জানায় যে, দুপুরের দিকে কৈডুবি সদরদী এলাকায় হযরত ফাতেমাতুজ যাহরা মহিলা মাদরাসার সামনে জিসান মাতুব্বর নামক এক কিশোর মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। যখন মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মো. মনিরুজ্জামান প্রতিবাদ করেন, তখন জিসানের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়।

পরবর্তীতে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে জিসানের বাবা বাশার মাতুব্বরসহ কয়েকজন লোক মাদরাসার সামনে গিয়ে শিক্ষক মনিরুজ্জামানকে গালিগালাজ করেন। একসময় দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ সংঘর্ষের ফলে সাতজন আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন এবং ভর্তি ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে—মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মো. মনিরুজ্জামান, সানি বেপারী, সবুজ বেপারী (৫০), আরাফাত (৬), রাতুল (১৬), জোবেদা বেগম (২৫) এবং উজ্জ্বল মাতুব্বর (৫৫)।

গুরুতর আহত সানি বেপারী ও মাওলানা মনিরুজ্জামানকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর পর, সানি বেপারীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুপুর আড়াইটার দিকে মারা যান।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সানির মরদেহ ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মোবাশ্বেরা ইয়াসমিন জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সানি বেপারী নামের এক কিশোরকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এই বিষয়টি ভাঙ্গা থানাকে জানানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, কৈডুবি সদরদী এলাকায় সংঘর্ষে এক কিশোর নিহত হয়েছে। হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আখিরাতে যেসব ১৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


আখিরাতে যেসব ১৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম

জাহান্নাম বা দোজখ, যা আরবি শব্দ, গুনাহগারদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির আবাসস্থল। কিয়ামতের দিন যাদের আমলনামার ওপর মহান আল্লাহ তা’আলা অসন্তুষ্ট থাকবেন, তাদের শাস্তির ঠিকানা হবে জাহান্নাম।

জাহান্নামের সাতটি স্তর রয়েছে। বিভিন্ন হাদিসে জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তির কথাও এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাবও (শাস্তি) অত্যন্ত ভয়ংকর। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাব ওই ব্যক্তির হবে, যাকে এমন দু’টি জুতা পরিয়ে দেয়া হবে, যার তলা ও ফিতা হবে আগুনের। ফলে এর দহনে (চুলার ওপরে রাখা) পাতিলের মতো মগজ উতলাতে থাকবে। আর তার মনে হবে যে, সে-ই বুঝি সবচেয়ে বেশি শান্তি ভোগ করছে। অথচ, এটি হচ্ছে সবচেয়ে হালকা আযাব। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪১০)

দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সফর শেষে পরকালে সফল হতে তাই বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে নবীজি (সা.) যেমন উম্মতদের উত্তম আমল করার পাশাপাশি নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের কথা জানিয়েছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও। নিচে ১৩ শ্রেণির মানুষের কথা তুলে ধরা হলো, আখিরাতে যাদের ঠিকানা হবে চিরশাস্তির জাহান্নাম।

কাফির ও মুশরিক। কাফির ও মুশরিকরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আখিরাতে তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, নিশ্চয়ই কিতাবীদের মধ্যে যারা কুফরি করেছে ও মুশরিকরা জাহান্নামের আগুনে থাকবে স্থায়ীভাবে। তাদের জন্যেই তো বলা হয়েছে নিকৃষ্ট সৃষ্টি। (সুরা আল-বাইয়্যিনাহ, আয়াত: ৬)

অন্যদিকে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রয়েছে, ওমর ইবনু খাত্তাব (রা.) বলেছেন- খায়বারের যুদ্ধ শেষে রাসুল (সা.) এর একদল সাহাবী এসে বলতে লাগল, অমুক শহিদ, অমুক শহিদ। কথাবার্তা চলছিল, অবশেষে এক ব্যক্তির প্রসঙ্গে তারা বললেন, সেও শহিদ হয়েছে। রাসুল (সা.) তখন বললেন, কখনই না। আমি তাকে জাহান্নামে দেখেছি, চাদর বা জোব্বার কারণে (যা সেই ব্যক্তি গণিমতের মাল থেকে আত্মসাৎ করেছিল)। এরপর নবীজি (সা.) বলেন, হে খাত্তাবের পুত্র! যাও লোকদের মধ্যে ঘোষণা করে দাও যে, জান্নাতে কেবলমাত্র প্রকৃত মুমিন ব্যক্তিরাই প্রবেশ করবে। তারপর ওমর ইবনু খাত্তাব (রা.) বলেন, তারপর আমি বের হলাম এবং ঘোষণা করে দিলাম- ‘সাবধান! শুধু প্রকৃত মুমিনরাই জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১০)

শিরককারী ও অহংকারী ব্যক্তি। শিরক কবিরা গুনাহের (বড় গুনাহ) মধ্যে সবচেয়ে বড় গুনাহ। মহান আল্লাহ শিরক করাকে ক্ষমা করেন না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না। তিনি ক্ষমা করেন এছাড়া অন্যান্য পাপ, যা তিনি চান। আর যে আল্লাহর সঙ্গে শরিক করে, সে অবশ্যই মহাপাপ রচনা করে। (সুরা নিসা, আয়াত: ৪৮)

অন্যদিকে আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। আর যে ব্যক্তির অন্তরে এক সরিষার দানা পরিমাণ অহমিকা (অহংকার) থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৬৮)

আমানতের খিয়ানতকারী ও প্রতারণাকারী। রাসুল (সা.) বলেছেন- পাঁচ প্রকার মানুষ জাহান্নামী হবে। ১) এমন দুর্বল মানুষ, যাদের মধ্যে (ভাল-মন্দ) পার্থক্য করার বুদ্ধি নেই, যারা তোমাদের এমন তাবেদার যে, না তারা পরিবার-পরিজন চায়, না ধনৈশ্বর্য। ২) এমন খিয়নতকারী মানুষ, সাধারণ বিষয়েও যে খিয়ানত করে, যার লোভ কারও কাছেই লুকায়িত নেই। ৩) ওই লোক, যে তোমার পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদের ব্যাপারে তোমার সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা প্রতারণা করে। ৪) কৃপণতা ও ৫) নবীজি (সা.) মিথ্যা বলার কথাও উল্লেখ করেছেন। আর বলেছেন- ‘শিনজীর’। শিনজীর হলো চরম অশ্লীলতাবাদী। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৯৪৩)

মিথ্যা কসমকারী। প্রয়োজনে আল্লাহর নামে কসম কাটা জায়েজ থাকলেও মিথ্যা কসম কাটায় কঠোর নিষেধ রয়েছে। আখিরাতে মিথ্যা কসমকারীর জন্য রয়েছে ভয়ংকর শাস্তি। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের কোনো অংশই পাবে না এবং আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদের পবিত্র করবেন না, বস্তুত তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সুরা আল-ইমরান, আয়াত: ৭৭)

অন্যদিকে মিথ্যা কসম কাটা কবিরা গুনাহের (বড় পাপ) মধ্যে অন্যতম। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) সূত্রে মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল (রহ.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- কবিরা গুনাহসমূহের অন্যতম হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে শরিক করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬২১৯)

এছাড়াও মিথ্যা কসমকারীর জন্য পরকালে জাহান্নাম অবধারিত। ইমরান ইবন হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো হাকিমের (বিচারক) আদালতে বন্দি থাকা অবস্থায় মিথ্যা কসম খায়, সে যেন তার আবাসস্থল জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩২২৭)

সর্বদা মদ্যপায়ী ও পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান। ইবনু উমার (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে আরও ৩ শ্রেণির জাহান্নামীদের কথা এসেছে। হাদিসটি হলো- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ৩ শ্রেণির লোকের জন্য আল্লাহ তা’আলা জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন। সর্বদা মদ্যপায়ী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান এবং দাইয়ূস (পাপাচারের মতো কাজে যে পরিবারকে বাধা দেয় না)। (মেশকাত, হাদিস: ৩৬৫৫)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে, সতর্ক করেছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


রাশিয়া পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে, সতর্ক করেছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাশিয়ার অভ্যন্তরে অব্যাহত ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন এবং ক্ষেপনাস্ত্র হামলার মুখাবেক্ষণে, রাশিয়া ‘শেষ ব্যবস্থা’ হিসেবে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর একটি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন এবং রাশিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন।

ফিদান বলেন, ‘যখন সম্মুখভাগের যুদ্ধ ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে রূপ নেয়, তখন প্রশ্নটি জয়-পরাজয়ের নয়, বরং জাতি হিসেবে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার হয়ে যায়। আপনার হাতে যে শেষ সুযোগ রয়েছে, সেটি ব্যবহার করবেন।’

তিনি পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করে জানান, এই বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে পশ্চিমা অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ফিদান বলেন, ‘আমার রাশিয়া সফরের সময় থেকেই মনে হয় যে প্রশ্নটি সামনে আসতে পারে, কারণ সেখানে জনগণও এমন কিছু দাবি করছে বলে আলোচনা রয়েছে। আমরা পশ্চিমাদের বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি এবং তারাও এটি নিয়ে সচেতন। এটি বিপজ্জনক একটি পরিস্থিতি। মানুষের চিন্তা করে যে বিষয়গুলো ঘটবে না, সেগুলোই শেষ পর্যন্ত ঘটে যায়।’

অন্যদিকে জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, চলতি বছরে রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয় পক্ষই একে অপরের ভূখণ্ডে দূরপাল্লার হামলা মারাত্মকভাবে ব্যাপক করেছে, ফলে বেসামরিক প্রাণহানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের চার বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা হিসেবে, রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া, সোমবার রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী হামলা চালিয়েছে। উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের খারকিভে একটি গ্রামের কাছে রুশ কামানের গোলার আঘাতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলেও নিশ্চিত করেছে স্থানীয় ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের ৪৫৬টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে কতগুলি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে, সে সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি মস্কোর পক্ষ থেকে। অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী জানায়, রাশিয়া তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ১২৬টি ড্রোন লক্ষ্য করেছে।

আরেকদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন যে, ইউক্রেনযুদ্ধে নতুন প্রায় পাঁচ লাখ সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই সেনা সমাবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলেনস্কি ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর এই সেনা সমাবেশের পরিকল্পনা করছেন পুতিন।

জেলেনস্কি ব্রিটিশ একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘পুতিন এই যুদ্ধ থামাতে প্রস্তুত নন। আমাদের গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নতুন সেনা সমাবেশের পরিকল্পনা করছেন। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্ট নির্বাচনের পরপরই এটি করতে চান।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত তরুণের লাশ হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আহমেদ আক্তার রানা প্রতিনিধি কুলাউড়া উপজেলা

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত তরুণের লাশ হস্তান্তর

কুলাউড়া সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশের তরুণ তারা মিয়া (১৯) এর লাশ আজ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১০ আগস্ট সোমবার বিকেলে উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ-বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পতাকা বৈঠক হওয়ার পর ভারতীর পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারার মরদেহ হস্তান্তর করে। এই সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নিহত তারা মহল উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে। কুলাউড়া থানার পুলিশ ও বিজিবির সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৫টায় তারার মরদেহ হস্তান্তরের জন্য চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় পতাকা বৈঠক করা হয়। নিহত তারার বড় ভাই রাজু মিয়া লাশ গ্রহণ করেন। এসময় সেখানে কুলাউড়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম মুন্না, ত্রিপুরার ইরানি থানার ইন্সপেক্টর শ্রীকান্ত চক্রবর্তী, বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের আলীনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কাজী নাসিম, বিএসএফের মাগুরুলী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এসি রোহিত, কুলাউড়া থানার এসআই ফরহাদ মাতব্বর, কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিলভেস্টার পাঠান উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত ৩টার পর কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা কানু মিয়ার ছেলে রেনু মিয়া (৩৬), রইস আলীর ছেলে সুমন মিয়া (১৮) ও রইস আলীর সঙ্গে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আলীনগর শিকরিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতের মাগুরুলী এলাকায় চোরাই পণ্য আনতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন নিহত তরুণ তারা মিয়া। এসময় বিএসএফের ১৯৯ ব্যাটালিয়নের মাগুরুলী ক্যাম্পের টহল দল তাদের গতিরোধ করার চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তারা মিয়া নিহত হন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বাকি সহযোগীরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যায়। কুলাউড়া থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, দুই দেশের মধ্যে আইনী প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ সোমবার বিকেলে কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে নিহতের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত তারা মিয়ার মাতা আজিরুন্নেছা বলেছেন, 'আমার ছেলে কখনো চোরাকারবারে জড়িত ছিল না। টাকার লোভ দেখিয়ে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় স্থানীয় সুমনসহ কয়েকজন লোক। তখন বাঁধা দিলে ছেলে কথা শুনেনি। পরে তারা ভারতে ঢুকে পড়লে বিএসএফ আমার ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেললো। আমার বুকটা খালি হয়ে গেল।' বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, বাংলাদেশি তরুণ তারা নিহত হওয়ার ঘটনায় পতাকা বৈঠকে তাঁদের পক্ষ থেকে বিএসএফের কর্মকর্তাদের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। দুই দেশের পতাকা বৈঠকের পর নিহত তরুণের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত তরুণ চোরাকারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সীমান্ত এলাকায় কিছু উঠতি বয়সী তরুণ-যুবকরা অপরাধ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়েছে। এসব কার্যক্রম বন্ধে বিজিবির পক্ষ থেকে স্থানীয় লোকদের নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আগামীতেও এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার বাড়ানো হবে। সার্বিক পরিস্থিতি নজরদারিতে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%