ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা


গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজীপুর মহানগরের সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মাওলানা ফজলুর রহমানকে আগামী গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

দলটির আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের পক্ষে এ ঘোষণা দিয়েছেন দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

মাওলানা ফজলুর রহমান বর্তমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি জামিয়া খালিকিয়্যাহ দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস হিসেবে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণে আইন প্রয়োগ একাই যথেষ্ট নয়। স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সক্রিয় অংশগ্রহণও একইভাবে প্রয়োজন।

আজ চট্টগ্রামের রাউজানে হালদা নদীর তীরবর্তী ছাত্তারঘাট এলাকায় হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় পর্যায়)-এর আওতায় মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, হালদা নদী রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি নদী তীরবর্তী জনগণের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে হালদা তীরবর্তী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করছে। নতুন প্রকল্পের আওতায় এলাকার শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টাও করা হবে।

এছাড়া, হালদা নদীতে মাছের পোনা আহরণকারীদের খুব শিগগিরই স্পিডবোট বিতরণ করা হবে। তবে এই সহায়তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক এবং কোনো অবস্থাতেই অবৈধভাবে মা-মাছ বা মাছের পোনা আহরণ করা চলবে না।

মন্ত্রী বলেন, কৃষি সেচের সুবিধার্থে নির্মিত বিভিন্ন স্লুইসগেট বর্তমানে হালদা নদীতে মাছের স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইভাবে সেচের প্রয়োজনে যেখানে রাবার ড্যাম নির্মাণ অনিবার্য, সেখানে বিকল্প হিসেবে সেচ পাম্প সরবরাহের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষি সেচের পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে খাল খনন কর্মসূচি করেছিলেন। বর্তমান সরকারও কৃষকবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের লক্ষ্য হলো প্রান্তিক জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বিশেষ করে হালদা নদী তীরবর্তী জনগণের জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যেও সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, মৎস্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. রাহাতুল ইসলাম, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা আক্তার এবং রাউজানের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন ফাহিম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় পর্যায়)-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। একইসাথে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী অঞ্চলের ডিম সংগ্রহকারী শফিউল আলম এবং রাউজান অঞ্চলের ডিম সংগ্রহকারী দলের প্রতিনিধি রোসঙ্গী আলম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাসিকের প্রকৌশল বিভাগের অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


রাসিকের প্রকৌশল বিভাগের অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে নগর ভবনে সরিৎ দত্ত গুপ্ত নগর সভা কক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে প্রত্যেককে নিজ নিজ অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোন অবহেলা করা যাবে না। ভালো কাজের জন্য রয়েছে পুরস্কার।

রাসিক প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনরাত পরিশ্রম করেছেন এ দেশটাকে এগিয়ে নিতে। তিনি আমাকে এ মহানগরীর উন্নয়নে কাজ করার দায়িত্ব প্রদান করেছেন। আপনাদের সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়ন করতে চাই।

তিনি আরো বলেন, নাগরিক সেবার এ প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। আপনাদের সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগামী ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে এ নগরী হয়ে উঠবে দেশের অন্যতম সুন্দর নগরী।

তিনি আরও বলেন, নতুন নতুন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ণে আপনাদের ভূমিকা অপরিসীম। নাগরিক বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে ওয়ার্ড পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে আগামীতে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও দায়িত্বশীল হবার পরামর্শ প্রদান করেন তিনি।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় রাজশাহী মহানগরীতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের সার্বিক তথ্য চিত্র উপস্থাপন করেন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ। সভায় রাসিকের প্রকৌশল বিভাগের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানিতে কট্টর ডানপন্থী এএফডির সম্মেলন অনুষ্ঠিত গণবিক্ষোভ সত্ত্বেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


জার্মানিতে কট্টর ডানপন্থী এএফডির সম্মেলন অনুষ্ঠিত গণবিক্ষোভ সত্ত্বেও

জার্মানির কট্টর ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)’র সম্মেলন ঠেকাতে শনিবার হাজারো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়ে প্রধান সড়ক অবরোধ নিশ্চিত করে এবং গণপরিবহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটালেও শেষ পর্যন্ত দলটির কংগ্রেস বন্ধ করা যায়নি।

জার্মানির এরফুর্ট থেকে এএফপি জানায়, বিক্ষোভকারীরা অবরোধ গড়ে তোলার আগেই এএফডির অনেক প্রতিনিধি ভোরে এরফুর্টের সম্মেলনকেন্দ্রে পৌঁছে যান। নির্ধারিত সময়েই সম্মেলন শুরু হয় ও কর্মসূচির মাধ্যমে পরিস্থিতি আগেই শুরু হয়েছিল।

দেশজুড়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিক্ষোভকারীরা মূলত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা জাতীয় জনমত জরিপে শীর্ষে থাকা দলটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পুলিশের হিসাবে প্রায় ৩১ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন, যদিও আয়োজকদের দাবি এ সংখ্যা অন্তত ৫০ হাজার।

তারা পূর্বাঞ্চলীয় থুরিঙ্গিয়া রাজ্যের রাজধানী এরফুর্টে প্রবেশের একাধিক সড়ক অবরোধ করেন। কিছু বিক্ষোভকারী মোটরওয়ে সেতু থেকে দড়ি বেয়ে নিচে নেমে বিক্ষোভে অংশ নেন। এএফপির সাংবাদিকদের তথ্যমতে, কয়েকটি সংগঠন শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করে।

শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, বাস ও ট্রাম চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে এবং অনেকেরই অসুবিধা হয়।

পূর্বাঞ্চলীয় শহর গেরা থেকে আসা ১৯ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী লেনে ক্রুগ এএফপিকে বলেন, ‘ডানপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ার বিরুদ্ধে একটি বার্তা দেওয়া জরুরি।’

তার ভাষায়, ‘এএফডি একটি গণতন্ত্রবিরোধী দল, যারা ঘৃণা ছড়ায়।’ এলা নামে আরেক বিক্ষোভকারী ট্রামলাইনে নিজেদের আটকে দেওয়া একটি দলের সদস্য ছিলেন।

৪৪ বছর বয়সী এ বিক্ষোভকারী, যিনি শুধু নিজের প্রথম নাম প্রকাশ করেন, বলেন, ‘১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সালের সময় আর কখনো ফিরে আসতে দেওয়া যাবে না।’ তিনি নাৎসি শাসনামলের প্রতি ইঙ্গিত করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দলগুলোকে বুঝতে হবে, এএফডির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন।’

দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে সম্মেলনকেন্দ্রের দিকে মিছিল করেন। দুই দিনের এ সম্মেলন ঘিরে কয়েক হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সহিংসতার আশঙ্কা থাকলেও অধিকাংশ বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে পুলিশ মরিচের স্প্রে ব্যবহার করেছে বলে জানানো হয়েছে।

নাৎসি অতীতের কারণে জার্মানির অনেক মানুষ মনে করেন, কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার তাদের বিশেষ নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে।

সমালোচকদের মতে, নাৎসিদের একটি ঐতিহাসিক সম্মেলনের ১০০ বছর পূর্তিতে কাছাকাছি ভাইমারে স্মরণীয় সেই সময়ের সঙ্গে মিল রেখে এরফুর্টে এএফডির সম্মেলন আয়োজন ছিল ইচ্ছাকৃত উসকানি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে দলটি।

এএফডির সহসভাপতি আলিস ভাইডেল বলেন, দলটি গণতন্ত্রবিরোধী- এ অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি সম্মেলনে বলেন, ‘আমরাই জার্মানির নতুন গণমানুষের দল।’ তিনি আরও বলেন, ‘এএফডি দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত। কারণ আমরা, জার্মান জনগণ এবং জার্মানি সুশাসনের যোগ্য।’

সাবেক পূর্ব জার্মানির রাজ্যগুলোতে আসন্ন নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে দলটি।

জরিপে দেখা যাচ্ছে, সেপ্টেম্বরে স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যের নির্বাচনে দলটি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে। জাতীয় পর্যায়েও গত বছরের নির্বাচনের পর থেকে দলটি জনমত জরিপে শীর্ষে বা শীর্ষের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। ওই নির্বাচনে দলটি ২০ শতাংশ ভোট পেয়ে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মেরৎসের মধ্য-ডানপন্থী সিডিইউ/সিএসইউ জোটের পর দ্বিতীয় হয়েছিল।

পুনর্নির্বাচিত হলেন দুই সহসভাপতি। এএফডির আরেক সহসভাপতি টিনো ক্রুপাল্লাও ভাইডেলের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে বলেন, ‘হয়তো খুব শিগগিরই আমরা একাই সরকার গঠন করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের দলীয় সম্মেলন বন্ধ করতে চেয়েছিল, সেই গণতন্ত্রবিরোধীদের জন্য সেটিই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত জবাব।’ প্রত্যাশামতো ভাইডেল ও ক্রুপাল্লা আরও দুই বছরের জন্য দলের সহসভাপতি হিসেবে পুনর্র্নিবাচিত হয়েছেন।

ভাইডেল ৮১ শতাংশ এবং ক্রুপাল্লা ৭০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। দুই বছর আগের নির্বাচনের তুলনায় এবার তাদের প্রাপ্ত ভোটের অবস্থান উল্টে গেছে; তখন ক্রুপাল্লা বেশি ভোট পেয়েছিলেন।

চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস এএফডির উত্থান ঠেকানোকে নিজের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এএফডিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে অন্য সব দল তাদের সঙ্গে জোট করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এএফডির দাবি, সাবেক চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেল এক দশক আগে বিপুলসংখ্যক শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীকে জার্মানিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আগে খ্রিস্টীয় গণতান্ত্রিক দল যে রক্ষণশীল অবস্থান ধারণ করত, তারা এখন সেই রাজনৈতিক অবস্থানই প্রতিনিধিত্ব করছে।

তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডির কিছু নেতা নাৎসি অপরাধকে খাটো করে দেখেন এবং নিষিদ্ধ কট্টর ডানপন্থী উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।

দলের সবচেয়ে কট্টরপন্থী নেতাদের একজন বিয়র্ন হ্যোকে এ সম্মেলনে এএফডির তথাকথিত ‘অসামঞ্জস্য তালিকা’ সংশোধনের একটি বিতর্কিত প্রস্তাব তুলেছিলেন। এ তালিকায় উল্লেখ রয়েছে, কোন কোন উগ্রপন্থী সংগঠনের সদস্য হলে এএফডির সদস্য থাকা যাবে না।

তবে দলীয় নেতৃত্বের চাপের মুখে হ্যোকে শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করেন। যদিও ভাইডেল ঘোষণা দেন, আগামী এক বছরের মধ্যে তালিকাটি পুনর্বিবেচনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেইমার পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত: আনচেলত্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


নেইমার পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত: আনচেলত্তি

চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার ঠিক আগমুহূর্তে ব্রাজিল শিবিরে এসেছে দারুণ এক সুখবর। সেলেসাওদের প্রধান তারকা নেইমার জুনিয়র এখন পুরোপুরি ফিট এবং ম্যাচটিতে পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত বলে নিশ্চিত করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ব্রাজিলের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘ফোলিয়া দে সঁ পাওলো’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি নেইমারের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেন। ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের ফিটনেস নিয়ে জানতে চাওয়া হলে আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দেন, ‘হ্যাঁ, ও পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্যই তৈরি।’

বিশ্বকাপের ম্যাচে পুরোটা সময় খেলার জন্য নেইমার নিজে যেমন মরিয়া হয়ে আছেন, তেমনি চোট কাটিয়ে ফেরার পুরো সময়টাতে তার একাগ্রতা ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতা ছিল সত্যিই চোখে পড়ার মতো। নেইমারের ভেতরের জেদটা লুকাতে চাননি আনচেলত্তি, তবে তার পেশাদারিত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন এই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড।

সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচ আরও বলেন, ‘পুরো সময় খেলতে না পেরে ও যে খুব একটা খুশি, তা নয়; কিন্তু ওর আচরণ এক্কেবারে নিখুঁত। মাঠের ভেতরে ওর ফুটবলীয় স্কিল যেমন দুর্দান্ত, মাঠের বাইরে মানুষ হিসেবেও ও তেমনি বিনয়ী। দলের সবার কাছে ভীষণ জনপ্রিয় নেইমার আমাদের জন্য মস্ত বড় এক সম্পদ।’

জাপানের বিপক্ষে জয় দিয়ে ব্রাজিল শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করলেও, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির সেই জয়সূচক গোলের পর ডাগআউটে আনচেলত্তিকে কেন খুব একটা উল্লাস করতে দেখা যায়নি সেই রহস্যের জটও এবার খুললেন সেলেসাও বস। কেবল নিজের শারীরিক কন্ডিশনই নয়, ম্যাচ শেষ হওয়ার শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত মনোযোগ ধরে রাখতেই তার এই শান্ত থাকা।

৬৬ বছর বয়সী আনচেলত্তি বলেন, ‘আমার কাছে খেলা শেষ বাঁশি বাজার আগে শেষ হয় না। মার্তিনেল্লি গোল করার পরও ম্যাচে কয়েক মিনিট বাকি ছিল। ক্যারিয়ারে এমন অভিজ্ঞতা অনেক আছে, যেখানে জিতে গেছি ভেবে নিশ্চিন্ত ছিলাম কিন্তু শেষ মুহূর্তে ম্যাচ হাত ফসকে গেছে। তাই আমি জয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শান্ত থাকি।’

নকআউট পর্বে নরওয়ের বিপক্ষে লড়াইকে অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে দেখছেন সেলেসাও বস। প্রতিপক্ষ নরওয়ের ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি তাদের তারকা আর্লিং হালান্ডকে নিয়েও শিষ্যদের সতর্ক করেছেন তিনি। আনচেলত্তি বলেন, ‘নরওয়ে ভীষণ গোছানো একটা দল, ওদের বেশ কিছু বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। বিশেষ করে হালান্ড এই মুহূর্তে বিশ্বসেরাদের একজন। তাই ম্যাচটা যে কঠিন হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী যে নিজেদের সেরা ফুটবলটা খেলে আমরাই মাঠ ছাড়ব।’

আগামীকাল রবিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায় শেষ ষোলোের এই মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সময় পর নেইমারকে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে পেয়ে সেলেসাওরা কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে পারে কি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%