ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ শেষ হবে : যুক্তরাষ্ট্র


২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ শেষ হবে : যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুত এই দক্ষিণ সীমান্তের দেয়াল নির্মাণ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ আশা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) কমিশনার রডনি স্কট মঙ্গলবার এই তথ্য জানান। ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে নির্মাণাধীন শক্তিশালী ধাতব বিম দিয়ে তৈরি এ বাধ সান ডিয়েগো থেকে মেক্সিকো উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তবে যে সব স্থানে এর প্রয়োজন নেই বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এমন কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেয়াল নির্মাণ করা হবে না। এই খবর সরকারি সংবাদ সংস্থা এএফপি ওয়াশিংটন থেকে জানিয়েছে। স্কট বলেন, ‘মূল সীমান্ত দেয়ালের কাজ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ শেষ হবে।’ তিনি জানান, এখনও দেয়ালটির কিছু অংশে কাজ বাকি রয়েছে। স্কট আরও বলেন, ‘যেসব এলাকায় আমরা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে দেয়ালের প্রয়োজন নেই, শুধু সে সব স্থানেই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে বিগ বেন্ড ন্যাশনাল পার্কের কথাও বলা যেতে পারে। এটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকা এবং সেখানে অনেক উঁচু খাড়া পাহাড় রয়েছে।’ তিনি উপকার করা অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম স্থাপন এবং ইলেকট্রনিক নজরদারি ব্যবস্থা বিষয়েও জানান। এসব কাজ ২০২৮ সালের জুলাই অথবা সর্বোচ্চ আগস্টের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সীমান্তঘেঁষা রিও গ্র্যান্ডে নদীর দীর্ঘ অংশে পৃথক ভৌত প্রতিবন্ধক ব্যবস্থা থাকবে। দুই দেশের মধ্যে নদীটির সীমান্ত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ কিলোমিটার। মেক্সিকো থেকে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার ঠেকানোর লক্ষ্যেই এই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। সরকারি সূচক অনুযায়ী, উভয় কার্যক্রমই কমেছে। তবে স্কটের মতে, শুধু ভৌত দেয়াল নির্মাণ করলেই গোপন তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মানির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালকের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মানির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালকের বৈঠক

বাংলাদেশ ও জার্মানির সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়গুলোতে গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। জার্মানির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক ফেডারেল ফরেন অফিসের মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যানও এই বিষয়গুলোতে আলোচনা করেন।

বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প। তবে বর্তমানে দেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। তরুণদের বিপুল সংখ্যা প্রতি বছর শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, তাই নতুন শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজ করছে। ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে সহজ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এখানে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে স্বাগত জানানো হবে।

জার্মানির মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, জ্বালানি বৈচিত্র্যকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে জার্মানির সরকার ও বেসরকারি খাত বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ পরও বাণিজ্যিক সুবিধা ও বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে জিএসপি প্লাস এবং সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে সমান্তরালভাবে অগ্রসর হওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ জ্বালানি রূপান্তর, সবুজ প্রযুক্তি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-জার্মানি সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় বাংলাদেশে জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন

পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন স্বপন দাশগুপ্ত। শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাপস রায়কে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পেশায় চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। উচ্চশিক্ষা দফতর দেওয়া হয়েছে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে। স্কুল শিক্ষা, আবাসন এবং ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক বর্মণকে।

বুধবার রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে রাজ্যের ৪১ জন মন্ত্রীর দায়িত্ব বন্টন করা হয়। এর মধ্যে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ১৯ জন, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ৩ জন এবং প্রতিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ১৯ জন।

গত ৯ মে ব্রিগেডের শপথ সমারোহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পাঁচ মন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। তাদের সকলেরই দফতর আগেই বণ্টন করা হয়েছিল।

পরে ১ জুন লোক ভবনে শপথ নেন শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার বাকি ৩৫ জন সদস্য। কিন্তু সেইসব মন্ত্রীদের কোন দায়িত্ব এতদিন বন্টন করা হয়নি। বুধবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে নতুন মন্ত্রীদের যেমন দপ্তর বন্টন করা হয়েছে, তেমনি আগে শপথ নেওয়া ছয় মন্ত্রীদের দপ্তরও কিছুটা রদবদল করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র, আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুৎ। দিলীপ ঘোষের হাতে থাকছে পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ। অগ্নিমিত্রা পালের হাতে থাকছে পুর ও নগর উন্নয়ন, নিশীথ প্রামাণিকের হাতে থাকছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও অশোক কীর্তনিয়ার হাতে থাকছে খাদ্য ও সরবরাহ দফতর। ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে থাকছে আদিবাসী উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর।

মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দুধকুমার মন্ডল। সংসদীয় ও পর্যটন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শঙ্কর ঘোষকে। পরিবহন ও শ্রম দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন অর্জুন সিং। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্যানবিদ্যা দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন কল্যান চক্রবর্তী। বন ও পরিবেশ দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন মনোজ কুমার ওরাও।

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন মন্ত্রীর মধ্যে মালতী রাভা রায় পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। পানি সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজেশ মাহাতো। ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যারা দায়িত্ব পেয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম জুয়েল মুর্মু (আদিবাসী উন্নয়ন), হরেকৃষ্ণ বেরা (উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা), আনন্দময় বর্মন (পরিবহন এবং অর্থ), অশোক দিন্দা (কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় শিল্প), পূর্ণিমা চক্রবর্তী (তথ্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক এবং পর্যটন)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট সংকটের জেরে দ. কোরিয়াজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট সংকটের জেরে দ. কোরিয়াজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট পেপারের ঘাটতি সামনে আসার পর দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাওয়ায়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।

সরকারি তথ্য অনুসারে, গত ৩ জুন অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনের দিন পুরো দেশে বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে প্রায় ৭ হাজার ব্যালট পেপারের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

এএফপি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদিও ভোটের দিন প্রয়োজনীয় ব্যালট সরবরাহ করা হয়েছিল, তবুও এই ঘটনার কারণে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার ঘটেছে। বিশেষ করে এ ঘটনাটি ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন ভোট কারচুপি নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ দেশটির একাংশের মানুষের মধ্যে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে।

২০২৪ সালের শেষ দিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল সামরিক আইন জারি করে একটি তীব্র রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারিত করা হয়েছিল।

এর পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং-এর অধীনে এটিই ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত নির্বাচন।

প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের ক্ষমতাসীন উদারপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টি মেয়র, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি এবং পরিষদ সদস্য নির্বাচনে বেশিরভাগ আসনে জয়লাভ করে। তবে রাজধানী সিউলের গুরুত্বপূর্ণ মেয়র পদটি নিজেদের দখল করতে তারা সফল হয়নি।

এদিকে, ব্যালট সংকটের ঘটনায় নির্বাচন তদারকি সংস্থার প্রধান ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। তবে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের কোনো ঘোষণা না আসায়, গত সপ্তাহে দেশজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেশটির ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠন বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে নতুনভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে।

ইয়োনসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিষদের প্রতিনিধি হোয়াং ইন-সিও এএফপিকে বলেন, 'রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ যাই হোক না কেন, এই ঘটনায় সবার মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তাই আমরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।'

বিশ্লেষকরা বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং জবাবদিহির ঘাটতি বিদ্যমান।

এদিকে, রাজধানী সিউলের এক আদালত এই সপ্তাহে ব্যালট সংকটে আক্রান্ত একটি ভোটকেন্দ্রের প্রমাণাদি সংরক্ষণে নির্দেশ দিয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের জানা মতে, ঘটনার তদন্তে প্রসিকিউটর ও পুলিশ যৌথ তদন্ত দল গঠন করার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর: ১৯ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


কুমিল্লায় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর: ১৯ জন আটক

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) তার নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য জানান।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, কুমিল্লা-ঢাকা মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (সিএনজি চালিত অটোরিকশা) নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৯ জুন) ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ি হাইওয়ে থানার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এই সময় উল্টোপথে চলাচল ও যানজট সৃষ্টির অভিযোগে একটি অটোরিকশা আটক করা হয়।

আটক অটোরিকশাটি হাইওয়ে পুলিশের এক সদস্য নিয়ে যাওয়ার সময়, চালক হঠাৎ গাড়ির সামনে এসে হ্যান্ডেল ধরে টানাটানি করলে অটোরিকশাটি উল্টে যায়। এতে গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায় এবং চালক সামান্য আহত হন।

এরপর ওই চালকের ডাকে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন থ্রি-হুইলার চালক ও তাদের সহযোগীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে হাইওয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ চালায়। এই সংঘর্ষে দায়িত্ব পালনকারী কনস্টেবল ইউসুফ আলী ও রবিউল ইসলাম আহত হন। হামলাকারীরা পুলিশের পিকআপভ্যান ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন করে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবি ও বুড়িচং থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভাইরাল ভিডিও বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। পরে জেলা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে আটক করা হয়।

আটক হওয়ার ব্যক্তিরা হলেন: মো. মিলন হোসেন, মো. ইউসুফ মিয়া, মো. হাসান, মো. রিফাত, মো. হাবিব, মো. মকবুল, মো. আলাউল হোসেন, মো. সিফাত, মো. রুবেল, আবু ইউসুফ ইফরাম, মো. জুয়েল, মো. সোহেল হোসেন, নুরুল শাহ, মো. সোহাগ মিয়া, মো. বিল্লাল, মো. সোহেল মিয়া, মো. ইব্রাহিম খলিল, মো. দেলোয়ার হোসেন এবং মো. আদিজল।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%