প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন নিয়োগ নীতির আওতায়, যেসব প্রার্থী প্রতিবাদ বা আন্দোলনের সময় সহিংসতায় জড়িত হবেন, তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। ভারতের উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের এই পরিবর্তিত নীতির অধীনে, চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে সাময়িক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব, তবে সংবেদনশীল পদগুলোর জন্য বিস্তারিত পটভূমি যাচাই বাধ্যতামূলক। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। খবরটি ইন্ডিয়া টুডে থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
এই নীতিমালার মধ্যে রাজ্যের সরকারি বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চরিত্র যাচাই এবং পুলিশি পরীক্ষার শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নীতির আওতায় হত্যা, ধর্ষণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়ম সংক্রান্ত অপরাধ এবং সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।
নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করলে নিয়োগ বাতিল হতে পারে। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীদের তাদের ফৌজদারি অতীতের প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাদের সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে সংবেদনশীল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিস্তারিত চরিত্র যাচাই ও পটভূমি পরীক্ষা (ব্যাকগ্রাউন্ড চেক) বাধ্যতামূলক থাকবে।
নীতির আওতায়, প্রার্থীদের নিজ জেলায় এবং গত পাঁচ বছরের মধ্যে তারা যেসব জেলায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করেছেন, সেসব জেলায় পুলিশি যাচাইকরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগের সময় যে যাচাই-বাছাই করা হয়, তার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের বসবাসের ইতিহাস খতিয়ে দেখাও এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। নতুন নিয়োগ নীতিটি কেবল সরকারি বিভাগগুলোতেই নয়, বরং করপোরেশন, কাউন্সিল, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থাগুলোতেও সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন