ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাইবান্ধায় ২ হাজার ২০০ কেজি জিরা জব্দ, আটক ২


গাইবান্ধায় ২ হাজার ২০০ কেজি জিরা জব্দ, আটক ২

গাইবান্ধায় একটি অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ২০০ কেজি জিরাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই অভিযানের সময়, চোরাচালান চক্রের কথিত মূল হোতা শাহিন আলম পালিয়ে যান।

বৃহস্পতিবার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোত্তালিব এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গাইবান্ধা শহরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অভিযান চালানোর সময় জিরাভর্তি একটি ট্রলি জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দুই যুবকের মধ্যে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পশ্চিম বেড়াডাঙ্গা (গণেশপুর) এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে শাহজালাল ইসলাম (২৫) এবং বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার আমতলী এলাকার নাজমুল হকের ছেলে নওশাদ হাসান আতিক (৩০) রয়েছেন।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ, সড়ক পাকা না হওয়ায় কৃষকদের সমস্যা

ডিবি পুলিশ জানায়, প্রথমেই শাহজালাল ইসলামকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে পলাশবাড়ী ওভারব্রিজ এলাকার নিচ থেকে নওশাদ হাসান আতিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের দেখানো তথ্যে পলাশবাড়ীর গণেশপুর বাজারের একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে জিরা প্যাকেটজাত করার কাজে ব্যবহৃত ৩০টি খালি প্লাস্টিকের বস্তা এবং ভারতীয় চিহ্নযুক্ত ১০টি খালি বস্তা জব্দ করা হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা ৮৮টি বস্তার মধ্যে মোট ২ হাজার ২০০ কেজি জিরা ছিল। এসব জিরার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানা গিয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিব আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, শাহিন আলম এই চোরাচালান চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক, সহায়তায় প্রতিমন্ত্রী টুকু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগের পর খুলল প্রক্টর কার্যালয়ের তালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


চার সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগের পর খুলল প্রক্টর কার্যালয়ের তালা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রক্টরের পদত্যাগের এক দিনের মাথায় চারজন সহকারী প্রক্টর একযোগে পদত্যাগ করেন। একই দিনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ৭৮ দিন পর প্রক্টর কার্যালয়ের তালা খুলে দেন।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চার সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগের বিষয়টি জানানো হয়।

পদত্যাগকারী শিক্ষকরা হলেন—প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শামীমা নাসরীন জলি, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবির এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস।

এছাড়া পৃথক এক অফিস আদেশের মাধ্যমে দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুছ ছাত্তারকে আগামী দুই বছরের জন্য সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম রাশিদুল আলম পদত্যাগ করেন। গত ১২ মে গভীর রাতে ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির গ্রেপ্তার এবং বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তাঁরা প্রক্টর কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে প্রক্টরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। এর ফলে টানা ৭৮ দিন প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নবনিযুক্ত প্রক্টর অধ্যাপক মো. জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রক্টর কার্যালয়ের তালা খুলে দেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের অন্যতম দাবি ছিল প্রক্টর এবং প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ, যা তারা পূরণ করতে পেরেছেন। তবে তারা আরও ঘোষণা করেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা না হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


কক্সবাজারে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড

কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে জমি বিরোধের কারণে মা ও মেয়েকে খুনের মামলায় আবুল কালাম নামের প্রধান আসামির বিরুদ্ধে আদালত মৃতুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রে, যা চার্জশিট হিসেবে পরিচিত, অভিযুক্ত অপর ২ নারীকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ আদেশ প্রদান করেছেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুতুব উদ্দিন জানিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালাম ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুতুব উদ্দিন জানান, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী রাশেদা বেগম এবং ৭ম শ্রেণীতে পড়া কন্যা জন্নাতুল ফেরদৌস প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন। এই ঘটনার পর আজিজুল হক বাদি হয়ে ২২ জানুয়ারি আবুল কালামকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ঈদগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর অভিযুক্তরা ছিলেন প্রধান আসামির ভাই আবুল তাহের, প্রধান আসামির স্ত্রী হামিদা বেগম এবং আবু তাহেরের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম।

এ মামলাটির অনুসন্ধান শেষে পুলিশ ২০২১ সালের ১৪ জুলাই আবু তাহেরকে অব্যাহতি প্রদান করে এবং অপর ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচারকার্য শুরু করে এবং বৃহস্পতিবার এই আদেশ প্রদান করে। আদেশ প্রদানকালে আসামিদের ৩ জনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসামির জামিনকে কেন্দ্র করে বিচারকের সঙ্গে আইনজীবীদের হট্টগোল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


আসামির জামিনকে কেন্দ্র করে বিচারকের সঙ্গে আইনজীবীদের হট্টগোল

সুনামগঞ্জে এক আইনজীবীকে মারধরের ঘটনায় দ্রুত বিচার মামলায় আসামিদের জামিন দেওয়ার ফলে বিচারকের সঙ্গে আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সুনামগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৫ম তলায় দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মো. নুরুল হকের আদালতে মামলার জামিন শুনানির সময় এই আরেকটি ঘটনা ঘটে। তবে পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায় এবং আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহ আলম তুলিপ নামে এক আইনজীবীর করা দ্রুত বিচার মামলার আসামির জামিন শুনানির সময় আদালতের বিচারক মো. নুরুল হক আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এই সময়ে আইনজীবীরা জামিনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। এক পর্যায়ে আদালতের ভেতরেই বিচারকের সামনেই হট্টগোল শুরু হয়ে যায় এবং আইনজীবীরা আদালত থেকে বেরিয়ে যান।

এছাড়া জানা গেছে, সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য শাহ আলম তুলিপের বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ট্যাংরাটিলা এলাকায়। মাসখানেক আগে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এলাকার প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন তিনি। এই ঘটনায় তিনি দ্রুত বিচার আদালতে হামলাকারী আতাবুর রহমান ফারাজি, সাজিদুর রহমান ফারাজি ও সাব্বির আহমেদকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

বৃহস্পতিবার আসামির জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন মঞ্জুর করেন। এই সময়ে অনেক আইনজীবী আসামিদের জামিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং আদালতের ভেতর হট্টগোল শুরু হয়। হট্টগোলের এক পর্যায়ে বিচারক আদালত থেকে খাসকামরায় চলে যান। পরে দুপুর ২টার দিকে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।

মামলার বাদী আইনজীবী শাহ আলম তুলিপ বলেন, দ্রুত বিচার আইনের মামলায় এর আগে এই আদালতে কোনো আসামির জামিন হয়নি। একজন আইনজীবীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলা এবং জামিন অযোগ্য ধারায় জামিন দেওয়ার কারণে আমাদের সহকর্মী সবাই কথা বলেছেন। শতাধিক আইনজীবী একসাথে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, তাই ঘটনা হট্টগোলের মতো শোনায়। এর বেশি কিছু নয়, আমরা কোর্ট বর্জন করিনি। অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিকভাবে আদালত ত্যাগ করেছি।

এ বিষয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এডিশনাল পিপি অ্যাড. শেরেনুর আলী বলেন, আমাদের এক আইনজীবীর করা মামলায় আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে, আমরা জামিনের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এরপর আদালত নেমে যায়। এই বিষয়ে আগামী রবিবার একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্দুল হক জানান, বিচারকের সঙ্গে মারমুখী আচরণের কিছু ছিল না। আসামির জামিন দেওয়ার ফলে সামান্য মনোমালিন্য হয়েছিল। পরে সবকিছু আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হুমায়ুন কবির বলেন, আমাদের একজন সহকর্মীকে মারধরের ঘটনায় দ্রুত বিচার মামলায় আসামির জামিন দেওয়ার সময় আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেছেন। এর চেয়ে বেশি কিছু ঘটেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা ইউএই প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


ঢাকার উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা ইউএই প্রেসিডেন্টের

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের হামলার পর বাংলাদেশের সমর্থন ও সংহতির জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো একটি চিঠিতে এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

চিঠিতে ইউএইতে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুতে তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন। নিহতদের পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ আন্তরিক সমবেদনা জানান।

তিনি বাংলাদেশ-ইউএইর দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং অর্থনৈতিক, উন্নয়ন ও মানবিক খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি আশা করেন যে, এই সফরের মাধ্যমে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%