ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবে: ডা. তাহের


মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবে: ডা. তাহের

 

চৌদ্দগ্রাম সড়কের চেইনেজ প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, মাদক আমাদের সমাজের জন্য একটি বড় সমস্যা। মাদক সেবনকারী একজন ব্যক্তি নিজেকে এবং তার পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে।

আরও পড়ুন: নারী শিল্পীদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তির কারণে সুনামগঞ্জে বাউল গানের আসর বন্ধ

কিশোর গ্যাং এর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। সুন্দর চৌদ্দগ্রাম গঠনে মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সবাইকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে।

রবিবার (২১ জুন) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার রাজাবাজার থেকে আলকরা শাহ ফখর উদ্দিন সড়কের চেইনেজ প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মুন্সীরহাট ইউনিয়নের দেড়কোটা বাজার, চিওড়া ইউনিয়নের ধোড়করা বাজার এবং সন্ধ্যায় আলকরা ইউনিয়নের কুলাসার দাখিল মাদ্রাসা মাঠে পৃথক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘২০০১ সালে জাতীয় সংসদে বক্তব্য তুলে ধরেছিলাম যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি ভারত নিকটবর্তী হওয়ায় যদি ভারত কখনো কামান হামলা করে তাহলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি অচল হয়ে যেতে পারে। বিকল্প রাস্তাপথ হিসেবে শাহ ফখরুদ্দিন সড়ক গুরুত্বপূর্ণ হবে। এতে নিরাপদ চলাচল হবে এবং দূরত্বও কমবে।’

আরও পড়ুন: বি আর বি ক্যাবল, ৪৮ বছর বিশ্বাসের পথে সমৃদ্ধির যাত্রা

ডা. তাহের বলেন, ‘জনগণের কল্যাণ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাহ ফখর উদ্দিন সড়কের উদ্বোধনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।’

পথসভায় আরো বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মু. মনিরুজ্জামান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমীর মাহফুজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম পৌর আমীর মাওলানা ইব্রাহীম এবং উপজেলা সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো : বিজ্ঞান সচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো : বিজ্ঞান সচিব

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে এখন সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের গবেষকদের যে মেধা আছে, আমাদের ১৮ কোটি লোকের যে মেধা আছে, ইনোভেশনের যে সুযোগ আমাদের আছে, এটা বিশ্বের অনেক দেশের নেই। এটিকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।’

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের মাল্টি পারপাস হলে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্টের ফেলোদের গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও লব্ধ জ্ঞান মূল্যায়ন' শীর্ষক দুই দিন ব্যাপী সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলো ড. আবু হেনা মুহাম্মদ ইউসুফ ‘আনলকিং দ্য ব্লু ইকোনমি : মেরিন স্পাশিয়াল প্লানিং (এমএসপি) ফর দ্য সাসটেইনেবল ওশান গভার্নেন্স ইন দ্য বে অব বেঙ্গল’ শীর্ষক গবেষণা পত্র পাওয়ার পয়েন্টে উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়া সেমিনারে বিসিএসআইআরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, খুলনা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকগণ তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও যুগ্মসচিব একেএম শওকত আলম মজুমদার এবং বিশেষ অতিথি'র বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট হতে ফেলোশিপ প্রাপ্ত (বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও ছাত্র-ছাত্রী) ফেলোগণ অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত স্পার, ভাঙনের মুখে তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত স্পার, ভাঙনের মুখে তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ

 

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষার জন্য নির্মাণ করা দ্বৈত সারির বাঁশের স্পারের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সাথে সেতু রক্ষা বাঁধ এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, নদীর ভেতর নির্মিত এই স্পার স্থায়ী হতে পারবে না বলে শুরু থেকেই তাদের মধ্যে আশঙ্কা ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা সে আশঙ্কাকে গুরুত্ব দেননি বলেও তারা জানায়।

গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর পশ্চিম পাশে এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে বাঁশের দ্বৈত সারির স্পার নির্মাণ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ছিল, বর্ষার সময় তিস্তার পানির চাপ কমিয়ে এটি সেতু রক্ষা বাঁধকে সুরক্ষা দেবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা এবং সাবেক ইউপি সদস্য মোন্নাফ মিয়া বলেন, স্পার নির্মাণের সময় তারা উল্লেখ করেছিলেন, নদীর মধ্যে এভাবে নির্মাণ করা হলে এটি টিকবে না। পানি আসলেই এটি ভেঙে যাবে। কিন্তু তখন তাদের কথা শোনা হয়নি। এখন সামান্য পানির চাপেই এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মোন্নাফ মিয়া অভিযোগ করেন, এ ধরনের কাজ হলে তা মানুষের আস্থার জায়গা নষ্ট করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, স্পার নির্মাণের পর থেকেই এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ছিল। বর্ষা শুরু হওয়ার পর তারা সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে দেখেছেন।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, তাদের বলার ভাষা নেই। তিন বছর ধরে এই বাঁধ রক্ষার বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন।

কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না। দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় অস্থায়ী নয়, স্থায়ী পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুল রহমান বলেন, তারা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছে। বাঁশের স্পারটি ঢাকার প্রকৌশলীদের নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়েছিল। বিষয়টি তাদেরও জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এলজিইডির রিভার ট্রেনিং ইঞ্জিনিয়ার কনসালটেন্ট ড. প্রকৌশলী লুৎফর রহমান বলেন, দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ এলাকায় নির্মিত দ্বৈত সারির বাঁশের স্পারটি ছিল পরীক্ষামূলক ও স্বল্প ব্যয়ের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। নদীতে পানিপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কচুরিপানা এসে স্পারে জমা হয়ে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করায় কিছু অংশ ভেঙে গেছে।

২০১৮ সালে উদ্বোধন হওয়া দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সেতু বাঁধ রক্ষার জন্য নির্মিত স্পার মাত্র চার মাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাঁধের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিতে কোন গ্রেডে কতগুলো পদ ফাঁকা রয়েছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


সরকারি চাকরিতে কোন গ্রেডে কতগুলো পদ ফাঁকা রয়েছে?

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ রয়েছে। এর মধ্যে কোন গ্রেডে কতগুলো পদ ফাঁকা রয়েছে, সেটি জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১১তম দিনে, সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানিয়েছেন, ফাঁকা থাকা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদের মধ্যে, প্রথম শ্রেণিতে (১ থেকে ৯ম গ্রেড) শূন্য পদের সংখ্যা ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে (১০ থেকে ১২তম গ্রেড) ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, তৃতীয় শ্রেণিতে (১৩ থেকে ১৬তম গ্রেড) ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি এবং চতুর্থ শ্রেণিতে (১৭ থেকে ২০তম গ্রেড) ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ খালি রয়েছে। এর বাইরেও, অনারারি, নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত ও চুক্তিভিত্তিক অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আরও ৮ হাজার ১৩৬টি শূন্য পদ রয়েছে বলে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বিশালসংখ্যক এই শূন্য পদ পূরণের জন্য সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে, আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২ হাজার ৮৭৯টি শূন্য পদে নিয়োগ দেয়া হবে। পাশাপাশি ১ বছরের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯টি এবং ৫ বছরের মধ্যে ৩ হাজার ১১০টি শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নিয়োগের শেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য প্রেরণের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে ৭৮ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


বান্দরবানে ৭৮ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ

জেলায় এবারের কার্যক্রমে ৭৪৮টি কেন্দ্রে মোট সাড়ে ৭৮ হাজার শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

আজ রোববার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরেন বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী।

সভায় সিভিল সার্জন জানান, জেলার প্রতিটি শিশুদেরকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা ব্যস্তভাবেই কাজ করছেন।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ সরদার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্ছুসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, এবারের ক্যাম্পেইনে জেলার ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সের ১১ হাজার ৪৫৮ শিশুকে এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৬৭ হাজার ২৩৪ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ৭৪৮টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

সভায় নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%