মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৩ এম
দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক, যারা লিবিয়া থেকে ফিরে এসেছেন। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে এবং দেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৭টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ওই দুই যুবক।
তাদের মধ্যে একজন হলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের কাকুয়া গ্রামের ফজলু হকের ছেলে সবুজ আলী (২২) এবং অন্যজন আব্দুল মালেকের ছেলে মেহেদী হাসান (২৩)।
স্থানীয় ও পরিবারের সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইতালিতে কাজ দেওয়ার আশ্বাসে বিদেশে যান সবুজ ও মেহেদী। তাদের সৌদি আরব ও মিসরসহ কয়েকটি দেশ ঘুরিয়ে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর বিভিন্ন অজুহাতে তাদের পরিবারের কাছ থেকে ধাপে ধাপে মোট ৩২ লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রায় সাত মাস পর লিবিয়ার পুলিশ তাদের আটক করে এবং তাদের ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, তাদের বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে টাঙ্গাইল শহরের ঘারিন্দা এলাকার কাইয়ুম এবং এলেঙ্গা এলাকার আমিন জড়িত। কাইয়ুম পেশায় সিএনজিচালিত অটোচালক। স্বজনদের দাবি, কাইয়ুমের আত্মীয় আমিনও এ প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন। দেশে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না করে এক পর্যায়ে দুই যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
মেহেদী হাসানের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এরপর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে তার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও তার খোঁজ পাননি স্বজনেরা।
এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে সবুজ আলীর বড় ভাই মালয়েশিয়াপ্রবাসী রিপন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণ পাঠান। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে দুই যুবকের অবস্থান শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এক পর্যায়ে তাদের লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকার তথ্য জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা।
মালয়েশিয়া থেকে মুঠোফোনে রিপন আহমেদ জানান, আগস্টের শেষে ভাইয়ের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আমি নিরুপায় হয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করি। তিনি আমার কথা শুনেছেন এবং সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছেন। তার সহায়তা না পেলে ভাই কোথায় আছে, সেটিও হয়তো জানতে পারতাম না। তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতিমন্ত্রী টুকুর উদ্যোগে প্রায় দুই মাস আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে দুই যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং তাদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। পরে বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় মানবিক প্রত্যাবাসনের আওতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সবুজের বড় ভাই রিপন আহমেদ আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন। বিষয়টি জানার পর দুই যুবকের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরে আমরা স্বস্তি বোধ করছি। একই সঙ্গে সবাইকে বৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
এদিকে বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া ও আইওএমের সহযোগিতায় একই দিনে ১৭৪ জন বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাগর থেকে উদ্ধারের পর ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ৩৬ জন এবং লিবিয়ার ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরা ১৩৮ জন রয়েছেন। প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিদের মধ্যে ৪১ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে হোটেলের ইজারা ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। এ ঘটনার পর আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ঘনাকান্ত গগৈ নামক হোটেলের ইজারাদারকে গ্রেপ্তার করেছে।
ঘটনাটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে গুয়াহাটির ব্যস্ত জিএস রোডের বোরা সার্ভিস এলাকায় অবস্থিত ‘হোটেল বিলাস ইন’-এ ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবর্ষণে মোট ছয়জন আহত হন এবং তাঁদের মধ্যে পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে নারায়ণ দাস (৪৮) গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে ঘনাকান্ত গগৈকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁর কাছ থেকে গুলিবর্ষণে ব্যবহৃত পিস্তলও উদ্ধার করা হয়।
গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার পার্থ সারথি মহান্ত জানিয়েছেন, ঘনাকান্ত গগৈ প্রায় এক বছর আগে হোটেলটি ইজারা নিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, হোটেলের মালিকপক্ষের সঙ্গে ইজারাদারের চুক্তি ও সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ গুলিবর্ষণের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। তবে ঘটনার পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন হোটেলটির মালিক পরিবারের সদস্য এবং পঞ্চম ব্যক্তি ওই পরিবারের গ্রামের বাসিন্দা। গুলিবিদ্ধ অপর ব্যক্তি সত্যেন্দ্র পাঠক (৪২) ডান কাঁধে আঘাত পেয়েছেন এবং তাঁকে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
এ ঘটনায় আসামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি গৌরব গগৈ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রতি ঘটনার দায় নেওয়া এবং রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং গুলিবর্ষণের পূর্ণাঙ্গ কারণ ও ঘটনার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে একটি সড়ক পাকা না হওয়ার কারণে ১০টি গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এই সড়কটি পাকাকরণের জন্য দিন গুনছেন এসব গ্রামের বাসিন্দারা।
জানা গেছে, স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করার পরেও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াশলুয়া গ্রামের মানুষের জন্য একটি পাকা রাস্তার স্বপ্ন এখনও পূর্ণ হয়নি। বছরের পর বছর ধরে আশ্বাস পেলেও বাস্তবে রাস্তার উন্নয়ন হয়নি। বর্ষায় কাদাপানি আর শুষ্ক মৌসুমে খানাখন্দে ভরা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকেরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। উৎপাদিত ফসল মাঠ থেকে বাড়িতে নিয়ে যেতে তাদের বাড়তি শ্রমিক ও পরিবহন খরচ করতে হচ্ছে।
কালীগঞ্জের নিয়ামতপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আড়ুয়াশলুয়া গ্রামের বিস্তীর্ণ কৃষিজমির মধ্য দিয়ে যাওয়া কাঁচা রাস্তাটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। এই মাঠে ধান, গম, মসুর, কলাইসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়। কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন কৃষিকাজ ও যাতায়াতের জন্য এই রাস্তা ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাজুড়ে কাদা ও পানি জমে থাকে, তখন পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে যায়।
শুষ্ক মৌসুমে খানাখন্দের কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে মানুষ বিপাকে পড়ে। অনেক সময় পায়ে হেঁটে চলতেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এলাকার কৃষকদের মতে, ফসল উৎপাদনের পর তা মাঠ থেকে বাড়িতে নেওয়া তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য পরিবহনে বাড়তি সময় ও শ্রমিকের প্রয়োজন হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচের পাশাপাশি ফসল ঘরে তোলার ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে।
এলাকার নাজমুল হোসেন বলেন, "নির্বাচনের আগে রাস্তা সংস্কার ও পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু নির্বাচনের পর আর কেউ খোঁজ নেন না।" ফলে কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন চলাচলে দুর্ভোগ তাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। তারা রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার ও টেকসইভাবে পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ জানান, "উপজেলার যেসব রাস্তার এখনো আইডি হয়নি, সেগুলোর আইডি করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।" আড়ুয়াশলুয়া গ্রামের রাস্তাটির আইডি করার জন্যও আবেদন করা হয়েছে। রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। আইডি সম্পন্ন হলে দরপত্রের মাধ্যমে পাকাকরণের কাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাচোলের কৃতি সন্তান নিবিড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বাচিত সেরা ১০ জন তরুণ স্পিকারের একজন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট সামার স্কুল-এ বক্তব্য দেওয়ার বিরল গৌরব অর্জন করেছে।
একজন উদীয়মান কোয়ান্টাম গবেষক এবং গ্লোবাল হ্যাকাথন বিজয়ী হিসেবে, নিবিড় তার কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের রোমাঞ্চকর যাত্রা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছে। তার বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে এসেছে—
কোয়ান্টাম এরর কারেকশন (সারফেস কোড ও এফপিজিএ) এবং কোয়ান্টাম টেলিপ্রটেশন নিয়ে তার গবেষণার কাজ।
শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যৌথ গবেষণার অংশ হিসেবে কোয়ান্টাম রিংস ও ওপেনভিকিউএ হাব নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা।
প্রিন্সটনের মতো একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে, বিশ্বখ্যাত অধ্যাপক, গবেষক ও উদ্ভাবকদের সামনে নিজের কাজকে বড় পর্দায় প্রদর্শিত হতে দেখা সত্যিই এক অবিশ্বাস্য অনুভূতি। নিবিড় এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রিয় দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে নিজেকে ভীষণ সম্মানিত মনে করছে।
খুব শীঘ্রই নিবিড়ের এই অসাধারণ বক্তব্য ও প্রেজেন্টেশন প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। আমাদের গর্বের এই সন্তান নিবিড়ের জন্য রইল অজস্র শুভকামনা ও অভিনন্দন!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং ভাগ্য পরিবর্তনে বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণ মানুষের চলাচলকে সহজতর করা এবং গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
২৬ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার সাত নম্বর দাউদপুর ইউনিয়নের হালুয়াঘাট-কাঞ্চনডব সড়ক পাকাকরণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি যোগ করেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’ এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে স্থানীয় জনগণকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ