সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
১২:১৫ এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার আজ ১৫ জুন (সোমবার) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষে তিনি এই পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার বলেন, “রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা আমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। ইতোমধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুততার সাথে করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
মাননীয় উপাচার্য মহোদয় বলেন, একটি স্থায়ী ক্যাম্পাস ছাড়া কোন বিশ্ববিদ্যালয় টেকসই, আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব হতে পারে না। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ৯ বৎসর অতিক্রম করেছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কোন ব্যবস্থা হয়নি। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদরের পূর্ব বিরোধের কারণে প্রতিবেশীর রডের আঘাতে এক বৃদ্ধ নিহতের অভিযোগ উঠে এসেছে, যার নাম জাহাঙ্গীর মিয়া (৬০)। এই ঘটনা ঘটে সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নে।
নিহত জাহাঙ্গীর মিয়া ছিলেন মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। এই ঘটনার ফলে আরও দুজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নিহত জাহাঙ্গীর মিয়ার চাচাতো ভাই হারুন মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, সুলতানপুর গ্রামের জাহাঙ্গীরের প্রতিবেশী শাহআলমের বাড়িতে তার স্ত্রী মায়মুনার সঙ্গে একই গ্রামের হেলাল মিয়ার স্ত্রী নার্গিছের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে সেই সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর জাহাঙ্গীর ঝগড়া থামাতে গেলে প্রতিবেশীর রডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। জাহাঙ্গীরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিলেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম।
তিনি জানিয়েছেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা কামরাঙ্গীরচরে পারিবারিক বিরোধের কারণে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ (২৭) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এটি ঘটে সোমবার (১৫ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠের পাশে।
নিহত যুবক মোহাম্মদ মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মো. আলাউদ্দিনের ছেলে। তিনি কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠের পাশে এক ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন এবং পেশায় ছিলেন একটি লাড্ডুর দোকানের কর্মচারী।
নিহতের বড় বোন শারমিন বেগম জানান, গত শুক্রবার মোহাম্মদের স্ত্রী গ্রামের বাড়ি যান। সেই সময় মোহাম্মদ বাইরে থেকে অন্য নারী নিয়ে বাসায় অবস্থান করছিলেন, এই অভিযোগ তোলেন তার সৎ ভায়রা ভাই কাওসার।
এই অভিযোগের পর ওই ঘটনা মোহাম্মদের স্ত্রী শ্যামলীসহ স্বজনদের জানানোর পর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে দফায় দফায় ঝগড়া চলছিল।
শারমিন বেগম আরও বলেন, ‘পারিবারিক ওই কলহের কারণে সোমবার রাতে কাওসার, তার স্ত্রী সোনিয়া এবং মুজাহিদসহ 10-12 জন মিলে মোহাম্মদকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে কাওসার মোহাম্মদের পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।’
গুরুতর আহত অবস্থায় মোহাম্মদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে রাত পৌনে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্তমানে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে এবং পুলিশ নিরীখ তদন্ত শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে আটকা পড়েছে শত শত বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস এবং ব্যক্তিগত গাড়ি।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল থেকে মাধবপুরের বাখরনগর এলাকা থেকে শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুর গেইট পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে প্রায় ৫ কিলোমিটার করে, মোট ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যানজটের সৃষ্টি হয়।
হাইওয়ে পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অলিপুরে অবস্থিত শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকবাহী যানবাহনের প্রবেশ এবং চলমান ছয় লেন সড়ক নির্মাণের কাজের কারণে মহাসড়কে ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে। এক পর্যায়ে এই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে কয়েক শত বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস এবং ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়ে।
যানজটে আটকে থাকা যাত্রী শাহিনা আক্তার বলেছেন, "সকাল থেকে রাস্তায় আছি। ছোট শিশু নিয়ে বাসে বসে থাকতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছি না।"
বিদেশগামী যাত্রী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, "আমার আজ রাতে ফ্লাইট। সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারব কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। মহাসড়কের এই যানজট আমাদের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
ঢাকাগামী বাসচালক আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, "সকাল থেকে কয়েক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে কয়েক ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে। সড়ক নির্মাণকাজ ও শিল্পাঞ্চলের গাড়ির চাপ একসঙ্গে পড়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।"
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেছেন, "অলিপুর শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক পরিবহনকারী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ এবং চলমান ছয় লেন সড়ক নির্মাণের কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। যানবাহন স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।"
এদিকে, দীর্ঘ যানজটের কারণে মহাসড়কে আটকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অসুস্থ, নারী, শিশু ও জরুরি কাজে যাতায়াতকারী যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে কৃষি খাতে সরকারি ব্যয়ের ধরনে পরিবর্তন এনে গবেষণা, কৃষি পরামর্শসেবা, সেচ, বাজার সংযোগ ও জলবায়ু সহনশীলতায় বেশি বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলছে, কৃষিতে আরও কার্যকর ও লক্ষ্যভিত্তিক সরকারি ব্যয় উৎপাদনশীলতা বাড়াতে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়ক হবে। আজ সোমবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মোট সরকারি ব্যয়ের প্রায় ১০ শতাংশ কৃষি খাতে বরাদ্দ দেয়, যা খাতটির প্রতি সরকারের উচ্চ অগ্রাধিকারকে নির্দেশ করে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কৃষি প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির হার শ্লথ হয়েছে এবং উচ্চমূল্যের কৃষিপণ্যে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রেও অগ্রগতি প্রত্যাশিত নয়। ‘রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে কৃষি খাতের সরকারি ব্যয়ের বড় অংশ ভর্তুকি ও ধানকেন্দ্রিক সহায়তায় ব্যয় হয়। অন্যদিকে কৃষকের আয় ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, সম্প্রসারণ সেবা, সেচ ব্যবস্থা, বাজারে প্রবেশাধিকার এবং জলবায়ু সহনশীলতা উন্নয়নে তুলনামূলক কম অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশই সার ভর্তুকিতে ব্যয় হয়। এ ভর্তুকি কৃষি উৎপাদন ও মূল্য স্থিতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে ভর্তুকি ক্রয়কৃত সারের পরিমাণের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বেশি জমির মালিকেরা এর বড় সুবিধাভোগী। দেশের শীর্ষ ২০ শতাংশ ভূমির মালিক মোট সার ভর্তুকির প্রায় অর্ধেক সুবিধা পান, যেখানে নিচের ৪০ শতাংশ কৃষক পান মাত্র ১৫ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের মতে, দেশে সারের ব্যবহারেও ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। মাত্র ৫ শতাংশ কৃষক সুপারিশকৃত মাত্রায় সুষম পুষ্টি উপাদান ব্যবহার করেন। এ অবস্থার উন্নতি করা গেলে ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগীয় পরিচালক জিন পেসমি বলেন, কৃষি বাংলাদেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য হ্রাসের কেন্দ্রবিন্দু। তবে জলবায়ু ঝুঁকি, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, সীমিত আর্থিক সক্ষমতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সার সরবরাহ ও দামে অস্থিরতা বিদ্যমান নীতিমালা ও ব্যয় কাঠামোর দুর্বলতাগুলো সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, সহায়তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ধীরে ধীরে উচ্চ ফলদায়ী বিনিয়োগের দিকে ব্যয় পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও উৎপাদনশীল ও সহনশীল কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে, যা অধিকসংখ্যক এবং ভালো মজুরির কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সরকারি সহায়তার বড় অংশ ধান উৎপাদনকে কেন্দ্র করে থাকায় কৃষিতে বৈচিত্র্য আনার গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের আবাদযোগ্য জমির প্রায় ৭২ শতাংশে ধান চাষ হয় এবং মোট ভর্তুকির প্রায় ৮০ শতাংশ সুবিধাও এ খাত পায়। অথচ প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, শাকসবজি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। প্রতিবেদনে ধাপে ধাপে সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। স্বল্পমেয়াদে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা সম্প্রসারণ, কৃষকদের পরামর্শসেবা জোরদার এবং কৃষক কার্ড ও ই-ভাউচার ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে দরিদ্র ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে কৃষি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ হলে সাশ্রয় হওয়া অর্থ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও উচ্চমূল্যের কৃষিখাতে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ণ অর্থনীতিবিদ ও প্রতিবেদনের সহলেখক মনসুর আহমেদ বলেন, সার ভর্তুকির নকশা ও বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়ন বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মাটির উর্বরতার উন্নয়ন এবং প্রকৃতপক্ষে প্রয়োজন রয়েছে এমন কৃষকের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ