প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) পোশাক কারখানায় দ্রুত সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে তাগিদ দিয়েছে।
রবিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিকার্বোনাইজেশন ইন দ্য আরএমজি সেক্টর : হাউ টু টেক ইট ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক সেমিনারে সিপিডির একটি বিশ্লেষণমূলক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়েছিল।
এ গবেষণায় বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের আসন্ন কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম) এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর ডিকার্বোনাইজেশন লক্ষ্যমাত্রার কারণে বাংলাদেশের পোশাক উৎপাদকদের স্বল্প-কার্বনভিত্তিক উৎপাদনে অগ্রসর হতে হবে।
সিপিডির গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই রূপান্তরকে টেকসই করতে নীতিগত ও প্রযুক্তিগত সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি শিল্প কারখানাগুলোকে সহজ শর্তে সবুজ অর্থায়নের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থায়ন পাওয়ার উদ্যোগ জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।
কারখানায় প্রতিদিনের কার্বন নিঃসরণ পরিমাপ ও বিশ্লেষণের জন্য আধুনিক ডাটা ট্র্যাকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে কারখানাগুলো নিজেদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা বুঝতে পারবে এবং কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে।
গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি পোশাক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর সুযোগ, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
গবেষণায় বলা হয়েছে, তৈরি পোশাক শিল্পে বিভিন্ন ধাপে কার্বন নিঃসরণের প্রধান উৎস রয়েছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ডাইং, উইভিং, ওয়াশিং ও ফিনিশিংয়ের মতো প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ তাপ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে বেশি কার্বন নিঃসরণ হয়।
এ ছাড়া পুরনো বয়লার, প্রাকৃতিক গ্যাসচালিত জেনারেটর এবং বিদেশ থেকে তুলা ও রাসায়নিক কাঁচামাল পরিবহনের কারণেও কার্বন ফুটপ্রিন্ট বাড়ছে। তবে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। পরিবেশবান্ধব বা লিড সার্টিফায়েড গ্রিন ফ্যাক্টরির সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন