ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা জারি


দেশের ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা জারি

দেশের ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রদর্শনের জন্য বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাই আবহাওয়া অধিদপ্তর এই পূর্বাভাস দিয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া জানিয়েছেন, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে, যার সাথে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ অবস্থায়, এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাকে আনন্দময় ও কর্মমুখী করতে উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


শিক্ষাকে আনন্দময় ও কর্মমুখী করতে উদ্যোগ

সরকারের উদ্যোগে দেশের নতুন প্রজন্মকে মুখস্থনির্ভর পড়াশোনার গ-িণ্ড থেকে বের করে দক্ষ, চিন্তাশীল এবং পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে 'স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেজিং' মহোৎসব। পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় শিক্ষাঙ্গনে পাঁচ কোটি দেশীয় গাছের চারা রোপণের জন্য সবুজায়ন মহাযজ্ঞ শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৮ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত সেরা ১০০টি দলের বিজ্ঞান প্রজেক্ট প্রদর্শনী এবং একযোগে ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগ দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক অর্জন করতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

নতুন এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বছরের ১২ জুন থেকে দেশজুড়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এই মেগা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। মাউশির 'এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)' এবং 'লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন' (লেইস) প্রকল্পের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস’কে বলেন, ‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে গঠনমূলক সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে চাই। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়াগুলো থেকে স্থানীয় অনেক সমস্যা স্থানীয়ভাবেই সমাধান করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্টার্টআপের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টির পথ উন্মোচিত হবে।’

বৃক্ষরোপণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় শিক্ষার্থীরাই অগ্রসৈনিক হিসেবে কাজ করতে পারে। তারা আগামীতে জলবায়ু মোকাবিলার মূল হাতিয়ার হবে। সে কারণে সব কর্মসূচি শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক করা হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য আগামীদিনের প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মাঝে জলবায়ু সচেতনতা তৈরি করা, যাতে তারা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উপযুক্ত অংশীদার হয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।’

মাউশির ইইএসএস স্কিম জানায়, জাতীয় এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রতি দলে ৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। গত ১২ জুন দেশের সব উপজেলা ও থানায় একযোগে এই শোকেজিং প্রোগ্রাম শেষ হয়েছে। এই পর্যায় থেকে বাছাইকৃত সেরা দলগুলো গত রোববার জেলা পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। তারা তাদের স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট বা ইনোভেশন আইডিয়া শোকেজিং করেছে।

জেলা ও মহানগর পর্যায় থেকে নির্বাচিত দলগুলো নিয়ে আগামী ২৭ জুন ঢাকায় চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বে তৃণমূল থেকে নির্বাচিত ১০০টি দল অংশ নেবে। ২৮ জুন রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেবেন।

মাউশি আরও জানায়, জাতীয় পর্যায়ে প্রজেক্ট প্রদর্শনকারী দলগুলোর মধ্যে থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সেরা ১০টি দলকে ট্রফি দেওয়া হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে আকর্ষণীয় আর্থিক পুরস্কার ও সনদপত্র দেওয়া হবে।

ইইএসএস স্কিম জানায়, শিক্ষকদের আধুনিক ও প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতিতে মেন্টরিংয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ নির্বাচিত শিক্ষকেরা পুরস্কার হিসেবে পাবেন ৩০ হাজার টাকা এবং একটি সনদপত্র। মনোনীত শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীল উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০ হাজার টাকা এবং একটি যোগ্যতা সনদপত্র পাবে।

এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)-এর পরিচালক প্রফেসর মো. তোফাজ্জেল হোসেন বাসস'কে জানান, গত ১২ জুন উপজেলা পর্যায়ের এবং ১৪ জুন জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত সেরা ১০০টি দল নিয়ে আগামী ২৭ জুন ঢাকায় চূড়ান্ত মূল্যায়ন পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এদিন বিচারকগণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে বিজয়ী দলগুলো নির্বাচন করবেন। পরের দিন ২৮ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা এবং পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে জীবনমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করা, মৌলিক মূল্যবোধ সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া এবং জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই এই স্কিমের প্রধান উদ্দেশ্য। এর বাইরে শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রযুক্তিভিত্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা নিশ্চিত করা, ‘আনন্দের সাথে শিক্ষা’ বা ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নিশ্চিত করা, সু-শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিভাবান শিক্ষক তৈরি করা, সুপ্ত প্রতিভার বিকাশের পথ উন্মুক্ত করা এবং সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণাত্মক চিন্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া।

শুরু হচ্ছে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি

এদিকে শোকেজিং কর্মসূচির পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাঙ্গনে শুরু হতে যাচ্ছে সবুজায়ন মহাযজ্ঞ। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ হিসেবে ‘লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে পাঁচ কোটি দেশীয় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মাউশি লেইস প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি শিশুকে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এই কর্মসূচিতে আম, জাম, কাঁঠাল, নিম ও অর্জুনের মতো দেশীয় গাছকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

মাউশির জনায়, আগামী ২৮ জুন দেশের ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদ্রাসাসহ মোট ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের মূল ক্যাম্পাসে একটি গাছ রোপণ করবেন এবং ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দেশজুড়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে সেই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

লেইস প্রকল্পের পরিচালক প্রফেসর মো. আসাদুজ্জামান বাসস’কে জানান, দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি একযোগে সারাদেশে সম্প্রচার করা হবে। এর মধ্যে দেশের ১০০টি বিশেষ সেন্টারে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা থাকছে। প্রধানমন্ত্রী চাইলে সরাসরি মাঠপর্যায়ের যেকোনো সেন্টরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, 'উদ্বোধনের দিন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম তিনটি করে গাছ লাগানো হবে। যার মধ্যে একটি ফলদ ও একটি বনজ গাছ থাকবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি সম্পন্ন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঙ্গোকে হতাশ করে পর্তুগালের জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


কঙ্গোকে হতাশ করে পর্তুগালের জয়

ইবোলা মহামারির বিপদের মধ্যেও এবং চরম সংকটের পরিবেশের মাঝে বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ারে ভেসে উঠেছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ফুটবল পরাশক্তি পর্তুগালের বিরুদ্ধে ইয়োয়ান উইসার সমতাসূচক গোল দিয়ে দেশটিকে এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং একঝাঁক তারকা সমৃদ্ধ শক্তিশালী পর্তুগালের বিপক্ষে পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার পর কঙ্গোর রাজপথ রূপ নেয় উৎসবের নগরীতে। এমনকি ইবোলা মহামারীর সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় থাকা দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়াতেও মানুষ সাময়িক সময়ের জন্য সব দুঃখ ভুলে উল্লাসে মেতে ওঠে।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় যে ১৯৭৪ বিশ্বকাপে 'জায়ার' নামে অংশ নিয়েছিল ডিআর কঙ্গো। তবে সেবার তারা কোনো গোল করতে না পারার পাশাপাশি ১৪টি গোল হজম করেছিল। তবে এবারের গোলটি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা উইসারের জন্য বিশ্বমঞ্চে প্রথম গোলের স্বাদ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম পয়েন্টও এনে দেয়। ম্যাচের আগে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করছিলেন কঙ্গো কত গোলে হারবে, কিন্তু ম্যাচ শেষে ডিআর কঙ্গোর ফরাসি কোচ সেবাস্টিয়ান দেসাব্রে গর্বিত কণ্ঠে জানান যে ছেলেরা কঙ্গোকে বিশ্বমঞ্চে দারুণভাবে তুলে ধরেছে এবং পুরো দেশের মানুষের এই আনন্দ প্রাপ্য ছিল।

কোচের এই কথার সত্যতা সবচেয়ে বেশি সমর্থিত হয়েছে বুনিয়াতে, যেখানে কঙ্গোর ইবোলা মহামারীর কেন্দ্রস্থল। সর্বশেষ সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কঙ্গো এবং উগান্ডা মিলিয়ে ৮৩৭ জন এই রক্তক্ষরণকারী জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১৯৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে বুনিয়াতে ২১৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই চরম সংকটের মধ্যেও টেলিভিশনের সামনে বিশ্বকাপ দেখাটাই ছিল বুনিয়াবাসীর জন্য একমাত্র মানসিক স্বস্তি। উইসারের গোলের পর জীর্ণ দোকানগুলোর সামনে জটলা পাকানো তরুণরা দুই হাত উঁচিয়ে লাফাতে শুরু করে এবং রাজপথে মোটরবাইকের নানা কসরত ও তীব্র হর্নের আওয়াজে মুহূর্তেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ।

ইবোলার সংক্রমণ ঠেকাতে মে মাসের শেষদিকে প্রশাসন যেকোনো জমায়েতে সর্বোচ্চ ৫০ জনের সীমা বেঁধে দিয়েছিল। কিন্তু এই ঐতিহাসিক আনন্দের দিনে বারের উপচে পড়া ভিড়ের সামনে সেই নিয়ম খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। উচ্ছ্বসিত স্থানীয় অধিবাসী আন্তোয়ানেত মাকাসি বার্তা সংস্থা এএফপি-কে বলেন, "নিজের দেশের পক্ষে গলা ফাটাতে পারাটা একটা গর্বের বিষয়।" তবে সামাজিক দূরত্বের বালাই না থাকার কারণে কিছুটা শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি আরো যোগ করেন, "ম্যাচ শেষে বাড়ি ফিরেই আগে নিজেকে ভালোমতো জীবাণুমুক্ত করতে হবে।" সবমিলিয়ে মহামারি এবং মৃত্যুর ভীতির মাঝেও ফুটবল যেন কঙ্গোবাসীকে ফিরিয়ে দিয়েছে বেঁচে থাকার অনাবিল আনন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিডিং রুমের কাজ এখনও শেষ হয়নি, ফের টিভি স্থাপন, ক্ষুব্ধ বেরোবি শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসফিকুল হাসান,বেরোবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


রিডিং রুমের কাজ এখনও শেষ হয়নি, ফের টিভি স্থাপন, ক্ষুব্ধ বেরোবি শিক্ষার্থীরা

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুখতার ইলাহী হলে রিডিং রুম তৈরির কাজ চলমান থাকা অবস্থায় একই কক্ষে পুনরায় টেলিভিশন স্থাপন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্তমানে হলের একমাত্র রিডিং রুমটি আবাসিক শিক্ষার্থীদের তুলনায় অত্যন্ত ছোট। দীর্ঘদিন ধরে তারা বড় আকারের টিভি রুমটিকে রিডিং রুমে এবং বর্তমান রিডিং রুমটিকে টিভি রুম হিসেবে ব্যবহার করার দাবি জানিয়ে আসছেন।

এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় দুই মাস আগে টিভি রুমকে রিডিং রুমে রূপান্তরের কাজ শুরু হলেও এখনো তা সম্পন্ন হয়নি।

আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, ঈদুল আজহার ছুটির আগে কক্ষটির অধিকাংশ সংস্কারকাজ শেষ হলেও টেবিল-চেয়ার স্থাপনের কাজ বাকি ছিল। ঈদের ছুটির পর কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও হল খুলতেই সেখানে আবার টেলিভিশন স্থাপন করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরের খেলা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক মাঠে বড় এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থী মাঠে বসেই খেলা উপভোগ করেন। এ অবস্থায় হলে আলাদা টিভি রুমের চেয়ে একটি আধুনিক ও প্রশস্ত রিডিং রুমের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, “ঈদের לפני টিভি রুমকে রিডিং রুমে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছিল। অধিকাংশ কাজ শেষ হলেও টেবিল-চেয়ার স্থাপন বাকি ছিল। ঈদের পর সেটি সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও অফিস খোলার দিনই সেখানে আবার টিভি বসানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো আলোচনার ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমরা হতাশ।”

আরেক শিক্ষার্থী গোলাম রহমান শওন বলেন, “বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, কিছু শিক্ষার্থীর অনুরোধে আসন্ন বিশ্বকাপ উপলক্ষে সাময়িকভাবে টিভি স্থাপন করা হয়েছে। তবে রিডিং রুমের চেয়ার-টেবিলের কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্রায় ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।”

এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, “এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে অফিসে এসে দেখা করতে হবে। তখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলা যাবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৫ এম


মুন্সীগঞ্জে ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে সোহেল মুন্সী (৩৯) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তরা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যার পরে তারা নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এই ঘটনার সময় রাত আনুমানিক ২টার দিকে বুধবার (১৮ জুন) দিবাগত রাত উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে ঘটে।

নিহত সোহেল মুন্সী ওই গ্রামের মৃত ইসমাইল মুন্সীর ছেলে বলে জানা যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, সোহেল মুন্সী তার বসতবাড়ির পূর্ব পাশের ঘরে একাই ঘুমাতে গিয়েছিলেন। তার স্ত্রী নুপুর বেগম কিছুদিন আগে সন্তান প্রসব করায়, তিনি শাশুড়ি সেফালি বেগমের সঙ্গে পাশের অন্য একটি ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন।

রাত ২টার দিকে আকস্মিক একটি শব্দ শুনতে পেয়ে সোহেল মুন্সীর মা ও স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠে। তারা যখন ঘর থেকে বের হয়ে আসে, তখন দেখতে পায়, উঠানের মধ্যে সোহেল মুন্সীর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি দাউদাউ করে জ্বলছে এবং পাশে সোহেল মুন্সীর রক্তাক্ত নিথর দেহ রয়েছে। তাদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। তবে দুর্বৃত্তরা এর আগেই পালিয়ে যায়।

দুষ্কৃতিকারীরা সোহেলকে ঘুম থেকে ডেকে আপনার জাতির চিত্রায় বাইরে এনে বাড়ির উঠানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের গভীর কাটা জখম ও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন বলেন, অপরাধীদের গ্রেফতার এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের টিম কাজ করছে। পুলিশর কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে নেমেছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%