প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আজ কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলাধীন রামপুর মৌজায় অবস্থিত সরকারি চিংড়ি এস্টেট পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, সরকারি চিংড়ি এস্টেটকে আরো আধুনিক ও উৎপাদনশীল করে গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি ব্যবসায়ী, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ খাতকে আরো এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
আজ কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার রামপুর মৌজায় অবস্থিত সরকারি চিংড়ি এস্টেট পরিদর্শন শেষে, তিনি স্থানীয় চিংড়ি চাষি এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ সব আলোচনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রকল্পকে কীভাবে আরো এগিয়ে নেওয়া যায়, সে জন্য আমরা এখানে এসেছি। ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন মতামত ও সমস্যার কথা শুনেছি। বিশেষ করে নিরাপত্তা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে যেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’
তিনি বলেন, চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। এক সময় এশিয়া মহাদেশে চিংড়ি উৎপাদনে বাংলাদেশ নেতৃত্বে ছিল। এ খাতের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা মৎস্য অধিদপ্তর ও সরকারের পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে।
তিনি আরো বলেন, চিংড়ি খাতের উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও চাষিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি সবার সহযোগিতায় এই সম্ভাবনাময় খাতকে আরো সমৃদ্ধ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদা সরকারি চিংড়ি এস্টেটের বর্তমান কার্যক্রম, উৎপাদন পরিস্থিতি, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন এবং কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদা-সহ স্থানীয় চিংড়ি চাষি, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এসব সভায় উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন