আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১:২৩ পি.এম
‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে মধুপুর উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা চত্বরে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মধুপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার, সিনিয়র সহসভাপতি এম. রতন হায়দার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুজ্জামান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সোহানা বিলকিস, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মহিউদ্দিন আহমাদ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উজ্জ্বল বৈরাগী, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী ও মৎস্যচাষিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাশয়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং মাছ চাষে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে মাছ শিকার ও দেশীয় মাছের প্রজননক্ষেত্র ধ্বংসের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
পরে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও সফল দুইজন মৎস্যচাষির মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি মৎস্যচাষি ও সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনই সরকারের লক্ষ্য। যে কাজ করলে মানুষের উপকার হবে, সরকার সে কাজই করতে চায়।’
রবিবার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এমন কথা শোনা যায়।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করবে না সরকার। সরকারের কাজ হবে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জনগণের কল্যাণকে সামনে রেখে।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘যারা দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের শান্তি রক্ষার স্বার্থে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে দেশের সব খালে মাছের পোনা ছাড়া হবে। এর মাধ্যমে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জন্য মাছের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
কৃষকদের প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, ‘সামর্থ্য অনুযায়ী সরকার কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে।’ কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
নারী শিক্ষা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নারী সমাজকে এগিয়ে নিতে স্নাতক পর্যন্ত নারী শিক্ষা ফ্রি করা হবে। যেসব মেয়ে ভালো ফলাফল করবে, তাদের উপবৃত্তি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সারা দেশে দরিদ্র ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ প্রদান করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) পোশাক কারখানায় দ্রুত সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে তাগিদ দিয়েছে।
রবিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিকার্বোনাইজেশন ইন দ্য আরএমজি সেক্টর : হাউ টু টেক ইট ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক সেমিনারে সিপিডির একটি বিশ্লেষণমূলক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়েছিল।
এ গবেষণায় বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের আসন্ন কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম) এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর ডিকার্বোনাইজেশন লক্ষ্যমাত্রার কারণে বাংলাদেশের পোশাক উৎপাদকদের স্বল্প-কার্বনভিত্তিক উৎপাদনে অগ্রসর হতে হবে।
সিপিডির গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই রূপান্তরকে টেকসই করতে নীতিগত ও প্রযুক্তিগত সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি শিল্প কারখানাগুলোকে সহজ শর্তে সবুজ অর্থায়নের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থায়ন পাওয়ার উদ্যোগ জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।
কারখানায় প্রতিদিনের কার্বন নিঃসরণ পরিমাপ ও বিশ্লেষণের জন্য আধুনিক ডাটা ট্র্যাকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে কারখানাগুলো নিজেদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা বুঝতে পারবে এবং কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে।
গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি পোশাক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর সুযোগ, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
গবেষণায় বলা হয়েছে, তৈরি পোশাক শিল্পে বিভিন্ন ধাপে কার্বন নিঃসরণের প্রধান উৎস রয়েছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ডাইং, উইভিং, ওয়াশিং ও ফিনিশিংয়ের মতো প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ তাপ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে বেশি কার্বন নিঃসরণ হয়।
এ ছাড়া পুরনো বয়লার, প্রাকৃতিক গ্যাসচালিত জেনারেটর এবং বিদেশ থেকে তুলা ও রাসায়নিক কাঁচামাল পরিবহনের কারণেও কার্বন ফুটপ্রিন্ট বাড়ছে। তবে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। পরিবেশবান্ধব বা লিড সার্টিফায়েড গ্রিন ফ্যাক্টরির সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শক্তিশালী স্বাগতিকদের কাঁপিয়ে টাইগারদের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে পুরো দেশ উল্লাসে ভেসেছে। ডারউইনে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের এমন দাপুটে ও ঐতিহাসিক জয় দেখে সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা তাঁর আবেগ চেপে রাখতে পারেননি।
বাংলাদেশ দলের ক্রিকেট ইতিহাসের এই অনন্য অর্জনকে তিনি তাঁর দেখা টেস্টের সর্বকালের অন্যতম সেরা জয় হিসেবে চিহ্নিত করেন।
ডারউইনে অজিদের বিপক্ষে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের একচ্ছত্র আধিপত্য ও জয় লাভের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি একটি আবেগঘন পোস্ট দেন। সেখানে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সাবেক এই দলপতি লিখেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেট, তুমি সুন্দর। আর বাংলাদেশ জিতলে তো আরো সুন্দর!’
তিনি পুরো ম্যাচে ব্যক্তিগত ও দলগত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে আরো যোগ করেন, ‘কার কথা বলব—হাসান, তামিম, মিরাজ, শান্ত—অবিশ্বাস্য! গোটা দলকে আন্তরিক অভিনন্দন।’
ঘরের মাঠে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়াকে ধরাশায়ী করার এই মহাকাব্যিক জয়কে আলাদা উচ্চতায় রেখে মাশরাফি বলেন, ‘পুরো শক্তির মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে তাদের নিজেদের মাটিতে হারানো—আমার দেখা টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়।’
ডারউইনে প্রথম টেস্টেই বাংলাদেশের এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে স্বাগতিক অজিদের বিপক্ষে সফরকারী বাংলাদেশ সিরিজ হারছে না, এটি নিশ্চিত। সাবেক এই অধিনায়ক আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সিরিজ হারছে না, এটা নিশ্চিত। জয়ী হবে কি না, সময়ই বলে দেবে।’
ম্যাচের পুরো চার দিনজুড়ে অজিদের ওপর লাল-সবুজের ক্রিকেটীয় রাজত্ব উপভোগ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে মাশরাফি বলেন, ‘তবে এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রতিটি সেশনে বাংলাদেশের আধিপত্য এবং শেষে জয় দেখতে পেরে নিজেকে সত্যিই সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে।’
স্ট্যাটাসের একদম শেষ লাইনে তিনি স্বদেশের প্রতি তাঁর গভীর অনুভূতি প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন করা হয়েছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলা সদরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ হলরুমে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাইসুল ইসলাম, কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ আরমান হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম মিয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসাইন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাফিউল আজম (ভিপি দুলাল), উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ ইমরান ফারুক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এনায়েত হোসেন মন্টু, ক্ষুদ্র মৎস্য সমিতির সদস্য সাইদুল ইসলাম, মৎস্য চাষী জলিল হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারি বিধিবিধান মেনে চলার পাশাপাশি অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “মৎস্য আমাদের দেশের অর্থনীতি ও মানুষের পুষ্টির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। কাউখালীতে মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নদী-খাল ও জলাশয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চললে মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে।
উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, “জাতীয় মৎস্য পক্ষের মূল উদ্দেশ্য হলো মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা। কাউখালীতে মৎস্য চাষ ও উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। মৎস্যজীবী ও চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সরকারি পরামর্শ অনুযায়ী মাছ চাষের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “নদী-খালে অবৈধ জাল ব্যবহার ও মা মাছ নিধন বন্ধে মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসন, মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
আলোচনা সভা শেষে মৎস্যক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মৎস্যজীবী ও মৎস্যচাষী অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ