মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৭:০৭ পি.এম
ব্রাজিল বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর দল বদলানো নিয়ে বন্ধুরা হাস্যরসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন ব্রাজিল সমর্থক সিক্ত।
বারবার ভিন্ন দলকে সমর্থন করায় বন্ধুরা তাকে মজা করে "১২ ভাতারি" বলে ডাকছেন।
সিক্তের দাবি, এসব ঠাট্টা-তামাশার কারণে তিনি নাকি ঠিকমতো বাড়ি থেকেও বের হতে পারেন না। তিনি বলেন, "কেউ কেউ তো আবার বলে আমি নাকি বাবা পাল্টাই!"
তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে সিক্ত বলেন, তিনি মূলত ব্রাজিলের সমর্থক ছিলেন। ব্রাজিল বিদায় নেওয়ার পর তিনি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে যে দল খেলেছে, সেই দলকেই সমর্থন করেছেন।
বন্ধুদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্রাজিল বিদায়ের পর সিক্ত একের পর এক নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে, চিলি, ইকুয়েডর, ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ বিভিন্ন দল এবং সর্বশেষ স্পেনকে সমর্থন করেছেন—শুধু আর্জেন্টিনার বিপক্ষে থাকার জন্য।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টেও বিষয়টি নিয়ে হাস্যরস করেন সিক্ত। তিনি লেখেন—"কালকে থেকে আমার মোবাইলে কিছু কিছু মানুষের ফোন বা মেসেজ আসে না। আবার আমি ফোন বা মেসেজ দিলে ধরে না বা সিনও করে না। মনে হয় মোবাইলেই সমস্যা! অভিজ্ঞদের পরামর্শ চাই।"
একই পোস্টে তিনি আরও লেখেন—"আর্জেন্টিনা সাপোর্টারদের কাছে আমার একটা রিকোয়েস্ট, প্লিজ কেউ কান্নাকাটি করবেন না। খেলায় হার-জিত থাকবেই। সবশেষে বিজয়ী দল স্পেনকে অনেক অনেক শুভকামনা ও অভিনন্দন।"
সিক্তের এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ মজা করে তাকে "বিশ্ব ফুটবলের ভ্রাম্যমাণ সমর্থক", আবার কেউ "১২ ভাতারি সাপোর্টার" বলেও মন্তব্য করছেন। তবে পুরো বিষয়টি বন্ধুদের মধ্যে হাসি-ঠাট্টার অংশ বলেই জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের মধ্যেই ইনেস গার্সিয়া সান্তোস, প্রেমিক লামিনে ইয়ামালকে একটি আবেগঘন বার্তা পাঠিয়েছেন। স্পেনের ঐতিহাসিক জয়টির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইয়ামালকে অভিনন্দন জানিয়ে এই বার্তা দেন ইনেস।
দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার সোমবার (২০ জুলাই) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া যায়।
ইনস্টাগ্রামে ইয়ামালের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ইনেস লেখেন, ‘তুমি পেরেছ। অভিনন্দন আমার ভালোবাসা, তুমি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।’
ইনেসের এই বার্তা প্রকাশ্যে আসার পর ইয়ামাল নিজের ভালোবাসা ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, ‘তোমাকে ভালোবাসি, আমার ভালোবাসা।’
স্পেন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। অতিরিক্ত সময়ে ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা গোলে জয় নিশ্চিত করে দলটি। এই ঐতিহাসিক জয়ের পরই ইনেসের আবেগঘন বার্তা ভক্তদের নজর কাড়ে।
পোস্টটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে ভক্তরা বিভিন্ন মন্তব্য করতে শুরু করেন। কেউ কেউ ইনেসকে স্পেনের ‘সৌভাগ্যের প্রতীক’ বলে উল্লেখ করেছেন। অনেকেই এই জুটিকে ‘বছরের সেরা জুটি’ হিসাবে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।
ইনেস এবং ইয়ামালের সম্পর্কের সূত্রপাত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে বলে জানা যায়। ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ইনফ্লুয়েন্সার ইনেস আগে জানিয়েছিলেন, তাদের সম্পর্কের পেছনে সিনেমার মতো কোনো গল্প নেই।
২০২৬ সালে এই জুটি নিজেদের সম্পর্কটা প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন।

বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠে ইয়ামালকে তার ভাই কেইনের সঙ্গেও আনন্দ করতে দেখা যায়। ব্যক্তিগত আনন্দ এবং দেশের ঐতিহাসিক সাফল্য—এই দুটি মিলিয়ে ইয়ামালের জন্য রাতটি বিশেষ হয়ে উঠেছে।
এদিকে, ১৯ বছর ৬ দিন বয়সে বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ—দুটি শিরোপা জেতার সুবাদে ইতিহাসের অন্যতম কনিষ্ঠ খেলোয়াড়দের তালিকায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন ইয়ামাল। এর আগে ২০২৪ সালে স্পেনের হয়ে ইউরো শিরোপা জিতেছিলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কয়েক মাস আগে প্লেব্যাক গাওয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন অরিজিৎ সিং। তবে এবার তার সেই সিদ্ধান্ত বদলেছে এবং তিনি আবারও বলিউডের সিনেমায় কণ্ঠ দিচ্ছেন। তার নতুন গান শোনা যাবে ‘আওয়ারাপন ২’ সিনেমায়।
ভারতীয় গণমাধ্যম পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটির প্রথম গান ‘ইয়ে আওয়ারাপন’-এ কণ্ঠ দিয়েছেন অরিজিৎ। গানটির সুর দিয়েছেন আমাল মালিক এবং এর কথা লিখেছেন রশ্মি-বিরাগ। এটি আগামী ২১ জুলাই বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিনেমাটির সৃজনশীল পরিচালক বিশেষ ভাট চেয়েছিলেন যে, প্রথম গানেই যেন ছবির মূল আবেগ ফুটে ওঠে। ইমরান হাশমি অভিনীত চরিত্র ‘শিবাম পাণ্ডিত’-এর অনুভূতি প্রকাশ করতে তিনি অরিজিৎ সিং-এর কণ্ঠকেই সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করেছেন।
অরিজিৎ সিং এবং বিশেষ ফিল্মসের একসঙ্গে কাজের ইতিহাসও বেশ পুরনো। তাদের প্রথম কাজ ছিল ‘মার্ডার ২’-এর ‘ফির মাহাব্বাত’ গান। এরপর তারা ‘আশিকি ২’-এর ‘তুম হি হো’, ‘সিটিলাইটস’-এর ‘মুস্কুরানে’, ‘খামোশিয়ান’, ‘হামারি আধুরি কাহানি’ এবং ‘জালেবি’ সিনেমার ‘পাল’-এর মতো বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন।
‘আওয়ারাপন ২’ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমরান হাশমি। তাঁর পাশাপাশি রয়েছেন দিশা পাটানি, শাবানা আজমি, সুরেন্দর ভিকি, বিজয়ন্ত কোহলি ও অতুল কুমার। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নীতিন কক্কর এবং প্রযোজনা করছেন বিশেষ ভাট। আগামী ১৪ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে অরিজিৎ সিং জানিয়েছিলেন যে, তিনি আর নতুন কোনো প্লেব্যাক গানে কণ্ঠ দেবেন না। তবে সেই ঘোষণার কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন সিনেমার গান দিয়ে তিনি আবারও ফিরছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাতনামা একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় এক নারী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার শ্রীনগর ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহ হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তিনি জানান, নিহত নারীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩২ বছর। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি ঢাকামুখী আরাম পরিবহনের একটি বাস থেকে নেমে এক্সপ্রেসওয়ে পার হওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঘটনাস্থল থেকে নিহতের একটি মোবাইল ফোন, নগদ এক হাজার টাকা ও একটি ব্যাগ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম মহাসড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলের সময় পথচারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি নিরাপদে সড়ক পারাপারের জন্য নির্ধারিত ফুটওভার ব্রিজ ও ফ্লাইওভার ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটেনের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, যেখানে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দেশের ৫৯তম সরকারপ্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।
রাজনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণের পর, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম তার প্রথম ভাষণে জীবনযাত্রার ব্যয়সংকট মোকাবেলায় আগামীকাল (২১ জুলাই ২০২৬) থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।
সোমবার (২০ জুলাই) ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে প্রবেশ করে জনগণের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে তিনি বলেন, এই পদক্ষেপগুলো সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির কারণ হবে।
ব্রিটেনের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, রাজা তৃতীয় চার্লস তাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। বাকিংহাম প্রাসাদে আনুষ্ঠানিকতার পর, বার্নহ্যাম ডাউনিং স্ট্রিটে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে বার্নহ্যাম, যিনি উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের কাছে 'কিং অব দ্য নর্থ' নামে পরিচিত, বলেন, ব্রিটেনের মানুষের মধ্যে পরিবর্তন, স্থিতিশীলতা এবং নতুন আশার প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন দূরে রেখে দেশের মানুষের আস্থা পুনর্গঠন, অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই হবে তাঁর সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
এছাড়াও তিনি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বার্নহ্যাম বলেন, দেশের উন্নয়ন কেবল রাজধানীকেন্দ্রিক হতে পারে না; যুক্তরাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে।
তাঁর ভাষায়, জনগণের আস্থা অর্জনই হবে নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করবেন। তিনি গৃহহীনতা কমানো, আবাসন নির্মাণ, শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ারও ঘোষণা দেন।
অন্যদিকে, দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছাড়েন স্যার কিয়ার স্টারমার। বিদায়ি বক্তব্যে তিনি দেশ ও দলের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন পর লেবার পার্টিকে সরকারে ফিরিয়ে আনাকে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।
সাথে তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থে তাঁর সফলতা কামনা করেন।
বার্নহ্যামের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য কোনো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। যুক্তরাজ্যের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা পরিবর্তিত হলে সেই নেতাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ব্রিটেনের নেতৃত্বে এলেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।
অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি এবং অর্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জাতীয় রাজনীতিতে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তোলেন।
বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়, উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তাঁর দৃढ़ অবস্থান ও আঞ্চলিক উন্নয়নের দাবিতে ধারাবাহিক ভূমিকা তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। সেই সময় থেকেই, রাজনৈতিক মহলে তিনি 'কিং অব দ্য নর্থ' নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
স্থানীয় সরকারকে আরো ক্ষমতায়ন, আঞ্চলিক বৈষম্য কমানো এবং উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নকে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহ্যামের নেতৃত্বে ব্রিটেনের রাজনীতিতে আঞ্চলিক উন্নয়ন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্যের প্রশ্নটি আরও বেশি গুরুত্ব পাবে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর ইংল্যান্ডের উন্নয়ন নিয়ে সোচ্চার এই নেতা, বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে সেই দর্শন বাস্তবায়নের সুযোগ পেলেন। ফলে, তাঁর নেতৃত্বে লেবার সরকারের নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারকে আরো কার্যকর ভূমিকা দেওয়ার উদ্যোগ জোরালো হতে পারে।
ব্রিটেনের রাজনীতিতে এই নেতৃত্ব পরিবর্তন কেবল একজন প্রধানমন্ত্রীর বিদায় ও আরেকজনের দায়িত্ব গ্রহণ নয়; এটি নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, নতুন প্রত্যাশা এবং নতুন নেতৃত্বের সূচনা। এখন সকলের নজর থাকবে—উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের আস্থার প্রতীক 'কিং অব দ্য নর্থ' জাতীয় নেতৃত্বেও সেই আস্থা কতটা ধরে রাখতে সক্ষম হন এবং পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবে কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ