ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নেত্রকোণায় ৫২৫ কেজি ভারতীয় ফুচকাসহ ৪ জন আটক


নেত্রকোণায় ৫২৫ কেজি ভারতীয় ফুচকাসহ ৪ জন আটক

নেত্রকোণা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পুলিশ জেলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ফুচকা এবং একটি পিকআপসহ চারজন চোরাকারবারীকে আটক করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশের একটি টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটের পাশে (বাহিরচাপড়া) চেকপোস্টে তাদের মালামালসহ আটক করে।

নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বাসসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: দাপুনিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মাওলানা আব্দুর রহিম উজ্জ্বল

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—মোহনগঞ্জ উপজেলার নোহাস পশ্চিমপাড়ার মোক্তার হোসেনের ছেলে সুমন মিয়া (২৬), সদর উপজেলার পারলা (চল্লিশাপাড়া) এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে সামাদ আহম্মেদ তপু (২৯), দড়িজাগি এলাকার মোখলেস মিয়ার ছেলে ইয়াসিন (২৩) এবং পূর্বধলার ইসবপুর (মধ্যপাড়া) ভবের বাজার এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আলম মিয়া (২৪)।

ওসি জানিয়েছেন, চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পিকআপ থেকে ৪২টি প্লাস্টিকের বস্তায় ২ হাজার ১শ’ প্যাকেটে মোট ৫২৫ কেজি ভারতীয় তৈরি ফুচকা উদ্ধার করা হয়। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

জব্দকৃত ফুচকা বহনের জন্য ব্যবহৃত পিকআপটির আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ টাকা। পুলিশ মালামাল ও পরিবহনের বৈধ কোনো কাগজপত্র প্রদর্শন করতে না পারায় সেটি জব্দ করে।

ওসি আবুল খায়ের আরও জানিয়েছেন, আটকদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠির রাজাপুরে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি নতুন ঘর পেয়ে আবেগে কাঁদলেন জনম দুঃখী হতদরিদ্র জবেতন বিবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে আসামিরা। উল্টো অব্যাহত হুমকি-ধামকিতে মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতা ও চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভার বারইয়ারহাটে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানান ভুক্তভোগীরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে জানায়, সম্প্রতি প্রতিপক্ষ বা দুষ্কৃতকারীরা তাদের ওপর অতর্কিত ও নির্মম হামলা চালায়। এতে পরিবারের বেশ কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ ও মামলা দায়ের করা সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না। উল্টো আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারাত্মক রক্তপাত ঘটানোর পরও আসামিরা অধরা। তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ আমরা বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছি।"
অবিলম্বে ঘটনায় জড়িত সকল আসামিকে গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা

নদী রক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করা সামাজিক সংগঠন নোঙর বাংলাদেশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নোঙর বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষ করে নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয় রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সংগঠনের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন নোঙর বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মো. মনির হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ছগির আহম্মেদ কাজল, সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল চৌধুরী ও মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সরকার।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি এনামুল হাসান ও জেসমিন আক্তার, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ ও তহবিল বিষয়ক সম্পাদক আশিক মান্নান হিমেল, আপ্যায়ন সম্পাদক আবু নাছের রতন, সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক মাজহারুল আহমেদ চৌধুরী মঞ্জু, ইঞ্জিনিয়ার খলিলুর রহমান, মো. নিশাদুল ইসলাম, মো. জয়নাল আবেদীন ও খাদেমুল ইসলাম জীবন।

এ সময় নোঙর বাংলাদেশের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মো. মনিরুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ নোঙর বাংলাদেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নোঙর বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ বলেন, নদী বাঁচলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। নদী ও জলাশয় রক্ষায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোই নোঙর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আগামী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষায় আরও কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটায় মিটার না দেখেই বিল তৈরি ভৌতিক বিলে বিপর্যস্ত হাজারো গ্রাহক, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


কুয়াকাটায় মিটার না দেখেই বিল তৈরি  ভৌতিক বিলে বিপর্যস্ত হাজারো গ্রাহক, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ
 
পটুয়াখালীর পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। পরিশোধ করা এক মাসের বিল পরবর্তী মাসের বিলে পুনরায় যুক্ত হওয়া, প্রকৃত মিটার রিডিং না দেখে অনুমাননির্ভর বিল তৈরি, নির্ধারিত সময়ে বিলের কাগজ না পাওয়া এবং ভুল বিল সংশোধনের জন্য অফিসে গিয়ে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ঘোরার অভিযোগ উঠেছে কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে। স্থানীয় গ্রাহকদের ভাষ্য, জুলাই মাসের বিল নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করার পরও আগস্ট মাসের বিলে অনেকের আগের মাসের পরিশোধিত বিল পুনরায় যুক্ত হয়েছে। এতে কোনো কোনো গ্রাহকের বিল স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি হয়েছে। বিলের কাগজ হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি নজরে এলে অফিসে যোগাযোগ করে তারা সমস্যার কথা জানতে পারেন।স্থানীয়দের দাবি, এসব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চান গ্রাহকরা।গ্রাহকদের মতে, বিদ্যুৎ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য সেবা। তাই বিল প্রস্তুত, মিটার রিডিং সংগ্রহ, বিল বিতরণ, ভুল বিল সংশোধন এবং নতুন সংযোগ দেওয়ার প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
 
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিল পৌঁছাতে দেরি, গুনতে হয়েছে বিলম্ব মাশুল, এদিকে আগস্ট মাসের বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানো নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। ভুক্তভোগীদের দাবি, অনেক গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের শেষ দিনে, অর্থাৎ ৩০ আগস্ট বিলের কাগজ হাতে পেয়েছেন। ফলে পরদিন বিল পরিশোধ করতে গিয়ে কাউকে কাউকে বিলম্ব মাশুল দিতে হয়েছে। গ্রাহকদের প্রশ্ন, বিল যদি সময়সীমার শেষ দিনে হাতে পৌঁছে, তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা বিল পরিশোধের সুযোগ পাবেন কীভাবে? বিল প্রস্তুত কিংবা বিতরণে কোনো ধরনের বিলম্ব হলে তার দায়ভার গ্রাহকদের বহন করতে হবে কেন? বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত এসব জটিলতায় কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়ার পরিবর্তে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে তাদের। অনেকেই বিদ্যুৎ আফিসের ভুল বুঝতে না পেরে অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করেছেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে অতিরিক্ত অর্থ সমন্বয় কিংবা বিল সংশোধনের জন্য একাধিকবার অফিসে যেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। সচেতন নাগরিকদের মতে, কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে পৃথক ‘গ্রাহক অভিযোগ ও নিষ্পত্তি ডেস্ক’ চালু করা হলে ভোগান্তি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকলে গ্রাহকদের এক কর্মকর্তা থেকে অন্য কর্মকর্তার কাছে ছুটতে হবে না।
 
মৎস্যবন্দর আলীপুরের ব্যবসায়ী কাদের মিয়ার মিটার নম্বর ৫০০১৫৮০০৬। আগস্ট মাসে তাঁর বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২ হাজার ৭৮৬ টাকা। তাঁর দাবি, যাচাই শেষে প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ৩৬১ টাকা। একইভাবে গ্রাহক সাদেক হোসেনের মিটার নম্বর ০০২৫০৬৭৫। তাঁর আগস্ট মাসের বিল এসেছে ১ হাজার ৬৪০ টাকা। অথচ সংশোধিত হিসাবে বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ২০৬ টাকা। এছাড়াও জুয়েল ফরাজী, রহিম ফরাজী, মজিদ ফরাজীসহ শত শত গ্রাহকের বিলেও অতিরিক্ত অর্থ যুক্ত হওয়ার অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
 
 মৎস্যবন্দর আলীপুরের মেসার্স সুফিয়া মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী হাজী মো. মহিবুল্লাহ জানান, তাঁর দোকান, বাসা ও অফিসসহ মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ মিটার রয়েছে। আগস্ট মাসে প্রতিটি মিটারেই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বিল আসে। চারটি মিটারের বিল পরিশোধ করার পর পঞ্চম মিটারের বিল দিতে গিয়ে অস্বাভাবিক অঙ্ক দেখতে পান তিনি। তিনি আরো বলেন, বিলের কাগজ যাচাই করে দেখা যায়, জুলাই মাসের বিল আগেই পরিশোধ করা হলেও ওই বিলের অর্থ আগস্ট মাসের বিলের সঙ্গে আবারও যুক্ত করা হয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে তাঁকে অফিসে এসে বিল সংশোধনের পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে অফিসে যাওয়ার পর বিল সংশোধন করে কমিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, যেসব মিটারে অতিরিক্ত বা দ্বিগুণ বিল ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে, সেই অর্থ সরাসরি ফেরত না দিয়ে পরবর্তী মাসের বিলের সঙ্গে সমন্বয় করার কথা অফিস থেকে জানানো হয়েছে।
 
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ভুল যদি অফিসের কারণে হয়ে থাকে, তাহলে গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলো কেন? টাকা ফেরত না দিয়ে পরবর্তী মাসে সমন্বয়ের কথা বলা হচ্ছে কেন? নিজের টাকা সমন্বয় করিয়ে নিতে একজন গ্রাহককে আবার অফিসে আসতে হবে—এটা কেমন গ্রাহকসেবা?”মিটার না দেখেই বিল তৈরির অভিযোগপরিশোধ করা বিল পুনরায় যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি মিটার রিডিং নিয়েও গ্রাহকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের দাবি, অনেক সময় মিটারে থাকা প্রকৃত রিডিং সংগ্রহ না করে অনুমাননির্ভর রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হয়। ফলে কোনো মাসে অস্বাভাবিক বেশি আবার কোনো মাসে তুলনামূলক কম বিল আসে। পরবর্তীতে প্রকৃত মিটার রিডিংয়ের সঙ্গে বিলের হিসাবের পার্থক্য ধরা পড়লে বিষয়টি গ্রাহকদেরই অফিসে গিয়ে জানাতে হয়। গ্রাহকদের মতে, নিয়মিত ও সঠিকভাবে মিটার রিডিং সংগ্রহ এবং যাচাই করা হলে এ ধরনের বিলিং জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
 
এ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কয়েকজন গ্রাহকের বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।অভিযোগ নিয়ে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে দৌড়ঝাঁপ বিল সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে অফিসে গেলে গ্রাহকদের একাধিক টেবিলে ঘোরানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, একজন কর্মকর্তা অন্য কর্মকর্তার কাছে পাঠান, আবার অন্য টেবিল থেকে আরেক টেবিলে যেতে বলা হয়। এতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাওয়া যায় না। গ্রাহকদের অভিযোগ,  শেষ পর্যন্ত অনেককে উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোস্তফা আমিনুর রাশেদের কাছেও যেতে হয়। তবে সেখানেও অভিযোগের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর সমাধান না পাওয়ার দাবি করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।
 
এসব অভিযোগের বিষয়ে কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোস্তফা আমিনুর রাশেদ বলেন, সফটওয়্যারের সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ বিল বেশি হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে।”অতিরিক্ত বিল বা অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, “যদি কেউ কোনো অনিয়ম করে থাকে, সেটা গ্রাহক বুঝে নেবেন।
 
স্থানীয় গ্রাহকদের প্রত্যাশা, এসব অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে বিলিং জটিলতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করা হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে পরিশোধিত বিল পুনরায় যুক্ত হওয়া, ভুল মিটার রিডিং কিংবা ‘ভৌতিক বিল’-এর মতো সমস্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২০০৯ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২০০৯ মামলা

রাজধানীর একটি এলাকায় স্বামীকে হত্যা করে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে আত্মসমর্পণ করেছেন তার স্ত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সবুজবাগ থানার নন্দীপাড়া বড় মসজিদ এলাকা থেকে অভিযুক্ত রেহানা আক্তার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে আত্মসমর্পণ করেন।

নিহতের নাম মাহফুজুর রহমান, যিনি ৪০ বছর বয়সী ছিলেন। পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রী রেহেনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রেহেনা আক্তার নামের একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, আগের রাতে তার স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছেন। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে সবুজবাগ থানাকে বিষয়টি জানায় যাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক কলহ এবং স্বামীর অন্য নারীদের সঙ্গে পরকীয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে রেহানা তার স্বামীকে হত্যা করেন। সবুজবাগ থানার পুলিশ রেহেনাকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%