ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইবি শিক্ষার্থী মানিকের উদ্যোগে হাজার রক্তকাঞ্চন রোপণ কর্মসূচি


ইবি শিক্ষার্থী মানিকের উদ্যোগে হাজার রক্তকাঞ্চন রোপণ কর্মসূচি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্যাম্পাসের ভিতর ১০০০ রক্তকাঞ্চনের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী মানিক রহমান। তিনি জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

রবিবার (৫ জুলাই) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এসময় বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সরওয়ার মুর্শেদ এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানিক রহমান তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "আমি নিজ উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ১০০০টি রক্তকাঞ্চন গাছ (জার্মানির ল্যাভেন্ডার প্রজাতী) লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গাছটি খুবই দৃষ্টিনন্দন। আমাদের ক্যাম্পাসের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাম্পাসের দুইটা গাছও আছে। আমি ভাবলাম, ক্যাম্পাসে যদি আরও সৌন্দর্য বাড়াতে কিছু ফুল গাছ লাগানো যায়, তাহলে ক্যাম্পাসটা অনেক সুন্দর লাগবে। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমি শহিদ আনাস হলের দুইটা গাছ খেকে বীজ সংগ্রহ করি।"

আরও পড়ুন: বাঁশপাতার চায়ের উদ্ভাবনী ধারণায় দেশসেরা বেরোবির মাহিদ-আজিজ, পাচ্ছেন লাখ টাকার ফান্ড

তিনি আরও বলেন, "পরবর্তীতে শাহ আজিজুর রহমান হলের পরিত্যক্ত জায়গায় বীজগুলো রোপণ করে চাষযোগ্য করে তুলি। এখন ৩০০০-৪০০০ বীজ থেকে প্রায় ২০০০ চারা হয়েছে। সেই গাছগুলো থেকেই এখন আমি পুরো ক্যাম্পাসে ধাপে ধাপে ১০০০ গাছ লাগাব ইনশাআল্লাহ। যদি পরিকল্পিতভাবে চারাগুলো লাগানো যায়, আমি আশা করি কয়েক বছরের মধ্যে আমাদের ইবি ক্যাম্পাস বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ক্যাম্পাসে রূপ নিবে।"

বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সরওয়ার মুর্শেদ বলেন, "বৃক্ষ হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে পুরাতন বন্ধু, যে মানুষকে বাঁচতে সাহায্য করেছে এবং পৃথিবীতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। তোমাদের মধ্যে এই বৃক্ষ প্রীতি, প্রকৃতি প্রীতি, নদী প্রীতি, এসব যদি আসে তাহলে সেটা খুবই আনন্দের। এই ছেলেটি (মানিক রহমান) আজ সবাইকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ১০০০ গাছ লাগানোর। ওর অসম্ভব ভালোবাসা গাছের প্রতি। আমি আশা করব, শিক্ষার্থীরা শুধু লেখাপড়া শিখে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে যাবে, তা না। প্রত্যেকে যেন একটা করে গাছ লাগিয়ে যায়। তোমাদের পক্ষে যদি সম্ভব হয় আমাদের লেকের ধারে তোমরা কিছু শোভাবর্ধন গাছ লাগাও। প্রকৃতির সঙ্গে থাকো। প্রকৃতি তোমাদেরকে নির্মল আনন্দ দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পৌর এলাকায় ২১২টি পুকুর সংরক্ষণের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


পৌর এলাকায় ২১২টি পুকুর সংরক্ষণের দাবি

পুকুর, খালসহ জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষার জন্য সাতটি দাবির ভিত্তিতে রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

নদী ও জলাশয় সুরক্ষা আন্দোলনকারী সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় ২১২টি পুকুর ছিল বলে দাবি করে সেগুলো সংরক্ষণের জন্য দাবি জানিয়েছে। এই দাবি রবিবার (৫ জুলাই) সকালে শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে মানববন্ধনে উপস্থাপন করা হয়।

মানববন্ধনে পুকুর, খালসহ জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষার জন্য সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর উৎপত্তিস্থল ভাদুঘর থেকে মেড্ডা শ্মশান ঘাট পর্যন্ত ২৬টি খাল (টাউন খাল সহ) পুনরুদ্ধার করতে হবে; টাউন খালের উভয় পাশের সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে দখলমুক্ত করা, সৌন্দর্যবর্ধন করা এবং নৌচলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা; পৌরসভার নিজস্ব ১০টি পুকুরসহ শহরের ২১২টি পুকুর সংরক্ষণ ও সরকারি গেজেটভুক্ত করা।

এ ছাড়া শহরের কাউতলী মোড় থেকে মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড হয়ে ঘাটুরা মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ প্রশস্ত করার দাবিও তুলা হয়; জেলা পরিষদের খালের ওপর নির্মিত সব মার্কেট উচ্ছেদ করে খালের স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়; শিশুবান্ধব শহর গড়ার লক্ষ্যে পরিত্যক্ত পুরনো জেলখানার স্থানে আধুনিক শিশু বিনোদন পার্ক নির্মাণেরও দাবি করা হয়; পৌর এলাকার যানজট ও শব্দ দূষণ দূর করার জন্য ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং সব অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

ঢেউ-এর আহ্বায়ক সোহেল আহাদের সভাপতিত্বে ও আলী আকরাম খন্দকার স্বপনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া চাই নামের সংগঠনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান পুষ্প, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হাছান তপু, রাজনীতিক নজরুল ইসলাম, শিশু সংগঠক নীহার রঞ্জন সরকার, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চৌধুরী রিপন, ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজি, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফ নূরুল আমিন, রোটারিয়ান আশিকুল আলম প্রমুখ।

সাত দফা দাবি তুলে ধরেন ঢেউ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম আহাদ। পরে জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

আরাকান আর্মি প্রধান আহত হয়ে বাংলাদেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন এমন খবর বেড়ে গেছে— এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো তথ্য আছে কিনা, তা জানতে চান এক সাংবাদিক।

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।

মিয়ানমার সীমান্তে, দেশটির সামরিক বাহিনী আরাকান আর্মিদের বিরুদ্ধে আক্রমণ জোরদার করেছে। সীমান্তের এপারে থাকা বাংলাদেশের নাগরিকরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে আরও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের কোনো পদক্ষেপ আছে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আমরা নজর রাখছি। আমরা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরামেও সাশ্রয়, বাঁচান অর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


আরামেও সাশ্রয়, বাঁচান অর্থ

 

একটা স্মার্ট ডিভাইস আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে বিশ্ব এখন আপনার হাতের মুঠোয়। আপনি কোথায় থাকছেন, কী করছেন; এতে অনেক নিয়োগদাতার কিছুই যায় আসে না।

আপনাকে দেওয়া কাজ ঠিকঠাকমত করে দিলেই হলো।

নির্দিষ্ট একটা অফিস, সেখানে ১০টা-৫টা হাজিরার গৎবাধা ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসছেন অনেকে। একটা ল্যাপটপ আর কফিশপের নিরিবিলি কোনে চলছে আস্ত একটা অফিস। করোনা যখন বিশ্বজুড়ে সবকিছু স্থবির করে দেয়, তখনও ওয়ার্ক ফর্ম হোম বা বাসায় বসে অফিস করার ধারণা দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ধারণাকে ওয়ার্ক ফ্রম মানালিতে বদলে নিয়েছেন ভারতের এক কর্পোরেট দম্পতি। ব্যস্ত শহরের কোলাহল ছেড়ে তারা ডেরা বেধেছেন হিমালয়ের কোলে শান্ত, স্নিগ্ধ, প্রশান্তির মানালিতে। অনেকে নানা পরিকল্পনা করে ব্যস্ত জীবন থেকে দুদিনের ছুটি নিয়ে মানালিতে বেড়াতে যান, কিন্তু এই দম্পতি মানালিতেই খুঁজে পেয়েছেন জীবনের মানে।

তাদের এই নতুন জীবন নিয়ে দুজনের করা একটি ভিডিও ইনস্ট্রগ্রামে পোস্ট করতেই সেটি দারুণ ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনেকে তো অবসর জীবনটা শহরের বাইরে কোনো নিরিবিলি জায়গায় কাটাতে চান। কিন্তু অঞ্জলি আর নামান, নামের এই জুটি ব্যস্ত কর্মজীবনেই খুঁজে নিয়েছেন প্রশান্তির ছোঁয়া।

তারা মূলত প্রশান্তির খোঁজেই মানালি গিয়েছিলেন। এখন হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, জীবনযাত্রার মান অক্ষুণ্ণ রেখেও মাসে তাদের ৩০ হাজার রুপিরও বেশি সাশ্রয় হচ্ছে। এটা অবশ্য তারা করতে চাননি, এটা তাদের জন্য বোনাস প্রাপ্তি।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ভিডিওতে তারা বলেন, খরচ কমানো নয়, তারা আসলে জীবনের গতি কমাতে চেয়েছিলেন। ব্যস্ত শহরের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে তারা হাফিয়ে উঠেছিলেন।

ভিডিওতে অঞ্জলি বলেন, ‘কোনো চেষ্টা ছাড়াই আমরা হঠাৎ করেই প্রতি মাসে ৩০ হাজার রুপিরও বেশি বাঁচাতে শুরু করেছি।’

ভিডিওতে এই সুখী জুটি বলেন, ‘হাই, আমরা অঞ্জলি এবং নামান। আমরা মানালিতে বসবাসকারী একটি রিমোট কর্পোরেট দম্পতি। আমরা এখানে টাকা বাঁচাতে আসিনি, আমরা আমাদের কর্পোরেট চাকরি ঠিক রেখেই ধীরগতির ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিতে এসেছিলাম।’

এরপর তারা মাসে ৩০ হাজার রুপিরও বেশি সাশ্রয়ের একটি বাস্তবসম্মত হিসাব দেন। সবচেয়ে বড় সাশ্রয় হয়েছে বাড়ি ভাড়ায়। শহরে যেখানে তাদের ভাড়া বাবদ মাসে গুণতে হতো ৪৫ হাজার রুপি, মানালিতে আসা কার পর তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার রুপিতে। ফলে বাড়ি ভাড়া খাতে তাদের বেঁচে যাচ্ছে ১৭ হাজার রুপি। রিমোট কাজের কারণে তাদের প্রতিদিনের যাতায়াত খরচও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, যা প্রতি মাসে অন্তত ৩ হাজার রুপি বাঁচিয়ে দিচ্ছে।

এ ছাড়া অফিস শেষে রাতের খাবার, কফি বা টুকটাক নাস্তা খাওয়ার যে খরচগুলো আগে নিয়মিত বিষয় ছিল; তা-ও এখন নাটকীয়ভাবে কমে গেছে। এর ফলে তাদের মাসিক বাজেট থেকে আরও প্রায় সাড়ে ৭ হাজার রুপি কম খরচ হচ্ছে।

তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল তাদের ছুটির দিনের ভ্রমণের খরচ একেবারে বন্ধ হয়ে যাওয়া। শহরে থাকার সময় ব্যস্ত জীবন থেকে মুক্তি পেতে তারা ছোটখাটো ভ্রমণের পেছনে মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার রুপি খরচ করতেন। মানালিতে আসার পর তাদের আর আলাদা করে এমন কোনো ছুটির পরিকল্পনা করতে হয় না। কারণ প্রকৃতি ও শান্ত পরিবেশ এখন তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। প্রতিদিন তারা ছুটির মেজাজেই থাকতে পারেন।

অঞ্জলি উল্লেখযোগ্য জোর দেয়া বলেন যে, এই আর্থিক লাভটি ছিল তাদের জন্য স্রেফ একটি অপ্রত্যাশিত উপহার। তিনি বলেন, ‘আমরা কম খরচে থাকার জন্য রিমোট কাজের সুযোগ বেছে নিইনি; আমরা এটি বেছে নিয়েছিলাম ভিন্নভাবে বাঁচার জন্য। এই সাশ্রয়টা ছিল কেবলই একটি বাড়তি পাওনা।’

ভিডিওটি অনলাইনে নাগরিক জীবনের নানা খাতের খরচ রিমোট কাজের আর্থিক সুবিধা এবং কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনের মাঝে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখতে মহানগর ছেড়ে ছোট শহরগুলোতে পেশাজীবীদের পাড়ি জমানোর ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নগদ অর্থ ছাড়াও যে প্রশান্তি মিলছে, আর্থিক মূল্যে তার দাম ধরা সম্ভব নয়।

শহরের যানজট, আর ধুলাবালিতে জেরবার জীবন থেকে এমন আরামের জীবনে বদলে যাওয়া তাদের স্বাস্থ্যেও দারুণ ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে। চিকিৎসা খাতে তাদের খরচও নিশ্চয়ই কমে যাবে, বেড়ে যেতে পারে তাদের প্রত্যাশিত আয়ু।

অনেকে তাদের ভিডিওতে নানান মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ ভিন্নমতও পোষণ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘কিন্তু সন্ধ্যায় কি খুব শান্ত হয়ে যায় না? যেহেতু আমি সারাজীবন একটা মহানগরীতে থেকেছি, আমার মনে হয় আমি কোলাহলে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। মানছি যে মাঝে মাঝেই সবার একটু শান্তি ও নীরবতা প্রয়োজন। কিন্তু মানালির একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমার পুরো জীবনটা সরিয়ে নিয়ে যাওয়াটা একটু অবাস্তবই মনে হচ্ছে।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘শহুরে জীবনের ধকল সামলাতেই টাকা খরচ হয়ে যায়।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করার এটা আসল সুবিধা, উন্নত জীবনযাত্রা, কিন্তু খরচ কম।’

তবে অনেকের মনের কথাটা বলেছেন আরেক মন্তব্যকারী, ‘মানালি থেকে মাসে ৩০ হাজার রুপি সঞ্চয় করাটা এমন এক স্বপ্নের মত, যা অনেক কর্পোরেট কর্মী গোপনে দেখে থাকেন।’

তবে এ সুখী দম্পতি মানালির আগে কোন শহরে থাকতেন বা কোন প্রতিষ্ঠানে তারা চাকরি করেন; সে ব্যাপারেও ভিডিওতে কিছু উল্লেখ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকল মোড়কে ভেজাল খাদ্যের রমরমা ব্যবসা, অভিযানে আটক ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


নকল মোড়কে ভেজাল খাদ্যের রমরমা ব্যবসা, অভিযানে আটক ২

মাদারীপুর শহরের ডিসি ব্রিজ সংলগ্ন ২ নম্বর শকুণি এলাকায় ভেজাল খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও মজুতের অভিযোগে একটি গুদামে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এ সময় বিপুল পরিমাণ নকল ভোজ্যতেল, চিনি, চাল ও ডাল জব্দ করা হয়। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, একটি চক্র স্বনামধন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডের—যেমন রাধুনী ও চারুশী—মোড়ক হুবহু নকল করে নিম্নমানের খাদ্যপণ্য প্যাকেটজাত করছিল। এছাড়া এসব পণ্যের মোড়কে বাধ্যতামূলক ল্যাব টেস্ট, মান নিয়ন্ত্রণ কিংবা উৎপাদনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যও পাওয়া যায়নি।

অভিযান পরিচালনাকারী মাদারীপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের জানান, ভেজাল খাদ্যপণ্য মজুত ও বাজারজাত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের নাম ও মোড়ক নকল করে ভেজাল পণ্য বাজারজাতের প্রস্তুতির প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে প্রশাসনের এ অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজালবিরোধী এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%