প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট পেপারের ঘাটতি সামনে আসার পর দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাওয়ায়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
সরকারি তথ্য অনুসারে, গত ৩ জুন অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনের দিন পুরো দেশে বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে প্রায় ৭ হাজার ব্যালট পেপারের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
এএফপি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদিও ভোটের দিন প্রয়োজনীয় ব্যালট সরবরাহ করা হয়েছিল, তবুও এই ঘটনার কারণে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার ঘটেছে। বিশেষ করে এ ঘটনাটি ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন ভোট কারচুপি নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ দেশটির একাংশের মানুষের মধ্যে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে।
২০২৪ সালের শেষ দিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল সামরিক আইন জারি করে একটি তীব্র রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারিত করা হয়েছিল।
এর পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং-এর অধীনে এটিই ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত নির্বাচন।
প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের ক্ষমতাসীন উদারপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টি মেয়র, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি এবং পরিষদ সদস্য নির্বাচনে বেশিরভাগ আসনে জয়লাভ করে। তবে রাজধানী সিউলের গুরুত্বপূর্ণ মেয়র পদটি নিজেদের দখল করতে তারা সফল হয়নি।
এদিকে, ব্যালট সংকটের ঘটনায় নির্বাচন তদারকি সংস্থার প্রধান ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। তবে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের কোনো ঘোষণা না আসায়, গত সপ্তাহে দেশজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশটির ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠন বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে নতুনভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে।
ইয়োনসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিষদের প্রতিনিধি হোয়াং ইন-সিও এএফপিকে বলেন, 'রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ যাই হোক না কেন, এই ঘটনায় সবার মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তাই আমরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।'
বিশ্লেষকরা বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং জবাবদিহির ঘাটতি বিদ্যমান।
এদিকে, রাজধানী সিউলের এক আদালত এই সপ্তাহে ব্যালট সংকটে আক্রান্ত একটি ভোটকেন্দ্রের প্রমাণাদি সংরক্ষণে নির্দেশ দিয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের জানা মতে, ঘটনার তদন্তে প্রসিকিউটর ও পুলিশ যৌথ তদন্ত দল গঠন করার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন