বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৮ পি.এম
বছরের পর বছর ধরে চলমান প্রশাসনিক জটিলতা, স্থানীয় কাউন্সিলের আপত্তি এবং আদালতের শুনানি শেষে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অবস্থিত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত একটি ইসলামিক সেন্টার মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন লাভ করেছে। ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিল কর্তৃক অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারকে (এএমডব্লিউসি) মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এই তথ্য জানিয়েছে। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে পাওয়া এই অনুমোদনকে সংগঠনটির সদস্যরা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মিন্টোর ১৩-১৭ ইগলভিউ রোডে অবস্থিত কেন্দ্রটি বাংলাদেশি সহ বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের কাছে পরিচিত। ধর্মীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক সহায়তামূলক বিভিন্ন উদ্যোগেও প্রতিষ্ঠানটি সক্রিয় রয়েছে। তবে, ভবনটি মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন না থাকায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
২০১৮ সালে ভবনটি সংস্কার ও সম্প্রসারণের অনুমতি দেওয়া হয় কমিউনিটি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য। পরবর্তীতে সেখানে নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় সমাবেশ আয়োজন নিয়ে আপত্তি ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ যানবাহনের চাপ, পার্কিং এবং আশপাশের পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এর প্রেক্ষিতে, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিল কেন্দ্রটিকে মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিউ সাউথ ওয়েলসের ল্যান্ড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট কোর্টে আপিল করা হয়। তবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আদালত তাদের আপিল খারিজ করে দেয়, যা কেন্দ্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরো বাড়িয়ে দেয়।
তবে সংশ্লিষ্টরা হাল ছাড়েননি। স্থানীয় ভূমি ব্যবহারসংক্রান্ত বিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে অনুমোদন পাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে এ বিষয়ে পরিকল্পনা প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কাউন্সিলের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে প্রস্তাবটি রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা বিভাগের বিবেচনায় যায়।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কাউন্সিল প্রস্তাবটি পরবর্তী পর্যায়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২৫ সালের মার্চে পরিকল্পনা প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপের অনুমোদন আসে। একই বছরের মে ও জুনে প্রস্তাবটি নিয়ে জনমত গ্রহণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পরামর্শ বিবেচনায় নেওয়া হয়। পরে আগস্টে ক্যাম্পবেলটাউন কাউন্সিলের সভায় জমির ব্যবহারসংক্রান্ত বিধান পরিবর্তনের প্রস্তাব সমর্থন পায়। তবে, মসজিদ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক উন্নয়ন আবেদন বা ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্লিকেশনের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল। এবার সেই অনুমোদনও মিলেছে।
২৭ অক্টোবর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সভাপতি ড. আনিসুল আফসার এবং সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর খান এই অর্জনের জন্য মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য সংগঠনের সদস্য, নির্বাহী কমিটি, বৃহত্তর মুসলিম কমিউনিটি, ক্যাম্পবেলটাউন কাউন্সিলের মেয়র ও কাউন্সিলর এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের প্রতি তাঁরা ধন্যবাদ জানান।
অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার একটি নিবন্ধিত অলাভজনক ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ধর্মীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি মুসলিম কমিউনিটির সামাজিক যোগাযোগ, কল্যাণমূলক সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে ভূমিকা রাখছে সংগঠনটি। সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছে এটি ধর্মীয় ও সামাজিক যোগাযোগের একটি পরিচিত কেন্দ্র।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন অনুমোদনের ফলে প্রতিষ্ঠানটির ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে। তাঁদের মতে, দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও আইনি লড়াইয়ের পর পাওয়া এই অনুমোদন কেবল একটি ভবন ব্যবহারের অনুমতি নয়, বরং সিডনির বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রাম সদরে অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা ও হেরোইনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে ওয়াপদাপাড়া এলাকার অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেনের বাসভবনে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ওয়াপদাপাড়া (খলিলগঞ্জ) এলাকার বাসিন্দা এবং কুড়িগ্রাম আইনজীবী সমিতির সদস্য মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), তার স্ত্রী মোছা. ডলি (৩০) এবং ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ব্যাপারীটারী এলাকার মো. শাহেদ মাহমুদ শাকিল (৩০)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে ১৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ডলির কাছ থেকে ৫১টি হেরোইনের পুরিয়া এবং শাহেদ মাহমুদ শাকিলের কাছ থেকে পাঁচ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
মোট উদ্ধার হওয়া ইয়াবার সংখ্যা ১৯৫ পিস, যার মোট ওজন ১৯ দশমিক ৫ গ্রাম। অপরদিকে, পলিথিনসহ হেরোইনের মোট ওজন চার গ্রাম। জব্দ করা মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৮ হাজার ৫০০ টাকা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম জেলার উপ-পরিচালক মো. শাহ-নেওয়াজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সন্ধ্যায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের মিটনাপাড়া গ্রামে আপন বড় চাচার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী পঞ্চম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। অভিযুক্ত চাচা আজিজুল বারীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে ভুক্তভোগী শিশুটিকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা প্রায় ১০ বছর আগে মারা যান। দুই কন্যাসন্তানকে রেখে বাবার মৃত্যুর পর তাদের মা অন্যত্র বিয়ে করেন। এরপর থেকে দুই বোন তাদের দাদি আজিদা বিবির (৮০) কাছে থাকত। দাদি কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে অভিযুক্ত আজিজুল বারী শিশুটিকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ভুক্তভোগী মাদ্রাসায় নিয়মিত বোরকা পরে যাতায়াত করায় প্রথম দিকে তার শারীরিক পরিবর্তন অনেকের নজরে আসেনি। পরে তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হলে গত ২৬ অক্টোবর রাতে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠায়। পরীক্ষায় তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে শিশুটির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আজিজুল বারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত আপন চাচাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত প্রায় এক বছর ধরে ভাতিজিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান তিনি।
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির নিজস্ব অভিভাবক ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় আদালতের নির্দেশে তাকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজি ডিসিএল) অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি সম্পূর্ণ অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, পাশাপাশি ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ করা হয়েছে। এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করার জন্য আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কুমিল্লার প্রধান কার্যালয় থেকে বিজিডিসিএল এই তথ্য প্রকাশ করে।
বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে একটি চক্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের আলমপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে সরকারি গ্যাস চুরির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার সেখানে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকারের নেতৃত্বে অভিযানের সময় ওই এলাকার ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করা হয়। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ অবৈধ পাইপলাইন ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ২০০ মিটার দীর্ঘ ৩/৪” পাইপলাইন এবং দুইটি রেগুলেটর।
বিজিডিসিএল কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক ব্যবহারকারী নিজেদের উদ্যোগে রেগুলেটর খুলে পালিয়ে যায়। এই উচ্ছেদ অভিযানের ফলে ওই এলাকার প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি সম্পূর্ণ অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এদিকে, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির অপরাধে ঘটনাস্থলেই ১ জন ব্যক্তিকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে বাখরাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
বিজিডিসিএল কর্মকর্তারা আরও জানান, রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগের কারণে সৃষ্ট অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে এই ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ গ্যাস সংযোগকারী এবং এর পেছনের সিন্ডিকেটকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বলেও কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া র্যালি, কনসার্টসহ অন্যান্য সব আয়োজন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির আহ্মাদসহ সহকারী প্রক্টররা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস ও রেঞ্জার ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের সভাপতি ও আহ্বায়ক এবং সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যসচিবরা অংশ নেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কোতোয়ালি, বংশাল ও সূত্রাপুর থানার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের র্যালি, কনসার্ট ও অন্যান্য অনুষ্ঠান শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সফলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় জকসু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রশাসনকে আশ্বাস দেন যে, অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন সুশৃঙ্খল রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি, বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস এবং ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ করে কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সার্বিক আয়োজন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, আগামী ২ নভেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন করা হবে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ