ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির দায়িত্ব: এরদোয়ান


ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির দায়িত্ব: এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের, অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি বুধবার (১২ আগস্ট) আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট ভবনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।

এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক সব প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় জোরালো ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে। তিনি প্রেসিডেন্ট পদ থেকে নেতানিয়াহুর সরকারের দখলীকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে অবৈধ কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন, যা বিশ্বের সামনে সংঘটিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ধ্বংসের চেষ্টার কথা জানান।

এছাড়া, এরদোয়ান বলেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে পরামর্শ করে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পদ্ধতির ভিত্তিতে ফিলিস্তিনের দাবিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তুরস্ক কাজ করবে। তিনি বলেন, দখল, জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং ভূমি দখলের নীতি ক্রমাগত তীব্রতর হচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রেসিডেন্ট জানান, ২০২৬ সালে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি এই অবস্থাকে একটি ‘পরিকল্পিত দখলদারিত্ব’ হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর ইরানে হামলার পরিকল্পনা আটকে দেন ট্রাম্প

তিনি আরো বলেন, নেতানিয়াহু সরকার বিশৃঙ্খলা ও নতুন সংঘাতকে কাজে লাগিয়ে ফিলিস্তিনকে বৈশ্বিক আলোচ্যসূচি থেকে সরিয়ে দিতে চায়, তবে তারা এ বিষয়টি সফল হবে না। আমাদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদ এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত উসকানির আমরা বিশেষভাবে তীব্র বিরোধিতা করছি।

এরদোয়ান পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও অখণ্ড ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে আঙ্কারার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গাজার পুনর্গঠন কাজ শুরু করা এবং আল আকসা মসজিদসহ পবিত্র স্থানগুলোর বর্তমান স্থিতি বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেন। একইসঙ্গে, তিনি ফিলিস্তিনে আইনসভা ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাহামুদ খান সুমন

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগে অনিয়ম, জাল-জালিয়াতি, ভুয়া বিল-ভাউচার এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে অতিরিক্ত পরিচালক মো. আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তাঁর নামে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের দাবিও করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত পরিচালক মো. আব্দুর রহিম বিভিন্ন কাজের নিয়ন্ত্রণ, ভুয়া বিল তৈরি এবং সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একাধিক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা দপ্তরের অধীন ২৫০ টন উত্তোলন ক্ষমতার উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’ দীর্ঘ সময় নারায়ণগঞ্জের ৫ নম্বর ঘাটে অবস্থান করলেও নথিপত্রে সেটিকে সচল দেখিয়ে জ্বালানি ব্যবহারের নামে বিপুল অর্থের বিল তোলা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, জাহাজটির প্রকৃত পরিচালনা ও জ্বালানি ব্যবহারের সঙ্গে নথিতে দেখানো ব্যয়ের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। এ বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানেও নথিপত্রে গরমিলের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর বিভিন্ন প্রকল্পে বয়া-বিকন বাতি, নৌযান মেরামতসহ নানা কাজের নামে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নামে যেসব বিলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

আখি এন্টারপ্রাইজ: টিপি-১৩৫-এর ভুয়া বিলের মাধ্যমে ৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।
তানিয়া এন্টারপ্রাইজ: এমপি-১২-এর বিল বাবদ ৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা এবং স্পিড বোট-১ মেরামতের নামে ৮ লাখ ৮১ হাজার ১০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।
তানজিল ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস: টিপি-৮০-এর বিল বাবদ ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৫২ টাকা এবং টিপি-১৭৩-এর নামে ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।
আলিফ এন্টারপ্রাইজ: টিপি-৪৫-এর ভুয়া বিলের মাধ্যমে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ১৫১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ২০১৯-২০ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ করানোর ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল।

আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগে ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া ও পাবনায় বিপুল সম্পদ থাকার দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর মুগদায় একাধিক ফ্ল্যাট, আশুলিয়ায় ভবন, সাভারে বহুতল ভবন ও দোকান, মোহাম্মদপুরে জমি এবং অন্যান্য এলাকায় ফ্ল্যাট ও প্লট থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া কেরানীগঞ্জ এলাকায় একজন ঠিকাদারের সঙ্গে যৌথ মালিকানায় বড় একটি ডকইয়ার্ড থাকার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগে এসব সম্পদের মোট মূল্য কয়েকশ কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও আব্দুর রহিম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। সম্প্রতি তাঁকে বরিশালের ডিইপিটিসিতে প্রিন্সিপাল হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় বিআইডব্লিউটিএর কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁদের দাবি, গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে শুধু বদলি বা অতিরিক্ত দায়িত্ব না দিয়ে আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি, সরকারি অর্থ আত্মসাত, ভুয়া বিল-ভাউচার এবং অবৈধ সম্পদের বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজ শেষের প্রায় দুই বছর পর উন্মুক্ত হলো ‘মৈত্রীস্তম্ভ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


কাজ শেষের প্রায় দুই বছর পর উন্মুক্ত হলো ‘মৈত্রীস্তম্ভ’

মুক্তিযুদ্ধের সময় আত্মদানকারী মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে নির্মিত ‘মৈত্রীস্তম্ভ’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় অবশেষে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে সর্বসাধারণের জন্য। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে স্মৃতিস্তম্ভটি দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। প্রায় দুই বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল।

এটির অবস্থান আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর (কামাউড়া) এলাকায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে, ৩ দশমিক ৬১ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত হয়েছে মৈত্রীস্তম্ভ। বাইরের দিকে এটি দৃষ্টিনন্দন, অথচ ভেতরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মিত্রবাহিনীর আত্মত্যাগের অনেক স্মৃতি রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ ফিতা কেটে মৈত্রীস্তম্ভের উদ্বোধন করেন। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে এবং আশুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউস সারোয়ার সহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘এটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধন হিসেবে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সংশ্লিষ্টরা একত্রিত হতে না পারায় তা সম্ভব হয়নি।

এটি দেখার জন্য মানুষের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, মৈত্রীস্তম্ভ দেখতে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৩০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২০ টাকা প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় মিত্রবাহিনীর আত্মত্যাগ স্মরণে ২০১৭ সালে আশুগঞ্জে মৈত্রীস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৬ কোটি টাকা এবং ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য ছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে প্রকল্প খরচ বেড়ে ৪৭ কোটি টাকা করা হয়। প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে গিয়ে ব্যয় আবারো বৃদ্ধি পেয়ে ৭২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের শেষ দিকে প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর জেলা গণপূর্ত বিভাগ মৈত্রীস্তম্ভটি আশুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর উপজেলা প্রশাসন এটি রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে। মৈত্রীস্তম্ভের ভেতরে প্রবেশ করলে দেয়ালে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খোদাই ছবি চোখে পড়ে। অন্যদিকে রয়েছে ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসনের শিকল, কারাবন্দির জীবন, ১৯৬২ সালের স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের প্রতিবাদ এবং জাতীয় নেতাদের বিভিন্ন চিত্রসহ মুক্তিযুদ্ধের অনেক ঘটনা ও তথ্য।

এছাড়াও মিত্রবাহিনীর সদস্যদের ছবি, হেলিকপ্টার, যুদ্ধবিমান, গোলাবর্ষণের অস্ত্র ও ট্যাংক, রেডিও এবং অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের চিত্রও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।স্মৃতিস্তম্ভের মূল অংশের নিচের চারপাশে মুক্তিযুদ্ধে নিহত ভারতীয় সেনাসদস্যদের নাম পিতলে খোদাই করে লেখা রয়েছে, যেখানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদের ১ হাজার ৪৮২ জন সদস্যের নাম দেখা যায়।

মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দৃশ্যও স্মৃতিস্তম্ভের নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যুদ্ধের ভয়ের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করতে গিয়ে মানুষ ভারতে পালানোর দৃশ্য এবং বৃদ্ধ মাকে কাঁধে তুলে নেওয়ার চিত্রও এতে রয়েছে।

দর্শনার্থীদের জন্য এখানে শিশুদের বিনোদন পার্ক, দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা ও সংগ্রহশালা রয়েছে। এছাড়া রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুডের দোকান হিসেবেও ব্যবহারের জন্য কয়েকটি দোকান এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

তবে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে মৈত্রীস্তম্ভটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়নের কারণে প্রকল্পটির উদ্বোধনে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশের পরিবেশে চালকলের কারণে ধোঁয়া ও ধুলা জমে মৈত্রীর সৌন্দর্যকে নষ্ট করছিল। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর স্মৃতিস্তম্ভটি উন্মুক্ত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মনপুরায় ডাকাত স্বপন বাহিনীর দুই সহযোগী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


মনপুরায় ডাকাত স্বপন বাহিনীর দুই সহযোগী আটক

ভোলা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার মনপুরায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২ ডাকাতকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. মো. সালমান বিন শওকত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য গণমাধ্যমে জানান।

তিনি জানালেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মনপুরা থানাধীন কাজিরচর সংলগ্ন এলাকায় গতকাল বুধবার দিবাগত বৃহস্পতিবার রাত ১টা হতে সকাল ৬টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও আউটপোস্ট মনপুরা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত স্বপন বাহিনীর ২ সহযোগীকে আটক করে।

আটক ডাকাতদের মধ্যে নূর উদ্দিন রুবেল (৩৫) এবং মো. বাচ্চু মিয়া (২৫) রয়েছেন, তারা মনপুরা থানার হাজির হাট এলাকার বাসিন্দা। এই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ডাকাত 'স্বপন বাহিনী' এর সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।

তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। আটক ডাকাতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবম পে-স্কেল নিয়ে এলো নতুন খবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


নবম পে-স্কেল নিয়ে এলো নতুন খবর

নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি। ফাইল ছবি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করে ফেলেছে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি। সে অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকেই নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন করা হবে।

পরে ধাপে ধাপে ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নের কাজ করা হবে। তবে, নতুন বেতন কাঠামো কত ধাপে কার্যকর হবে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।

বুধবার (১২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রস্তাবনাটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করা হয়। কমিটির এক সদস্যের পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুসারে, গত ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নবম পে-স্কেল সম্পর্কে অবহিত করে অর্থ বিভাগ। এরপর ওই আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে প্রস্তাবনাটি।

জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামোতে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ, উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীরা বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পান। কিন্তু নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা আর্থিকভাবে বেশি সংকটে রয়েছেন।

এদিকে নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত করার পর্যায়ে বিচার বিভাগ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। এসব জটিলতা নিরসন এবং বিচার বিভাগের কর্মচারীদের বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করতে ৬ আগস্ট অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সুপারিশের পর চূড়ান্ত খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

এর আগে, নবম পে স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর এখন পর্যন্ত নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা হয়নি। এই সময়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রতিবছর নির্ধারিত হারে বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলস্বরূপ, নবম পে-স্কেলের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। পরে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নবম পে-কমিশন বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করে।

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল পে-স্কেলের সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির পর্যালোচনা ও পরবর্তী মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই নবম জাতীয় পে-স্কেলের চূড়ান্ত বাস্তবায়ন কাঠামো নির্ধারিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%