ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মীর কাশেম আলী আমার বন্ধু ছিলেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


মীর কাশেম আলী আমার বন্ধু ছিলেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মীর কাশেম আলী ছিলেন আমার বন্ধু। আমাদের একসাথে কাশেমপুর কারাগারে জেল খেটে কাটাতে হয়েছিল। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে কেন তিনি দেশে ফেরত আসলেন? উত্তরে তিনি বলেছিলেন, 'আমি ফিরে না আসলে, আমার ছেলেটা ধরে নিয়ে যাবে।'

বুধবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ জানানো ব্যক্তিদের বক্তব্য আমি মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। তিনি মন্তব্য করেন, জুলাই আন্দোলনে যারা সামনে ও পেছনে থেকে সমন্বয় করেছেন, তাদের অবদান স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী যদি দীর্ঘদিন নির্বাসনে না থাকতেন, তাহলে হয়তো আরও সুচারুভাবে আন্দোলন পরিচালনা করা সম্ভব হতো। সে সময় মাঠের অধিকাংশ নেতৃত্ব কারাগারে, গুম বা আত্মগোপনে ছিলেন। তবুও, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ স্বৈরাচারের পতন ঘটে।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

নিজের বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আয়নাঘরে তাঁর ৬১ দিন থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেখানে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না। তিনি মীর কাসেম আলীর পরিবারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, স্বৈরাচার কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, পরিবারকেও ধ্বংস করেছে। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি এও বলেন, 'যদি আমরা বলতে শুরু করি— জুলাই কার, তাহলে জুলাই কারও থাকবে না।'

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর বহু জাতি শত বছর সংগ্রাম করেও স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি। বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে। এটি নিউটনের আপেলের মতো হঠাৎ পড়ে যাওয়া কোনো ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘ প্রস্তুতি, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফসল। তাই, এই অর্জনকে কখনো দলীয়করণ করা যাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় দৃশ্যমান ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় দৃশ্যমান ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান শিক্ষাঙ্গনে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি যুক্তদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন। তিনি বলেন, হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে জনগণ ধরে নেবে, এসব কর্মকাণ্ডে বিএনপির পরোক্ষ ইন্ধন রয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের আহত নেতাকর্মীদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, প্রথমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা, ঢাকা কলেজ ও বাংলা কলেজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ আমলে যেভাবে হেলমেট ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হতো, বর্তমানে একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে।

ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমীর বলেন, অধ্যক্ষ হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তাঁর ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একজন শিক্ষকের ওপর এমন হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

তিনি বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উচিত শুধুমাত্র বক্তব্য দেওয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

হাসপাতালেও আহতদের ওপর হামলার অভিযোগ উত্থাপন করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আহতদের স্বজনরাও হামলার শিকার হয়েছেন। একজন আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে যাওয়া তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকেও হামলার শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাস দমনে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে হামলার শিকারদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হলে জনগণ সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।

আহত আলিফের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা তাঁকে দেখতে গেলেও সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো কেউ যাননি। সরকার কোনো দলের নয়, বরং জনগণের—এ বিষয়টি মনে রেখে দায়িত্ব পালন করা উচিত।

দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হলে তা জনগণ মেনে নেবে না।

তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জামায়াত আন্দোলন চালিয়ে যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অস্থিতিশীল করে জনগণের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জামায়াত প্রস্তুত যে কোনো প্রয়োজনীয় ত্যাগ স্বীকার করতে।

আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীর কাছে দোয়া চান এবং একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ, জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুনি হাসিনা ও আ.লীগ প্রশ্নে পুরো ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকব: রাকিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


খুনি হাসিনা ও আ.লীগ প্রশ্নে পুরো ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকব: রাকিব

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, "খুনি হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এর প্রশ্নে পুরো ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকব ইনশাআল্লাহ।"

বুধবার রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

রাকিবুল ইসলাম রাকিব লেখেন, ‘মাফিয়া হাসিনার বিচার সুনিশ্চিত করার জন্য পুরো বাংলাদেশ এক এবং ঐক্যবদ্ধ। জুলাই এর ছাত্র সংগঠনগুলোর মাঝে সাম্যভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে, ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সুন্দর প্রতিযোগিতা ও গঠনমূলক সমালোচনা অব্যাহত থাকবে।

ভুল বোঝাবুঝি হলে সেগুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে নেব। কিন্তু খুনি হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এর প্রশ্নে পুরো ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকব ইনশাআল্লাহ। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় ধৈর্য্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোর বয়সেই সাহিত্যচর্চায় আলো ছড়াচ্ছেন লাখাইয়ের ইয়াহিয়া আহমেদ প্রকৃতি, প্রেম ও অনুভূতির মেলবন্ধনে লিখছেন একের পর এক কবিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ এম


কিশোর বয়সেই সাহিত্যচর্চায় আলো ছড়াচ্ছেন লাখাইয়ের ইয়াহিয়া আহমেদ প্রকৃতি, প্রেম ও অনুভূতির মেলবন্ধনে লিখছেন একের পর এক কবিতা

 

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের কিশোর সাহিত্যপ্রেমী ইয়াহিয়া আহমেদ অল্প বয়সেই কবিতা লেখার মাধ্যমে সাহিত্যাঙ্গনে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। মাত্র অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এই তরুণ লেখক প্রকৃতি, মানবিক অনুভূতি, প্রেম ও জীবনের নানা আবেগকে শব্দের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলছেন।
ইয়াহিয়া আহমেদের পিতা মোহাম্মদ শওকত আকবর এবং মাতা শারমিন আক্তার শিরিন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। ব্যস্ততার মাঝেও সাহিত্যচর্চাকে ভালোবেসে নিয়মিত কবিতা লিখে চলেছেন।
সম্প্রতি তার লেখা "চিত্তরঞ্জনের ঘাট" ও "উল্কাপাত" শিরোনামের দুটি কবিতা পাঠকমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে। "চিত্তরঞ্জনের ঘাট" কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্যের মাঝে মানুষের অন্তরের ক্ষুধা ও মানসিক প্রশান্তির চিত্র ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে "উল্কাপাত" কবিতায় এক অপূর্ণ ভালোবাসা, আবেগ, স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের অনুভূতি কাব্যিক ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে।
কবিতাগুলোতে শব্দচয়ন, আবেগের গভীরতা এবং কল্পনার প্রকাশ একজন নবীন কবি হিসেবে তার সম্ভাবনার পরিচয় বহন করে।
ইয়াহিয়া আহমেদ বলেন, "সাহিত্য আমার ভালোবাসা। মানুষের হৃদয়ের কথা, প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং জীবনের অনুভূতিগুলো কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ করতে ভালো লাগে। ভবিষ্যতে আরও ভালো লেখক হতে চাই এবং পাঠকদের জন্য মানসম্মত সাহিত্য উপহার দিতে চাই।"
স্থানীয় সাহিত্যপ্রেমীরা মনে করেন, যথাযথ দিকনির্দেশনা ও উৎসাহ পেলে ইয়াহিয়া আহমেদ ভবিষ্যতে দেশের সাহিত্যাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
অল্প বয়সেই সাহিত্যচর্চায় তার এই আগ্রহ ও সৃজনশীলতা নতুন প্রজন্মের জন্যও হতে পারে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছয় মাসের চুক্তিতে চিলির ক্লাবে যোগ দিলেন ভোজিনিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ এম


ছয় মাসের চুক্তিতে চিলির ক্লাবে যোগ দিলেন ভোজিনিয়া

কেপ ভার্ডে, যে দেশটির নাম কিছুদিন আগে অনেকের কাছে ছিল অজানা। বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবার খেলা শুরু করে এই ছোট দেশটি এক রূপকথার কাহিনী রচনা করেছে। এবং সেই কাহিনীর সবচেয়ে বড় নায়ক হিসেবে টিকে আছেন গোলকিপার ভোজিনিয়া। অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে রাতারাতি ঝড় তুলেছিলেন তিনি। তবে বিশ্বকাপের খেলাগুলো শেষ হয়ে গেলেও ভোজিনিয়ার স্বপ্নযাত্রা কিন্তু থেমে যায়নি। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শ্যাভেজ থেকে তিনি এখন যোগ দিয়েছেন চিলির সবচেয়ে সফল ফুটবল ক্লাব কোলো কোলোতে।

গত সোমবার (৩ আগস্ট) চিলির শীর্ষ লিগের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলোর সঙ্গে ছয় মাসের জন্য চুক্তি করেন ভোজিনিয়া। চুক্তির পরের দিনই একটি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে ক্লাবটির নতুন সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এর ঠিক একদিন আগে রোববার সান্তিয়াগোতে পৌঁছালে বিমানবন্দরে কোলো কোলোর উচ্ছ্বসিত সমর্থকরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। নতুন পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে তিনি দুই দিনেই সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেন।

ভোজিনিয়ারের পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময় কেটেছে তুলনামূলকভাবে ছোট ক্লাব ও নিম্ন স্তরের লিগে। তিনি স্লোভাকিয়া, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, সাইপ্রাস এবং পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের বিভিন্ন দলের হয়ে খেলেছেন। নিজের প্রতি তার বিশ্বাস ছিল যে, ধারাবাহিক পরিশ্রম একদিন তাকে বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ এনে দেবে।

অবশেষে সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। চিলির সবচেয়ে সফল ক্লাব, ৩৪টি লিগ শিরোপা ও ১৪টি কোপা চিলি জয়ী কোলো কোলো তার কাছে ডাক পাঠিয়েছে। নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, তুলনামূলকভাবে ছোট লিগ এবং কম আলোচিত ক্লাবগুলোতে খেললেও কখনো নিজের সামর্থ্য নিয়ে সন্দেহ জন্মায়নি।

‘আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি, আমি বড় ক্লাবের হয়ে খেলার যোগ্য। তাই যখন কোলো কোলোর প্রস্তাব পেয়েছি, তখন সিদ্ধান্ত নিতে এক মুহূর্তও ভাবতে হয়নি। প্রথম দিন থেকেই আমি জানতাম, আমার গন্তব্য এখানেই। অন্য ক্লাব থেকেও প্রস্তাব ছিল, কিন্তু কোলো কোলোই ছিল আমার প্রাধান্য।’

‘বিশ্বকাপে খেলা নিঃসন্দেহে আমার ফুটবল জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন, কিন্তু সেটিকে এখন পিছনে ফেলে আসতে হচ্ছে। এত সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি ক্লাবের সদস্য হতে পারা আমার ক্লাব ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত।’

বিশ্বকাপের মঞ্চেই ভোজিনিয়ার নাম ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বের সামনে। গ্রুপ পর্বে যখন স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্ডের ঐতিহাসিক ড্রয়ের মাধ্যমে দলের প্রথম পয়েন্ট অর্জনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে শেষ ষোলোর খেলায় শক্তিশালী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে চমৎকার গোলকিপিংয়ের প্রদর্শনে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং আবারও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক দারুণ নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে ফিফার সেরা একাদশে স্থান পান ভোজিনিয়া। তার প্রতি সম্মান জানিয়ে বিজ্ঞানীরা একটি নতুন সামুদ্রিক শামুকের প্রজাতির নাম রেখেছেন ভোজিনিয়ার নামে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজার, কিন্তু টুর্নামেন্টে উজ্জ্বল প্রদর্শনের পর এই সংখ্যা বেড়ে এখন পৌঁছে গেছে প্রায় তিন কোটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%