ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় জরুরি অভিযানের মাধ্যমে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ


রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় জরুরি অভিযানের মাধ্যমে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

শুক্রবার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার বিভিন্ন অপরাধের EPS সূচনায় তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. শাকিল (২৩), মো. বাপ্পি (২৭), মো. আজিজুল শেখ আইদুল (৪০), মো. দিদার মিয়া (৩৯), মো. শরীফ (২৯), মো. তামিম মিয়া (২২), নূর মোহাম্মদ হাসান ওরফে মো. হাসান মিয়া (৩২), মো. সাদ্দাম হোসেন (৩০), মো. আবুল কাশেম (৫২), মো. রিফাত হোসেন মিমু (২৯), মো. সুমন (২৪), এবং সোহাগ আহম্মেদ।

পুলিশ জানাচ্ছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে যুক্ত অপরাধী রয়েছে, যা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যেমন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পাশে ছিলেন, তেমনি ২০২৪ সালের আন্দোলনেও তাঁরা পাশে ছিলেন : প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিরকুটে প্রশ্ন, মুখস্থ করে ফাঁস, নিট কেলেঙ্কারিতে তিন বিশেষজ্ঞের ভয়ংকর কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


চিরকুটে প্রশ্ন, মুখস্থ করে ফাঁস, নিট কেলেঙ্কারিতে তিন বিশেষজ্ঞের ভয়ংকর কৌশল

ভারতের বহুল আলোচিত নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ফাঁসের ঘটনায় তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরীক্ষার প্রশ্ন প্রস্তুতের দায়িত্বে থাকা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তিন বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন মুখস্থ করে, চিরকুটে লিখে এবং পাঠ্যবইয়ের নির্দিষ্ট অংশ চিহ্নিত করে প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন। সিবিআইয়ের চার্জশিটে এই বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির হাতে আসা সিবিআইয়ের ৯৪ পৃষ্ঠার চার্জশিটে প্রশ্ন ফাঁসের এই কৌশলের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।

জেনে নেওয়া যাক, যেভাবে প্রশ্ন ফাঁস করা হতো।

সিবিআইয়ের চার্জশিটে প্রশ্ন ফাঁসের মূল কারিগর হিসেবে তিন বিশেষজ্ঞকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন রসায়ন বিষয়ের পি ভি কুলকার্নি, উদ্ভিদবিজ্ঞানের মনীষা মান্ধারে এবং পদার্থবিজ্ঞানের মনীষা হাবালদার।

তদন্তে জানা যায়, ডিজিটাল নজরদারি এড়াতে তাঁরা প্রশ্ন ফাঁসের জন্য বেশ কয়েকটি কৌশল ব্যবহার করতেন। এনসিইআরটি পাঠ্যবইয়ের নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ চিহ্নিত করে রাখা, চিরকুটে প্রশ্ন লিখে নেওয়া এবং সহজ প্রশ্নগুলো মুখস্থ করে রাখতেন তাঁরা।

তাদের কাজ শেষ হওয়ার পর, হোটেলে ফিরে মুখস্থ করা প্রশ্নগুলো খাতায় লিখে রাখা হতো। পরে এসব প্রশ্ন কোচিং সেন্টার ও দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

বিভাগীয় কাজের সুযোগে প্রশ্নগুলোর নাগাল পেতেন ওই তিন বিশেষজ্ঞ। চার্জশিট অনুযায়ী, পি ভি কুলকার্নি একাই তিন দিনে ১৩৫টি প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন বলেও বিএসআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে গোপন কোচিং সেশনে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ওই প্রশ্নগুলো হাতে লিখিয়ে নেওয়ারও প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

চার্জশিটে পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ঘাটতির কথাও উঠে এসেছে।

তদন্তে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের যাতায়াতের সময় সেখানে শারীরিক তল্লাশি বা মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে প্রশ্ন তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা কীভাবে প্রশ্ন নিয়ে বের হচ্ছেন, তা শনাক্ত করার কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না।

সিবিআইয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং নিজেদের পছন্দের কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই অভিযুক্তরা প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

দেশজুড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ভারতজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে দেশটির বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনও হয়।

এরই মধ্যে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু করে সিবিআই। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালানো হয় এবং ডিজিটাল ডিভাইসসহ বিভিন্ন নথি জব্দ করা হয়।

মামলায় বর্তমানে ১৩ জন অভিযুক্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। সিবিআই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে ২০ হাজার পৃষ্ঠার নথিপত্রসহ চার্জশিট জমা দিয়েছে। এতে ৩৬০ জন সাক্ষী ও ৪২২টি দাপ্তরিক নথি যুক্ত করা হয়েছে।

মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা ও দিল্লিসহ বিভিন্ন রাজ্যের ৯২টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে এবং কয়েকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ভারত

ওয়েব সিরিজ দেখে স্ত্রীকে হত্যা, পুলিশের চোখে ধুলো দিতে যে কৌশল নেন এই ইঞ্জিনিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


ওয়েব সিরিজ দেখে স্ত্রীকে হত্যা, পুলিশের চোখে ধুলো দিতে যে কৌশল নেন এই ইঞ্জিনিয়ার

ভারতের দিল্লিতে একজন সফটওয়্যার কনসালটেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, যে তিনি জনপ্রিয় ক্রাইম ওয়েব সিরিজ ‘দ্য স্টেয়ারকেস’ দেখে তার স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেছেন। সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলার কারণে, স্ত্রী কোমল সিংকে তলোয়ার এবং কাঁচি দিয়ে হত্যা করে ৬২ বছর বয়সী কামাল সিং প্রায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার রুপি নিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ প্রায় তিন দিন অভিযান চালানোর পর মথুরা রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে ৩০ জুলাই পূর্ব দিল্লির একটি বাড়িতে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় বাড়িতে আর কেউ থাকেনি। দুপুরের সময় বারান্দায় কাপড় শুকাতে থাকা কোমল সিংয়ের মাথার পেছনে তলোয়ার দিয়ে হামলা করেন কামাল। প্রাণ বাঁচাতে রান্নাঘরে পালিয়ে গেলেও, তাঁকে কাঁচি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মারা হয়।

হত্যার পরে কামাল স্নান করে রক্তমাখা পোশাক এবং তলোয়ার একটি ব্যাগে ভরে স্কুটারে পালিয়ে যান। পরে রাস্তায় ব্যাগটি ফেলে দেন। স্ত্রীর ঘর থেকে তিনি ৫ লাখ রুপি নিয়ে যান, পাশাপাশি দুইটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৭ লাখ রুপি তুলে নেন।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় কামাল জানান, ‘দ্য স্টেয়ারকেস’ দেখে হত্যার অস্ত্র গায়েব করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি পুলিশের নজর এড়াতে ফোন অন রেখে নেপালে যাওয়ার ভান করেন এবং পরে ফোন বন্ধ করে মথুরায় আত্মগোপন করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তার মাধ্যমে পুলিশ তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দম্পতির মধ্যে প্রায় এক বছর ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। তাঁরা একই বাড়িতে থাকার সত্ত্বেও আলাদা আলাদা বিদ্যুৎ বিল দিতেন। কামালের মুম্বাই সফরে এক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে এবং জাগাত্সপুরীর একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়ে বিরোধে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। কামাল ওই ফ্ল্যাট বাবার নামে কিনতে চাওয়ার সময় স্ত্রী কোমল নিজের অংশ দাবি করলে দাম্পত্য কলহ তীব্র হয়ে ওঠে। এভাবে সেই সম্পত্তি বিরোধ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনফান্তিনোর পাশে আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


ইনফান্তিনোর পাশে আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো

টালমাটাল সময়ে খানিকটা স্বস্তির পরশ পেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি ফুটবল বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন, ফিফা সভাপতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা এবং মেক্সিকোর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অধিকার আংশিক বিক্রির বিতর্কিত প্রস্তাব ঘিরে তিনি সমালোচনার শিকার হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনা এবং মেক্সিকো তার প্রতি সমর্থন জানালো।

সম্প্রতি শেষ হওয়া বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দেশ মেক্সিকো, নিজেদের আঞ্চলিক সংস্থা কনকাকাফ-এর অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়িয়েছে। কনকাকাফ পূর্বে তার নেতৃত্ব নিয়ে "সমগ্র মূল্যায়ন" করার আহ্বান জানিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল সর্বসম্মতভাবে ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু ইউরোপের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা জানিয়েছে, তারা বিশ্বকাপসহ ফিফার অন্যান্য প্রতিযোগিতা বয়কটের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

এদিকে এশিয়ার ফুটবল কনফেডারেশন জানিয়েছে, উয়েফা ও কনকাকাফের সঙ্গে তারা সংহতি প্রকাশ করছে। অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকার সংস্থা কনমেবল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ফিফার ২১১ সদস্য দেশের ভোট ছাড়া ইনফান্তিনোকে অপসারণের কোনো উদ্যোগ তারা মেনে নেবে না।

মেক্সিকো ফুটবল ফেডারেশনও একই সুরে বলেছে, "প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে নেওয়া কোনো প্রক্রিয়াকে তারা স্বীকৃতি বা অনুমোদন দেবে না।" তারা ইনফান্তিনোর আহ্বানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছে, ২১১ সদস্য দেশের স্বার্থে সম্মিলিতভাবে ফুটবলের উন্নয়ন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

এ সপ্তাহে রাবাতে বৈঠকের পর ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক ভবিষ্যতের একটি অংশ বিক্রির প্রস্তাব ঘিরে সৃষ্ট ভুলের জন্য তারা সদস্য দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়েছে। একই সঙ্গে, এই ধরনের বিতর্কের কারণ হওয়া প্রক্রিয়াগুলো পুনর্মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৪ পি.এম


৭৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর

অবসরে যাওয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে সরকারের উদ্যোগ সামনে আসছে। ২০২২ সালের পর অবসরে যাওয়া প্রায় ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক হিসাবে আগামী ১৫ আগস্ট দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অর্থ পাঠানো হবে, এ তথ্য জানা গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার কোটি টাকার বিশেষ থোক বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র থেকে প্রাপ্ত এই তথ্য অনুযায়ী, এটি অবসর সুবিধা বোর্ড ও শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এককালীন অর্থ বিতরণ কর্মসূচি হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার প্রথমবারের মতো আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ না থাকে।

এদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানিয়েছেন, ২০২২ সালের পর থেকে অবসর নেয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউই অবসর সুবিধার অর্থ পায়নি। দীর্ঘদিন ধরে অর্থের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকদের মধ্যে অনেকেই এখন নানা ধরনের আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। চিকিৎসা, পারিবারিক ব্যয় এবং দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে তাঁদের চরম দুর্ভোগ সামলাচ্ছেন। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

সরকারের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারী গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন, তবে চূড়ান্ত হিসাব এখনও প্রস্তুত করণ চলছে। কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, বিপুল সংখ্যক আবেদনের যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অর্থ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে মোট প্রায় এক লাখ ১০ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে অবসর সুবিধা বোর্ডের ৬৭ হাজারের বেশি আবেদন রয়েছে, মেটাতে প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা। আবার, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে রয়েছে প্রায় ৪৩ হাজার আবেদন, যা নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। অথচ কল্যাণ ট্রাস্টের হাতে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ৬০০ কোটি টাকা।

সরকারের ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় অবসর সুবিধা বোর্ডের প্রায় ৭৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। এসব আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী একইসঙ্গে কল্যাণ ট্রাস্টের প্রাপ্ত অর্থও পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%