ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝিনাইদহ সীমান্তে আটক ৯ জনের মধ্যে ৩ ভারতীয়


ঝিনাইদহ সীমান্তে আটক ৯ জনের মধ্যে ৩ ভারতীয়

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃক তিন ভারতীয় নাগরিকসহ মোট ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ভারতীয়দের মধ্যে একই পরিবারের তিন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে শ্রীনাথপুর বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটক তিন ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার ধানতলা থানার হোসেনপুর গ্রামের জগদীশ সিংয়ের কন্যা শিবানী সিং (২৭), একই জেলার নাকশিপাড়া থানার সোনাতলা গ্রামের দেবকুমার বিশ্বাস (৩৩) এবং তার কন্যা দেবশ্রী বিশ্বাস (১৪)।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যা নাকি হত্যার সন্দেহ

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়ানোর পর অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করছিলেন।

আটক বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার বিষ্ণুপুর গ্রামের শুভজিৎ দাস (২৪), টুঙ্গিপাড়া থানার ডুমুরিয়া গ্রামের দুলালী বিশ্বাস (৩৭), বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার রাজিহার গ্রামের অঞ্জনা শীল (১৯), পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার গণকপাড়া গ্রামের পূর্ণিমা মৃধা (২০), ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার অনন্তপুর গ্রামের বশির মোল্লা (৩৬) এবং ডাকাতিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের তানজিল (৩৪)।

বিজিবি ও থানা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীনাথপুর বিওপির হাবিলদার আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল সীমান্ত পিলার ৬১-এর কাছে টহল পরিচালনা করে। এ সময় আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হালদারপাড়া গ্রামের ইছামতী নদীর বাঁশের সাঁকোর কাছ থেকে তাদের আটক করা হয়।

মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মুন্সি ইমদাদুর রহমান জানান, আটককৃত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমরান আলম জানান, আটক ভারতীয় নাগরিকেরা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন এবং ফেরার সময় বিজিবির হাতে ধরা পড়েন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটক ৯ জনকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বারিধারায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু: ১৭ বছরের কিশোর জামিনে মুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


বারিধারায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু: ১৭ বছরের কিশোর জামিনে মুক্ত

রাজধানীর বারিধারায় নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিমের মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে দায়ের করা মামলায় ১৭ বছরের কিশোরকে জামিন প্রদান করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক মো. আবদুল মোক্তাদির দুই হাজার টাকার মুচলেকায় জামিনের এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন মামুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কিশোরের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। পরে শুনানি শেষে আদালত ওই কিশোরের জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে, ২৩ সেপ্টেম্বর গুলশান-১২ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে পুলিশ ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর, একই ট্রাইব্যুনাল তাকে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সেদিন কিশোরের পক্ষে আদালতে জামিনের আবেদন দাখিল করা হয়েছিল, কিন্তু আদালত পরে শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে।

গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার দিকে, রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৪ বছর বয়সী মেহেদী হাসান মিমকে চাপা দেয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম ২৩ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়ি চালক আকাশ মারককে আসামি করা হলেও চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম ছিল না।

বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর ২৩ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরকে হেফাজতে নেয় গুলশান থানা পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্দোলনে জড়িতদের মিলবে না সরকারি চাকরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


আন্দোলনে জড়িতদের মিলবে না সরকারি চাকরি

নতুন নিয়োগ নীতির আওতায়, যেসব প্রার্থী প্রতিবাদ বা আন্দোলনের সময় সহিংসতায় জড়িত হবেন, তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। ভারতের উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের এই পরিবর্তিত নীতির অধীনে, চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে সাময়িক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব, তবে সংবেদনশীল পদগুলোর জন্য বিস্তারিত পটভূমি যাচাই বাধ্যতামূলক। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। খবরটি ইন্ডিয়া টুডে থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

এই নীতিমালার মধ্যে রাজ্যের সরকারি বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চরিত্র যাচাই এবং পুলিশি পরীক্ষার শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নীতির আওতায় হত্যা, ধর্ষণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়ম সংক্রান্ত অপরাধ এবং সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করলে নিয়োগ বাতিল হতে পারে। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীদের তাদের ফৌজদারি অতীতের প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাদের সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে সংবেদনশীল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিস্তারিত চরিত্র যাচাই ও পটভূমি পরীক্ষা (ব্যাকগ্রাউন্ড চেক) বাধ্যতামূলক থাকবে।

নীতির আওতায়, প্রার্থীদের নিজ জেলায় এবং গত পাঁচ বছরের মধ্যে তারা যেসব জেলায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করেছেন, সেসব জেলায় পুলিশি যাচাইকরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগের সময় যে যাচাই-বাছাই করা হয়, তার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের বসবাসের ইতিহাস খতিয়ে দেখাও এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। নতুন নিয়োগ নীতিটি কেবল সরকারি বিভাগগুলোতেই নয়, বরং করপোরেশন, কাউন্সিল, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থাগুলোতেও সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজাখস্তানকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


কাজাখস্তানকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক

এশিয়া কাপ আর্চারিতে শক্তিশালী কাজাখস্তানকে পরাজিত করে বাংলাদেশের আর্চাররা স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। ফাইনালে কাজাখস্তানকে ৬-২ সেট পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে গৌরবময় এই সাফল্য তারা লাভ করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন আব্দুর রহমান আলিফ, মো: সাগর ইসলাম এবং আব্দুল্লাহ আল মোহাম্মদ রাফি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইরাকের সোলাইমানিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং টুর্নামেন্ট ২০২৬, লেগ-২-এর রিকার্ভ পুরুষ দলীয় ইভেন্টে প্রথম সেটে বাংলাদেশ ৫০-৫৩ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়ে।

তবে বাংলাদেশের আর্চাররা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় সেটে ৫৫-৫৪, তৃতীয় সেটে ৫৫-৫২ এবং চতুর্থ সেটে ৫২-৫১ পয়েন্ট অর্জন করে। চার সেটের লড়াই শেষে ৬-২ সেট পয়েন্টের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক নিজেদের করে নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এই সাফল্য বাংলাদেশের আর্চারির আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অগ্রযাত্রার আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। পিছিয়ে পড়ার পরও দলীয় সমন্বয়, আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন বাংলাদেশের আর্চাররা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

সিলেট নগরের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনের মাধ্যমে রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় প্রধান আসামী পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে, অপর দুই আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং তিনজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী রায়টি ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ছয় আসামির মধ্যে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী আদালতে উপস্থিত ছিলেন, অন্য পাঁচ আসামী পলাতক অবস্থায় রয়েছে।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আকবর হোসেন ভূঁইয়া ছাড়া অন্য দুই আসামী কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ ও টিটু চন্দ্র দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের এসআই মো. হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী ও সাংবাদিক আব্দুল আল মামুনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পিপি মুমিনুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ে প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট। তবে রায় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘রায়ে আমি সন্তুষ্ট। এখন প্রধান অভিযুক্ত আকবর হোসেনকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করলে আমরা শান্তি পাব। রায়হানের আত্মাও শান্তি পাবে।’

তবে আসামিদের পলাতক থাকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন সালমা বেগম। তিনি বলেন, ‘আজকে তো শুধু কাগজে-কলমে রায় হবে। আসামিরা তো শাস্তি পাচ্ছে না। আসামিরা শাস্তি না পেলে আমার ছয় বছরের অপেক্ষা আর কষ্ট বিফলে গেল।’

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে সিলেট নগরের কাষ্টঘর এলাকা থেকে রায়হানকে ধরে নিয়ে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আটকে নির্যাতন করা হয়। পরদিন সকালে তার মৃত্যু ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, নির্যাতনের সময় এক পুলিশ সদস্যের মোবাইল ফোন থেকে রায়হানের পরিবারের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর সিলেট মহানগর পুলিশের তৎকালীন উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখের তত্ত্বাবধানে তিন সদস্যের একটি কমিটি তদন্ত করে পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়। ১২ অক্টোবর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আরো তিনজনকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া আকবরকে ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর রাতে ভারতের দনা বস্তি এলাকা থেকে খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন আটক করেন। পরদিন তাকে সীমান্তবর্তী দনা এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

২০২১ সালের ৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক আওলাদ হোসেন আদালতে প্রায় এক হাজার ৯০০ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে ছয়জনকে আসামী করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য। তারা হলেন এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন অর রশিদ। অপর আসামী আব্দুল আল নোমানের বিরুদ্ধে ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজ গায়েব করার অভিযোগ আনা হয়।

গত বছরের ১০ আগস্ট উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান মামলার প্রধান আসামী আকবর। পরদিন ১১ আগস্ট সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। মামলার অন্য আসামিদেরও পলাতক থাকার বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন রায়হানের মা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%