ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নামা কেপ ভার্দের সঙ্গে রোনালদোর কী সম্পর্ক?


প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নামা কেপ ভার্দের সঙ্গে রোনালদোর কী সম্পর্ক?

সেন্ট্রাল আটলান্টিক সাগরের পশ্চিম আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্ড অত্যন্ত কম জনবহুল দেশ। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশটির জনসংখ্যা ৫২৪,৮৭৭ জন মাত্র। এই কম জনসংখ্যার দেশটি এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে। সোমবার (১৫ জুন) সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিরুদ্ধে ছোট্ট এই দ্বীপ রাষ্ট্রের বিশ্বকাপ অভিষেক হলো।

কেপ ভার্ডে দেশের নামটি অনেক মানুষের জানা নেই। আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্রটির ফুটবল বিশ্বে বৃদ্ধি পাওয়া নামডাকও তেমন নেই। তবে একটি বিখ্যাত ফুটবলারের সঙ্গে দেশের নাম জড়িয়ে আছে। পর্তুগালের মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রক্তে কেপ ভার্ডের উত্তরাধিকার বহন করা হয়। যদিও রোনালদোর জন্ম পর্তুগালের মাদেইরা দ্বীপে, তার পরিবারের কিছু সদস্য কেপ ভার্ডের সাও ভিনসেন্তে দ্বীপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

রোনালদোর বাবা জোসে দিনিস অ্যাভেইরোর দাদি রোজা ইসাবেল দা পিয়েদার জন্ম সাও ভিনসেন্তেতে হয়েছে। মাত্র ১৬ বছর বয়সে রোজা কেপ ভার্ডে তার জন্মভূমি ত্যাগ করে মাদেইরায় চলে আসেন। সেখানে তিনি প্রথমে একটি ইংরেজ দম্পতির বাড়িতে কাজ করেন এবং পরবর্তীতে সান্তো দা সেরার বাসিন্দা জোসে অ্যাভেইরোকে বিয়ে করেন, যিনি ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রপিতামহ।

আরও পড়ুন: রাশেদ খাঁন: হাজার ডিসেম্বর গেলেও হাসিনা ফিরবেন না

তাদের ঘরে জন্ম নেন উমবের্তো অ্যাভেইরো, যিনি পরে ফিলোমেনাকে বিয়ে করেন। ফিলোমেনা ছিলেন রোনালদোর দাদি এবং দীর্ঘকাল জীবিত ছিলেন। উমবের্তো ও ফিলোমেনার ছয় সন্তান ছিল, তাদের একজন ছিলেন দিনিস অ্যাভেইরো, যিনি মারিয়া দোলোরেসকে বিয়ে করেন। মারিয়া দোলোরেস পর্তুগালের মাশিকো অঞ্চলের বাসিন্দা এবং তিনি রোনালদোর মা।

পর্তুগালের আরেক বিখ্যাত ফুটবলার ন্যানির পরিবারও কেপ ভার্ডে থেকে এসেছে।

গত ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা এবং মেক্সিকোয় শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। এইচ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি কেপ ভার্ডে ও স্পেন। এ গ্রুপের অন্যান্য দুই দল হলো উরুগুয়ে ও সৌদি আরব। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ৬৪ নম্বরের কেপ ভার্ডে পেরে উঠবে না বলেই মনে হয়। তবে শার্ক নামে পরিচিত এই দলটি মাঠে নিজেদের পারফরম্যান্সে ছেড়ে কথা বলবে, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

বাছাই পর্বে কেপ ভার্ডে পেছনে ফেলে দিয়েছে বিশ্বকাপ মঞ্চে সবচেয়ে বেশি সময় আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বকারী দেশ ক্যামেরুনকে। গত বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারানোর পর ক্যামেরুন এবার কেপ ভার্ডের জন্যই বিশ্বকাপের জন্য প্রাণ হারিয়েছে।

আরও পড়ুন: ১৩ জেলায় স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক পদে ১৩ উপসচিবের পদায়ন

ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে কেপ ভার্ডে নিজেদের জানান দিতে শুরু করেছে গত এক যুগেরও বেশি আগে। ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে উপস্থিত হয় শার্করা। এর পরে তারা ডায়াসপোরা ফুটবলারদের কাজে লাগিয়ে দ্রুত গতিতে উঠে এসেছে।

১৯৭৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্ডে পর্তুগালের থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে। ২০০২ সালের জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা শুরু করেছিল। দীর্ঘ দুই দশক পর অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। কুরাসাও এবং আইসল্যান্ডের পরে, বিশ্বকাপ ইতিহাসে কেপ ভার্ডে তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১২ এম


বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক

জার্মানির মতোই হয়তো গোলোৎসব দেখার জন্য আটালান্টায় হাজির হয়েছিলেন স্পেনের দর্শক-সমর্থকরা। অথবা বোকাবাক্সে চোখ রেখেছিলেন স্বশরীরে আটলান্টা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হতে না পারা দর্শকরা।

কেননা এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্পেনের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল অভিষিক্ত কেপ ভার্ডেকে।

এছাড়া বিশ্বমঞ্চে অনভিজ্ঞ কেপ ভার্ডের ফিফা র‌্যাংকিং ৬৭তম। এর বিপরীতে ২০১০ সালে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের বর্তমান অবস্থান ২। ইতিহাস ও শক্তি-সামর্থ্য বিবেচনায় তাই ছিল এটি একটি অসম লড়াইয়ের চিত্র।

তবে মাঠের খেলায় সেই অসম লড়াইয়ের কোনো চিহ্ন দেখা গেল না।

পরিসংখ্যান অবশ্য অসম লড়াইয়েরই ইঙ্গিত দেবে। কিন্তু ২৭টি শট নেওয়ার পরেও 'সোনার হরিণের' দেখা পায়নি স্পেন। ডিফেন্ডিং ইউরো জয়ীদের সামনে দাঁড়িয়ে 'চীনের মহাপ্রাচীর' হয়ে এসেছিলেন কেপ ভার্ডের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া।

৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক অন্তত ৭টি সেভ করেছেন। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সঙ্গে বাস পার্কিং কৌশলও কেপ ভার্ডের জন্য বেশ কার্যকরী হয়েছে। স্পেনকে বিশ্বকাপ অভিষেকে রুখে দিয়েছে তারা। কেপ ভার্ড কোনো বল নিজেদের জালে জড়াতে দেয়নি। ফলে গোলশূন্য ড্রতে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয় স্পেন।

কেপ ভার্ডের গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার দারুণ পারফরম্যান্স দিয়েই জয়ের সমান ড্র এনে দিয়েছেন। ছবি : রয়টার্স

শুরু থেকেই বল পজিশন ধরে রেখে খেলতে থাকে স্পেন। ৩৬ মিনিটে গোলের দারুণ সুযোগ পায় তারা। পেদ্রির শট কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন কেপ ভার্ডের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। তবে কুকুরেলা অফসাইড হওয়ায় কর্নারটি বাতিল হয়।

তবে ৩৮ মিনিটে গোল পেয়েই গিয়েছিল স্পেন। কিন্তু ক্রসবারের কারণে ফেরান তোরেসকে হতাশ হতে হলো। ফিরতি সুযোগ পেয়েছিলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। কিন্তু দুর্দান্ত এক ক্ষিপ্রতায় ক্রসবারের উপর দিয়ে থেলে দেন ভোজিনিয়া। ৪৫ মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত সেভ দেন কেপ ভার্ডের গোলরক্ষক।

বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ে শট নিয়েছিলেন তোরেস। কিন্তু ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার ফলে তিনি শটটি ধরে ফেলেন। যোগ করা সময়ে ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক নিজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে যান। বিরতিতে যাওয়ার পূর্বে পেদ্রির নেওয়া কর্নারে দারুণ এক হেড নিয়ে স্কোরের সুযোগ পায় আমেরিক লাপোর্তে। কিন্তু সেই হেডকে জমা রাখতে পারেননি ভোজিনিয়া। প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দেন ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনকে।

৫৬ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজ সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে হেড নিতে ব্যর্থ হন। ফলে বল চলে যায় ভোজিনিয়ার কাছে। ৭৩ মিনিটে স্পেনের আরেকটি আক্রমণও সেই গোলরক্ষক নসাৎ করেন। গোল পেতে সংখ্যাধিক্য পরিবর্তন করেন কোচ লুইস দে লা ফয়েন্তে।

কিন্তু কোনো লাভ হয়নি স্পেনের। স্পেনের কপাল আজ খারাপ ছিল। ৮৭ মিনিটে দারুণ এক শট নিয়েছিলেন ওয়ারজাবাল। প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের শরীরে না লাগলে বলটি জালেই জড়ানোর কথা ছিল। উল্টো ৯০ মিনিটে কর্নার থেকে গোলের সুযোগ পেয়েছিল কেপ ভার্ডে। তবে হেডে পাওয়ার অভাবের কারণে এটি ধরতে কোনো অসুবিধা হয়নি স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোনের। ফলে বিশ্বকাপে কেপ ভার্ডের অভিষেক হয়ে গেল অবিশ্বাস্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করলেন উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৫ এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করলেন উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার আজ ১৫ জুন (সোমবার) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষে তিনি এই পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, “রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা আমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। ইতোমধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুততার সাথে করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

মাননীয় উপাচার্য মহোদয় বলেন, একটি স্থায়ী ক্যাম্পাস ছাড়া কোন বিশ্ববিদ্যালয় টেকসই, আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব হতে পারে না। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ৯ বৎসর অতিক্রম করেছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কোন ব্যবস্থা হয়নি। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রতিবেশীর রডের আঘাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রতিবেশীর রডের আঘাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদরের পূর্ব বিরোধের কারণে প্রতিবেশীর রডের আঘাতে এক বৃদ্ধ নিহতের অভিযোগ উঠে এসেছে, যার নাম জাহাঙ্গীর মিয়া (৬০)। এই ঘটনা ঘটে সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নে।

নিহত জাহাঙ্গীর মিয়া ছিলেন মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। এই ঘটনার ফলে আরও দুজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে নিহত জাহাঙ্গীর মিয়ার চাচাতো ভাই হারুন মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, সুলতানপুর গ্রামের জাহাঙ্গীরের প্রতিবেশী শাহআলমের বাড়িতে তার স্ত্রী মায়মুনার সঙ্গে একই গ্রামের হেলাল মিয়ার স্ত্রী নার্গিছের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে সেই সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর জাহাঙ্গীর ঝগড়া থামাতে গেলে প্রতিবেশীর রডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। জাহাঙ্গীরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিলেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কামরাঙ্গীরচরে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ এম


কামরাঙ্গীরচরে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

রাজধানী ঢাকা কামরাঙ্গীরচরে পারিবারিক বিরোধের কারণে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ (২৭) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এটি ঘটে সোমবার (১৫ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠের পাশে।

নিহত যুবক মোহাম্মদ মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মো. আলাউদ্দিনের ছেলে। তিনি কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠের পাশে এক ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন এবং পেশায় ছিলেন একটি লাড্ডুর দোকানের কর্মচারী।

নিহতের বড় বোন শারমিন বেগম জানান, গত শুক্রবার মোহাম্মদের স্ত্রী গ্রামের বাড়ি যান। সেই সময় মোহাম্মদ বাইরে থেকে অন্য নারী নিয়ে বাসায় অবস্থান করছিলেন, এই অভিযোগ তোলেন তার সৎ ভায়রা ভাই কাওসার।

এই অভিযোগের পর ওই ঘটনা মোহাম্মদের স্ত্রী শ্যামলীসহ স্বজনদের জানানোর পর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে দফায় দফায় ঝগড়া চলছিল।

শারমিন বেগম আরও বলেন, ‘পারিবারিক ওই কলহের কারণে সোমবার রাতে কাওসার, তার স্ত্রী সোনিয়া এবং মুজাহিদসহ 10-12 জন মিলে মোহাম্মদকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে কাওসার মোহাম্মদের পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।’

গুরুতর আহত অবস্থায় মোহাম্মদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে রাত পৌনে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্তমানে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে এবং পুলিশ নিরীখ তদন্ত শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%