ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৭৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর


৭৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর

অবসরে যাওয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে সরকারের উদ্যোগ সামনে আসছে। ২০২২ সালের পর অবসরে যাওয়া প্রায় ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক হিসাবে আগামী ১৫ আগস্ট দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অর্থ পাঠানো হবে, এ তথ্য জানা গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার কোটি টাকার বিশেষ থোক বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র থেকে প্রাপ্ত এই তথ্য অনুযায়ী, এটি অবসর সুবিধা বোর্ড ও শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এককালীন অর্থ বিতরণ কর্মসূচি হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার প্রথমবারের মতো আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ না থাকে।

আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

এদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানিয়েছেন, ২০২২ সালের পর থেকে অবসর নেয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউই অবসর সুবিধার অর্থ পায়নি। দীর্ঘদিন ধরে অর্থের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকদের মধ্যে অনেকেই এখন নানা ধরনের আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। চিকিৎসা, পারিবারিক ব্যয় এবং দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে তাঁদের চরম দুর্ভোগ সামলাচ্ছেন। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

সরকারের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারী গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন, তবে চূড়ান্ত হিসাব এখনও প্রস্তুত করণ চলছে। কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, বিপুল সংখ্যক আবেদনের যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অর্থ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে মোট প্রায় এক লাখ ১০ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে অবসর সুবিধা বোর্ডের ৬৭ হাজারের বেশি আবেদন রয়েছে, মেটাতে প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা। আবার, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে রয়েছে প্রায় ৪৩ হাজার আবেদন, যা নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। অথচ কল্যাণ ট্রাস্টের হাতে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ৬০০ কোটি টাকা।

সরকারের ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় অবসর সুবিধা বোর্ডের প্রায় ৭৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। এসব আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী একইসঙ্গে কল্যাণ ট্রাস্টের প্রাপ্ত অর্থও পাবেন।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগে আইনের ব্যত্যয় হয়নি: অ্যাটর্নি জেনারেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডারের বর্তমানে কী অবস্থা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডারের বর্তমানে কী অবস্থা?

মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডারের অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সামগ্রীর মজুদ অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব খবরের সত্যতা অস্বীকার করে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখনও প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ মজুদ রয়েছে এবং দেশটির সামরিক বাহিনী সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের জানান, কিছু বিশেষ গোলাবারুদের সরবরাহের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রায় অসীম মজুদ রয়েছে। যদিও তিনি কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রের মজুদ কমে আসার কথা স্বীকার করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এই ঘাটতি পূরণে স্থানীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো এখন ঐতিহাসিক মাত্রায় উৎপাদন বৃদ্ধির পথে রয়েছে। ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ গোপন তথ্য ফাঁসের প্রসঙ্গে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, লিককারীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ডের হুমকি দিয়েছেন।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ষষ্ঠ মাসে প্রবেশ করলে মার্কিন সেনাবাহিনীর ‘এটিএসিএমএস’ এবং লং-রেঞ্জ প্রিসিশন স্ট্রাইক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ প্রায় শূন্যের পর্যায়ে নেমে এসেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিএসআইএস-এর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে থাকা প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের একটি বড় অংশই ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। থাড ইন্টারসেপ্টর এবং টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহারও আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, শিল্পোৎপাদন ত্বরান্বিত করার পরেও অস্ত্রাগারকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ২০২৯ সাল অথবা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।

অস্ত্রের এই ঘাটতি এবং গোপনীয়তা ফাঁসের পরিস্থিতি ট্রাম্প প্রশাসন এবং প্রতিরক্ষা দপ্তরের মধ্যে গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্প reportedly প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে ক্যাম্প ডেভিডে এক বৈঠকে অস্ত্রের সঠিক তথ্য প্রকাশের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘাটতির কারণেই ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের হামলা করার ক্ষেত্রে কিছুটা সংযত ভূমিকা পালন করছে।

যথেষ্ট সামাল দিতে এবং অস্ত্রাগার পুনরায় পূর্ণ করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে বিশাল পরিমাণে অতিরিক্ত তহবিল আবেদনের প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও সাময়িক ধাক্কা আপাতত কাটাতেও ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদী যে, ইরানের সঙ্গে চলা এই সংঘাত খুব দ্রুতই শেষের দিকে পৌঁছাবে।

 

সূত্র: গালফ নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেফতার ৪১৪ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেফতার ৪১৪ জন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৭টি মামলা দায়ের করার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৭ জন, লালবাগ বিভাগে ২২ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৮ জন, মতিঝিল বিভাগে ৭২ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৪৫ জন, মিরপুর বিভাগে ১১২ জন, গুলশান বিভাগে ৩৫ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৫৩ জন রয়েছে।

এই অভিযানের সময় তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি রিভলবার, ৩ রাউন্ড গুলি, ৩০ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ১০ হাজার ২৮৭টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৮টি পেথেডিন ইনজেকশনের সিরিঞ্জ, ২৪টি সিরিঞ্জের সুই, ৮টি ফয়েল পেপার, ২টি গ্যাস লাইট, ২টি বোতলের কর্ক, ৪০২২ প্যাকেট সিগারেট, ১৩টি মোবাইল, ৫টি নিষিদ্ধ লিফলেট, ২টি কার্ড, ১টি পুরাতন বই, ১টি খাতা, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জাল নোট, ১টি গাঁজা খাওয়ার কলকী, ১টি ট্রাক, ১টি প্রাইভেটকার, ২টি সিএনজি এবং ৩০টি চেতনানাশক এন্টিভেন ট্যাবলেট।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পরিবর্তনের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী নুরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পরিবর্তনের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী নুরের

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, উপজেলা পর্যায় থেকে জেলা অফিস কিংবা হাসপাতালে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ প্রায়ই সঠিক দিকনির্দেশনা না পেয়ে চরম ভোগান্তি ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হন। তাই প্রশাসনকে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত (টপ টু বটম) জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, দেশের প্রশাসনকে এখনো পুরোপুরি জনবান্ধব (প্রো-পিপল) হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। অফিস-আদালতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং প্রশাসনকে আরও সেবামুখী করতে দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর ওপর জোর দেন তিনি।

প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাসপোর্ট করতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য, ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা এবং বিমানবন্দরে নানা ধরনের হয়রানি দূর করতে বড় কোনো বাজেটের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছার।

তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে খুব শিগগিরই প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করা হবে। এ কার্ডধারীরা বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার সুবিধা পাবেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেল ও বেতন গ্রেড উন্নীত করার দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে নুরুল হক নুর বলেন, বর্তমান বাজারদর ও সামাজিক মর্যাদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম বেতন ২০ হাজার টাকা হওয়া উচিত।

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দমনের আগে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিদের বেতন-ভাতা সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করা জরুরি। বর্তমান সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণমাধ্যমের স্বার্থ রক্ষায় সাংবাদিক, মালিক ও সরকারের যৌথ উদ্যোগ চলছে: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


গণমাধ্যমের স্বার্থ রক্ষায় সাংবাদিক, মালিক ও সরকারের যৌথ উদ্যোগ চলছে: তথ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যম স্বীকার করছে তাদের ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাংবাদিক, মালিক ও সরকার পক্ষ যৌথভাবে কাজ করে চলেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি মিডিয়া ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চায়, যেখানে গণমাধ্যমের মালিক, সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাঁদের ন্যায্য মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা পাবেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম অপরিহার্য, তেমনি একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে।

গণমাধ্যমকে কেবল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে না দেখে রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমশিল্প অন্য যেকোনো ক্ষেত্রের চেয়ে ভিন্ন। এটি রাষ্ট্র ও সমাজের একটি অঘোষিত অথচ অনিবার্য চতুর্থ স্তম্ভ। ফলে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

তবে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য গণমাধ্যমশিল্পের অর্থনৈতিক ভিত্তিও শক্তিশালী করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, মালিকপক্ষ যদি ন্যায্য ব্যবসায়িক পরিবেশ ও যুক্তিসঙ্গত মুনাফা না পায়, তাহলে গণমাধ্যমশিল্প টেকসই হবে না।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শক্তিশালী বেসরকারি উৎপাদন অর্থনীতি ছাড়া পণ্য বিজ্ঞাপনের বাজারও সম্প্রসারিত হবে না। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে প্রচলিত গণমাধ্যমের সঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত হওয়ায় মিডিয়া ইকোসিস্টেম আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

এই পরিবর্তিত বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতমুখী নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনা দরকার। এর মাধ্যমে গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক অংশীজনের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, সুশাসন ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা না থাকলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে ব্যবসায়িক স্বার্থ বা দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা তৈরি হতে পারে। এ ধরনের প্রবণতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য ক্ষতিকারক।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ও গত জাতীয় নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের যে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, গণমাধ্যম খাতেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ড. আব্দুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডেইলি ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম।

স্বাগত বক্তব্য দেন টিইসির সদস্যসচিব ও সময় টেলিভিশনের সিইও জুবায়ের বাবু। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%