প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত জুলাই ৩০ রাত আনুমান ১০.৪৫ ঘটিকায় পুলিশ সুপার নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানতে পারেন যে, জনৈক সর্ণ ব্যাবসায়ী সুভাষ পালের নিকট থেকে কিছু স্বর্ণ অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা মাইক্রোবাস ব্যবহার করে নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে তার গতিরোধ করে ছিনতাই করে। বিষয়টি জানার সাথে সাথেই পুলিশ সুপার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ উভয়কে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই সাথে শহরে প্রত্যেকটা গাড়ি তল্লাশি করার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এ সংক্রান্তে নওগাঁ সদর থানায় একটা মামলা রুজু হওয়ার পর পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ জনাব হাসিবের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়। জেলা পুলিশের সদ্য লাগানো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কানেকটেড সিসি ক্যামেরা সমূহ ব্যাপকভাবে তদন্ত কাজে সহায়তা করে। তথ্য প্রযুক্তি এবং ডাটা বিশ্লেষণ করে ছিনতাই এ ব্যবহৃত গাড়িটি সনাক্ত করা হয়। একই সাথে বিভিন্ন জেলার এবং টোল প্লাজার তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করা হয়।
পরবর্তীতে ০৩ /আগস্ট থেকে টানা অভিযানে যশোর জেলা পুলিশের সহায়তায় যশোর থেকে ছিনতাই চক্রের অন্যতম সদস্য গাড়ি চালক মো জামাল হোসেন ফুলন, কোতোয়ালি, যশোর কে গ্রেফতার করা হয় এবং অপর অভিযানে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত কালো রঙের মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। জামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জান জানা যায় চারজনের একটি চক্র এই কাজে জড়িত। এই চক্রটি কালো মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালকে অনুসরণ করে।
সুভাষ পাল যখন ঢাকা কল্যাণপুর থেকে নওগাঁ, শ্যামলী পরিবহনে রওনা হয় তখন থেকেই ছিনতাইকারী চক্র শ্যামলী গাড়িটিকে অনুসরণ করে। ছিনতাইকারী চক্রের কালো মাইক্রোবাস শ্যামলী গাড়িটিকে অনুসরণ করে বগুড়া হয় নওগাঁ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। অতঃপর ভিকটিম ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থেকে নামার পর তাজের মোড়ে বাদীর হাতের ব্যাগের মধ্যে আনুমানিক ১৪ ভরি সোনা ছিনতাই করে।
ঘটনার পর পরই পুলিশ যখন ব্যাপকভাবে নওগাঁ শহরের বিভিন্ন রাস্তায় তল্লাশি শুরু করে তখন ছিনতাইকারীরা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে চলে যায় । এ সংক্রান্তে আজ গ্রেফতারকৃত জামাল হোসেন ফুলন আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছে। অপর আসামি গ্রেফতার এবং স্বর্ণ উদ্ধারে জেলা পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন