বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:২৩ এম
গত জুলাই ৩০ রাত আনুমান ১০.৪৫ ঘটিকায় পুলিশ সুপার নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানতে পারেন যে, জনৈক সর্ণ ব্যাবসায়ী সুভাষ পালের নিকট থেকে কিছু স্বর্ণ অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা মাইক্রোবাস ব্যবহার করে নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে তার গতিরোধ করে ছিনতাই করে। বিষয়টি জানার সাথে সাথেই পুলিশ সুপার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ উভয়কে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই সাথে শহরে প্রত্যেকটা গাড়ি তল্লাশি করার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এ সংক্রান্তে নওগাঁ সদর থানায় একটা মামলা রুজু হওয়ার পর পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ জনাব হাসিবের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়। জেলা পুলিশের সদ্য লাগানো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কানেকটেড সিসি ক্যামেরা সমূহ ব্যাপকভাবে তদন্ত কাজে সহায়তা করে। তথ্য প্রযুক্তি এবং ডাটা বিশ্লেষণ করে ছিনতাই এ ব্যবহৃত গাড়িটি সনাক্ত করা হয়। একই সাথে বিভিন্ন জেলার এবং টোল প্লাজার তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করা হয়।
পরবর্তীতে ০৩ /আগস্ট থেকে টানা অভিযানে যশোর জেলা পুলিশের সহায়তায় যশোর থেকে ছিনতাই চক্রের অন্যতম সদস্য গাড়ি চালক মো জামাল হোসেন ফুলন, কোতোয়ালি, যশোর কে গ্রেফতার করা হয় এবং অপর অভিযানে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত কালো রঙের মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। জামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জান জানা যায় চারজনের একটি চক্র এই কাজে জড়িত। এই চক্রটি কালো মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালকে অনুসরণ করে।
সুভাষ পাল যখন ঢাকা কল্যাণপুর থেকে নওগাঁ, শ্যামলী পরিবহনে রওনা হয় তখন থেকেই ছিনতাইকারী চক্র শ্যামলী গাড়িটিকে অনুসরণ করে। ছিনতাইকারী চক্রের কালো মাইক্রোবাস শ্যামলী গাড়িটিকে অনুসরণ করে বগুড়া হয় নওগাঁ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। অতঃপর ভিকটিম ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থেকে নামার পর তাজের মোড়ে বাদীর হাতের ব্যাগের মধ্যে আনুমানিক ১৪ ভরি সোনা ছিনতাই করে।
ঘটনার পর পরই পুলিশ যখন ব্যাপকভাবে নওগাঁ শহরের বিভিন্ন রাস্তায় তল্লাশি শুরু করে তখন ছিনতাইকারীরা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে চলে যায় । এ সংক্রান্তে আজ গ্রেফতারকৃত জামাল হোসেন ফুলন আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছে। অপর আসামি গ্রেফতার এবং স্বর্ণ উদ্ধারে জেলা পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষাঙ্গণে অপরাজনীতি করার প্রতিবাদে শিবিরের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরে ক্ষোভের সাথে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে শহরের উত্তর তেমুহনী থেকে এই মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দক্ষিণ তেমুহনী গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয় নেতাকর্মীরা।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ ও সদস্য সচিব হাসিবুর রহমান অভির নেতৃত্বে এই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সহ-সভাপতি সালমান হায়দার রাশেদ, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মাহাবুব আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাহমুদ ইব্রাহিমসহ ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মী।
ছাত্রদল নেতা হাছিবুর রহমান অভি বলেছেন, ‘১৭ বছর আওয়ামী লীগের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ছাত্রদল রাজপথে প্রকাশ্যে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। গণঅভ্যুত্থানে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী আহত, নিহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি ৫ আগস্টের পরে ছাত্র শিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।’
ছাত্রদল নেতা আবুল বারাকাত সৌরভ বলেন, ‘শিবির দেশের অভ্যান্তরে অপরাজনীতি করে আসছে। তাদেরকে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধ করে প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে হবে। অশালীন ও উসকানিমূলক বক্তব্যগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। অপরাজনীতি পরিহার করে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরলে আমরা তাদের সর্বত্র সহযোগিতা করব। ছাত্র রাজনীতি হবে শৃঙ্খলাপূর্ণ, সহমর্মী, শিক্ষাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী। দেশের মানুষ অপরাজনীতি দেখতে চায় না। অশালীন কথাবার্তা দিয়ে সুস্থ ধারার রাজনীতি সম্ভব নয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মোড়াইল ফ্লাইওভারে একটি প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল এবং অটোরিকশার মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ফলে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
এ দুর্ঘটনাটি বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর বেলা শহরের মোড়াইল এলাকার ফ্লাইওভারের উপরে ঘটে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, শহরের দিক থেকে কাউতলিমুখী একটি প্রাইভেটকার যখন অন্য একটি যানবাহনকে ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে যায়। সংঘর্ষের সময় পাশ দিয়ে যাওয়া একটি রিকশাও দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনের সঙ্গে ধাক্কা খায়।
দুর্ঘটনায় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁরা হলেন—প্রাইভেটকারের যাত্রী মীর জসিম উদ্দিন, তার স্ত্রী সালেহা বেগম এবং মা কামরুনেছা, মোটরসাইকেল চালক মাইনুল ইসলাম, রিকশাচালক রাসেল এবং অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া।
স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, খবর মিলার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মীর কাশেম আলী ছিলেন আমার বন্ধু। আমাদের একসাথে কাশেমপুর কারাগারে জেল খেটে কাটাতে হয়েছিল। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে কেন তিনি দেশে ফেরত আসলেন? উত্তরে তিনি বলেছিলেন, 'আমি ফিরে না আসলে, আমার ছেলেটা ধরে নিয়ে যাবে।'
বুধবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ জানানো ব্যক্তিদের বক্তব্য আমি মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। তিনি মন্তব্য করেন, জুলাই আন্দোলনে যারা সামনে ও পেছনে থেকে সমন্বয় করেছেন, তাদের অবদান স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী যদি দীর্ঘদিন নির্বাসনে না থাকতেন, তাহলে হয়তো আরও সুচারুভাবে আন্দোলন পরিচালনা করা সম্ভব হতো। সে সময় মাঠের অধিকাংশ নেতৃত্ব কারাগারে, গুম বা আত্মগোপনে ছিলেন। তবুও, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ স্বৈরাচারের পতন ঘটে।
নিজের বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আয়নাঘরে তাঁর ৬১ দিন থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেখানে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না। তিনি মীর কাসেম আলীর পরিবারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, স্বৈরাচার কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, পরিবারকেও ধ্বংস করেছে। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি এও বলেন, 'যদি আমরা বলতে শুরু করি— জুলাই কার, তাহলে জুলাই কারও থাকবে না।'
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর বহু জাতি শত বছর সংগ্রাম করেও স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি। বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে। এটি নিউটনের আপেলের মতো হঠাৎ পড়ে যাওয়া কোনো ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘ প্রস্তুতি, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফসল। তাই, এই অর্জনকে কখনো দলীয়করণ করা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান শিক্ষাঙ্গনে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি যুক্তদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন। তিনি বলেন, হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে জনগণ ধরে নেবে, এসব কর্মকাণ্ডে বিএনপির পরোক্ষ ইন্ধন রয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের আহত নেতাকর্মীদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, প্রথমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা, ঢাকা কলেজ ও বাংলা কলেজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ আমলে যেভাবে হেলমেট ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হতো, বর্তমানে একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমীর বলেন, অধ্যক্ষ হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তাঁর ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একজন শিক্ষকের ওপর এমন হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উচিত শুধুমাত্র বক্তব্য দেওয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
হাসপাতালেও আহতদের ওপর হামলার অভিযোগ উত্থাপন করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আহতদের স্বজনরাও হামলার শিকার হয়েছেন। একজন আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে যাওয়া তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকেও হামলার শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাস দমনে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে হামলার শিকারদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হলে জনগণ সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।
আহত আলিফের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা তাঁকে দেখতে গেলেও সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো কেউ যাননি। সরকার কোনো দলের নয়, বরং জনগণের—এ বিষয়টি মনে রেখে দায়িত্ব পালন করা উচিত।
দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হলে তা জনগণ মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জামায়াত আন্দোলন চালিয়ে যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অস্থিতিশীল করে জনগণের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জামায়াত প্রস্তুত যে কোনো প্রয়োজনীয় ত্যাগ স্বীকার করতে।
আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীর কাছে দোয়া চান এবং একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ, জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ