প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের মিটনাপাড়া গ্রামে আপন বড় চাচার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী পঞ্চম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। অভিযুক্ত চাচা আজিজুল বারীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে ভুক্তভোগী শিশুটিকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা প্রায় ১০ বছর আগে মারা যান। দুই কন্যাসন্তানকে রেখে বাবার মৃত্যুর পর তাদের মা অন্যত্র বিয়ে করেন। এরপর থেকে দুই বোন তাদের দাদি আজিদা বিবির (৮০) কাছে থাকত। দাদি কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে অভিযুক্ত আজিজুল বারী শিশুটিকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ভুক্তভোগী মাদ্রাসায় নিয়মিত বোরকা পরে যাতায়াত করায় প্রথম দিকে তার শারীরিক পরিবর্তন অনেকের নজরে আসেনি। পরে তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হলে গত ২৬ অক্টোবর রাতে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠায়। পরীক্ষায় তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে শিশুটির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আজিজুল বারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত আপন চাচাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত প্রায় এক বছর ধরে ভাতিজিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান তিনি।
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির নিজস্ব অভিভাবক ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় আদালতের নির্দেশে তাকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন