বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
শরীয়তপুরে গভীর রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে গাঁজা সেবনের জন্য ১০০ টাকা চেয়ে আটক হন এক যুবক, যিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও আব্দুল কাইউম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ জুন) রাতে ঘটনাটি ঘটে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায়।
দণ্ডিত বাবলু বেপারী নড়িয়া পৌরসভার শুভগ্রাম এলাকার একজন বাসিন্দা।
জানা গেছে, বুধবার রাতে উপজেলা পরিষদের চত্বরে হাঁটার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল কাইয়ুম খান বাসায় ছিলেন। এই সময় বাবলু বেপারী তার কাছে এসে গাঁজা সেবনের জন্য ১০০ টাকা দাবি করেন। তিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন। তার অস্বাভাবিক আচরণ দেখে উপস্থিত লোকজন চমকে যান। প্রশাসনের সদস্যরা পরে তাকে আটক করেন। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্যসংক্রান্ত অপরাধে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
ইউএনও আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় একজন ব্যক্তি আমার কাছে এসে গাঁজা সেবনের জন্য ১০০ টাকা দাবি করে এবং অসংলগ্ন আচরণ করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অলকা ইয়াগনিক, এই সুরেলা কণ্ঠশিল্পীকে ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি তেজাব সিনেমায় ‘এক দো তিন’ গানে মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে নেচেছিলেন গোটা ভারতজুড়ে। পেছনের সেই গানটিকে গেয়েছিলেন অলকা ইয়াগনিক। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ‘তালে সে তাল মিলা’, ‘টিপ টিপ বারসা পানি’, ‘দিলবার দিলবার’, ‘সুরাজ হুয়া মাধ্যম’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গান গেয়েছেন।
কুমার শানুর সঙ্গে ‘চুরা কে দিল মেরা’ গেয়ে তিনি কোটি ভক্তের হৃদয় চুরি করেছেন। ক্যারিয়ারে অলকা ২৫টি ভাষায় ২২ হাজার গান রেকর্ড করেছেন, কিন্তু ২০২৪ সালে ‘অমর সিং চিমকিলা’ ছবির পর থেকে তার কণ্ঠ থেমে গেছে। অলকা দুই বছর মনে হচ্ছিল যেন একদম আড়ালে চলে গেছেন।
দুই বছর পর, গত মঙ্গলবার, নয়াদিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে অলকা ইয়াগনিকের দেখা পাওয়া যায়। তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে ভারত সরকারের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করেন। অলকা ইয়াগনিকের ‘পদ্মভূষণ’ অর্জন করা কোনো বিস্ময় নয়। তবে পুরস্কার গ্রহণ করার সময় তাকে হুইলচেয়ারে দেখা যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অনেকে।
সুরের রাণী অলকাকে হুইলচেয়ারে দেখে অনেকেই কষ্ট অনুভব করেছেন।
কিংবদন্তি গায়িকা অলকা ইয়াগনিক ‘সেন্সোরিনিউরাল হিয়ারিং লস’ নামে এক বিরল শ্রবণজনিত জটিলতায় ভুগছেন। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে একটি বিমানভ্রমণে নামার পর হঠাৎ তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, তিনি কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। আকস্মিক বধিরতায় তার ক্যারিয়ার থমকে যায়। ডাক্তারদের মতে, হঠাৎ কোনো ভাইরাল অ্যাটাকের কারণেও এমন কিছু ঘটতে পারে।
কারো কারো মতে, চার দশকের ক্যারিয়ারে উচ্চ শব্দের সঙ্গে থাকাটাও তার সমস্যার পেছনের কারণ হতে পারে।
আড়ালে থাকলেও শ্রোতারা অলকাকে ভুলে যাননি। তিনি ইউটিউবে সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, যার ২০২০ সালে ১৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন এবং ২০২১ সালে ১৭ বিলিয়ন স্ট্রিমের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম রয়েছে। ২০২৬ সালেও তিনি ইউটিউবে প্রতি সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম হওয়া সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছেন। অলকার এই বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দুটি বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার এবং সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা রয়েছে।
হুইল চেয়ারে অলকাকে দেখে তার ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন অলকা নিজেই ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে নিজের বর্তমান অবস্থার বর্ণনা করেছেন এবং আবেগঘনভাবে লিখেছেন যে, ‘গত দুই বছর ধরে আমি লাইমলাইট, গণমাধ্যমের সামনে আসা এবং আপনাদের সঙ্গে নিজের পথচলার গল্প ভাগ করে নেওয়া থেকে দূরে আছি। আপনাদের মধ্যে অনেকেই জানতেন যে, আমি এক কঠিন স্বাস্থ্যগত সমস্যার মধ্যে রয়েছি। আর এই পুরোটা সময় আপনাদের যে ভালোবাসা, প্রার্থনা, বার্তা এবং অবিচল সমর্থন ছিল, সেটি প্রতিটি পদক্ষেপে আমার পাশে ছিল।’
তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘আজ যখন আমি দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা—মর্যাদাপূর্ণ ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করতে বাইরে পা রাখলাম, তখন আমার হৃদয় কৃতজ্ঞতায় ভরে গিয়েছিল। এই সম্মাননা আমাকে গভীরভাবে বিনম্র করেছে। যদিও এতে আমার নাম লেখা আছে, তবে এটি ঠিক ততটাই যে প্রতিটি শ্রোতার, যারা আমার কণ্ঠকে তাদের জীবনে স্বাগত জানিয়েছেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমার গানগুলোকে বহন করে নিয়ে গেছেন এবং আমার ভালো ও খারাপ উভয় সময়েই আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
অলকা বলছেন, ‘ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছেন’। তিনি লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তটি বিশেষভাবে অর্থপূর্ণ মনে হচ্ছে কারণ এটি কেবল আমার কাজের স্বীকৃতি নয়, বরং ভালোবাসা, আশা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি থেকে যে শক্তি আসে, তার এক অনন্য স্মারক। আমি ধীরে ধীরে নিজের চেনা ছন্দে ফিরে আসছি এবং আজ এখানে উপস্থিত হতে চেয়েছি—শুধু নিজের জন্য নয়, বরং আপনাদের প্রত্যেকের জন্য, যারা আমার এই পথচলার অংশ হয়েছেন।’
অলকা ইয়াগনিক তাকে এই সম্মাননা দেওয়ার জন্য দেশের নেতৃত্ব এবং কর্তৃপক্ষের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি শেষ করেছেন ভক্তদের প্রতি ভালোবাসার কথা বলে, ‘বছরের পর বছর ধরে আমার প্রতি আপনাদের এই স্নেহ, দয়া, প্রার্থনা এবং বিশ্বাসের জন্য ধন্যবাদ। আমি এর সবকিছুই নিজের সঙ্গে বহন করি। আজ আমি কেবল একটি পুরস্কারই গ্রহণ করিনি—আমি সেই কোটি মানুষের ভালোবাসা অনুভব করেছি, যারা আমার এই যাত্রার অংশ ছিলেন। ধন্যবাদ। ভালোবাসাসহ, অলকা।’
ওপরন্তু, অলকা ইয়াগনিকের পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। হাজারো ভক্তের ভালোবাসা এবং শুভকামনা কমেন্ট বক্সে উপচে পড়ছে। সেই তালিকায় সাধারণ মানুষ ছাড়াও আছেন কুমার শানু, ইলা অরুণ, অদিতি সিং শর্মা, সুদেশ ভোসলে, অকৃতি কাক্কার, ভূমি পেদনেকার, বীর পাহারিয়া মতো তারকারাও। অনেকে তাকে পদ্মভূষণ পাওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘ফিরে এসো অলকা ইয়াগনিক।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদরাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মে এবং জুন মাসের বেতন সম্পর্কিত নতুন তথ্য প্রকাশ করলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, এই দুই মাসের বেতন একত্রে জুলাই মাসে প্রদান করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল বেলা বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত মন্ত্রী এসব বিষয় উল্লেখ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "আমি জানি এক মাসের বেতন না পেলে কী দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে হয়।" তিনি জানালেন, অন্তর্বর্তী সরকার এনটিআরসিএ থেকে মাদরাসায় ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করেছে। কিন্তু, এই শিক্ষকদের বেতনের জন্য বাজেট অ্যালোকেট করা হয়নি। এর ফলে, শিক্ষকরা তাঁদের বেতন পেতে ব্যর্থ হচ্ছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এই সমস্যা শীঘ্রই সমাধান করা হবে।
তিনি আরো বলেন, "আগের সরকার এটি জানতেন না যে বাজেট অ্যালোকেট করতে হবে।" তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যে সমস্যাগুলো সময়ের সাথে সাথে যত বাড়তে থাকে, তাতে পরবর্তী সরকার কার্যকরিত্ব হারানোর ঝুঁকির মুখে পড়ে। এভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করা সম্ভব নয়, এবং আমরা সেই পরিস্থিতি হতে দেবো না।
তিনি জানান, "আমার হাতে ১০০ কোটি টাকা ছিলো, আমি এই টাকা জনতা ব্যাংকে প্রদান করেছি।" যাদের অ্যাকাউন্ট জনতা ব্যাংকে আছে তারা বেতন পেয়েছেন, কিন্তু বাকিরা তা পাচ্ছেন না, এজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "এই দুঃখ প্রকাশ করা উচিত ছিল বিগত সরকারের, কিন্তু তারা তা করে নি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আজ কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলাধীন রামপুর মৌজায় অবস্থিত সরকারি চিংড়ি এস্টেট পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, সরকারি চিংড়ি এস্টেটকে আরো আধুনিক ও উৎপাদনশীল করে গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি ব্যবসায়ী, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ খাতকে আরো এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
আজ কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার রামপুর মৌজায় অবস্থিত সরকারি চিংড়ি এস্টেট পরিদর্শন শেষে, তিনি স্থানীয় চিংড়ি চাষি এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ সব আলোচনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রকল্পকে কীভাবে আরো এগিয়ে নেওয়া যায়, সে জন্য আমরা এখানে এসেছি। ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন মতামত ও সমস্যার কথা শুনেছি। বিশেষ করে নিরাপত্তা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে যেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’
তিনি বলেন, চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। এক সময় এশিয়া মহাদেশে চিংড়ি উৎপাদনে বাংলাদেশ নেতৃত্বে ছিল। এ খাতের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা মৎস্য অধিদপ্তর ও সরকারের পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে।
তিনি আরো বলেন, চিংড়ি খাতের উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও চাষিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি সবার সহযোগিতায় এই সম্ভাবনাময় খাতকে আরো সমৃদ্ধ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদা সরকারি চিংড়ি এস্টেটের বর্তমান কার্যক্রম, উৎপাদন পরিস্থিতি, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন এবং কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদা-সহ স্থানীয় চিংড়ি চাষি, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এসব সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান জাতীয় সংসদে বলেছেন, আগামী ৫০ বছর আওয়ামী লীগের বোধ হয় ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিন বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংসদের বৈঠকটি বেলা ১১টায় শুরু হয় এবং এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই— আওয়ামী লীগ তিনটি জেনারেশনকে ইনজুর্ড (আঘাত) করেছে। একটি হচ্ছে স্কুল, আরেকটি কলেজ, অন্য একটি ইউনিভার্সিটি। এটি হলো নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা আন্দোলন, পরে হাসিনার খেদাও আন্দোলন। এমপি মাহবুবুর রহমান বলেন, এই তিনটা জেনারেশন জীবিত থাকা অবস্থায় আগামী ৫০ বছর আওয়ামী লীগের বোধহয় ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ বলে মনে করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ