মোঃ সজিব হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
০৭:০৫ পি.এম
পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন মাওলানা মো. আব্দুর রহিম উজ্জ্বল। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘ডাক্তার’ নামেও পরিচিত। এলাকার মানুষের কাছে এই নামেই তার পরিচিতি রয়েছে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন তিনি।
স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিত মুখ হিসেবে মাওলানা আব্দুর রহিম উজ্জ্বল এলাকাবাসীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের অধিকার ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তিনি মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব হলো জনগণের পাশে থাকা এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা। এ লক্ষ্য নিয়েই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সমর্থন প্রত্যাশা করছেন তিনি।
মেম্বার পদপ্রার্থী মাওলানা মো. আব্দুর রহিম উজ্জ্বল ওরফে ‘ডাক্তার’ ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের ভোটার ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোংলা বন্দরের উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদানকে আরো জোরদার করার জন্য মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে সুসম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা ও ঐক্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী বলেন, "মালিক ও শ্রমিক একে অপরের পরিপূরক। দেশের ও মোংলা বন্দরের বৃহত্তর স্বার্থে ছোটখাটো মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।"
শুক্রবার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেন, শ্রমিকরা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি। বর্তমান সরকার শ্রমিকদের কল্যাণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। শ্রমিক সংগঠন ও সিবিএকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পাশাপাশি যোগ্য নেতৃত্ব গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের নেওয়া উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে মোংলা বন্দরকে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম (মনা)। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শ্রমিক নেতারা, আমদানি-রপ্তানিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ও ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার মো. সোহাগ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান, সাবেক মেয়র ও মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী।
সভাপতির বক্তব্যে রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, "শ্রমিকরাই বন্দরের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।"
অনুষ্ঠান শেষে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা জেটির প্রবেশদ্বারের কাছে দুটি বৃক্ষরোপণ করেন। পরে দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নতি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা পদত্যাগ করেছেন, যা ব্যাংকিং খাতে নজিরবিহীন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ও ভয়াবহ আর্থিক সংকটের প্রেক্ষিতে ব্যাপক গণবিক্ষোভের ফলস্বরূপ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তার পদত্যাগের ঘোষণা আসে, যখন দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির অন্যতম বৃহৎ ব্যাংক উয়েনো ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায় এবং লাখ লাখ গ্রাহকের আমানত আটকে যায়।
উয়েনো ব্যাংক, যা পেনার সরকারের সময়ে একটি অপরিচিত ডিজিটাল ব্যাংক থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়, দাবি করে যে প্যারাগুয়ের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ তাদের গ্রাহক। ব্যাংকটির দেউলিয়া হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হলে, পেরুর কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত সোমবার (২ নভেম্বর) সেটাকে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার আওতায় নেয়। এর ফলে ব্যাংকটির প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহকের আমানত আটকে যায়।
এ অবস্থায়, কয়েক লাখ পরিবার তাদের জমানো টাকা তুলতে পারছে না, যা খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ব্যাপক বিক্ষোভে রাস্তায় নেমে আসে। ব্যাংকটির কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
৪৭ বছর বয়সী অর্থনীতিবিদ পেনা ২০২৩ সালের আগস্টে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন এবং তার মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত ছিল। তবে ব্যাংক কেলেঙ্কারিকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার, তার পদত্যাগের দাবিতে পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেন। একই দিন, আইনপ্রণেতারা ব্যাংক সংকটে অব্যবস্থাপনা ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ তুলে সর্বসম্মতিক্রমে তার বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর পক্ষে ভোট দেন।
পেনা পদত্যাগের ঘোষণা দেন চাপের মুখে। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, আজ আমি আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোর একটিতে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। প্যারাগুয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং এই বিশ্বাস থেকে যে প্রজাতন্ত্র সব সময় যেকোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত, আমি প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
যেভাবে বড় ব্যাংকে পরিণত হয় উয়েনো
১৯৭০-এর দশকে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে উয়েনো ব্যাংক। ২০২১ সালে প্যারাগুয়ের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক ও শিল্পগোষ্ঠী গ্রুপো ভাসকেজ এটি কিনে নেয়। ২০২৩ সালের শেষ দিকে পেনার সরকারের আমলে, ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন পায়।
ব্যাংকটি দ্রুত ব্যবসা সম্প্রসারণ করে এবং মুদি পণ্য কেনাকাটায় আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক সুবিধা দিয়ে গ্রাহক বাড়ানোর পাশাপাশি প্যারাগুয়ের জাতীয় ফুটবল দলের পৃষ্ঠপোষকতাও করে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর), দেশের জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়েরা সরকারের পাশাপাশি বিচার বিভাগের কাছে এ ঘটনায় ‘জোরালো পদক্ষেপ’ নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকটি সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও পেনশন তহবিলের ৮০ কোটি থেকে ৮৫ কোটি ডলার পর্যন্ত আমানত পরিচালনা করত, যার মধ্যে অবসরভাতা তহবিলও ছিল। পেনার সঙ্গে ব্যাংকটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান উয়েনো হোল্ডিংয়ের পূর্ববর্তী শেয়ার সম্পর্ক থাকায়, সরকারি অর্থ বেসরকারি ব্যাংকে জমা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ ওঠে।
পেনা দাবি করেন, অর্থনীতিবিদ হিসেবে তিনি কেবল একটি বিনিয়োগ করেছিলেন এবং ইতোমধ্যে তার সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। তবে সরকারি ও পেনশন তহবিলের অর্থ ব্যাংকটিতে জমা রাখার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে এলে, তিনি এটাকে তার সরকারকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত ‘মিথ্যা সংবাদমাধ্যম প্রচারণা’ বলে অভিহিত করেন।
নিজ দলের নেতারাও চান অভিশংসন
গত বুধবার, বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের পাশাপাশি পেনার নিজ দল কলোরাডো পার্টির কয়েকজন সদস্যও তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব আনেন। ব্যাংকটির পরিচালনাকারী ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর শেয়ারহোল্ডার ছিলেন পেনা, এবং গত বছরের শুরুর দিক পর্যন্ত ওই গোষ্ঠীতে তার শেয়ার ছিল বলে জানা গেছে।
এছাড়া, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ব্যাংকটির কার্যক্রম নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে দেওয়া সতর্কবার্তাগুলো তিনি উপেক্ষা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়ে। পেনার সাবেক মিত্র ও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট হোরাসিও কার্তেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অভিশংসনের পক্ষে অবস্থান জানান।
কার্তেস লেখেন, ‘সরকারি, বেসরকারি ও অবসরভোগীদের অর্থ চুরির পক্ষে আমরা দাঁড়াব না। আমাদের জনগণের কথা ভাবতে হবে এবং কলোরাডো পার্টির যে মূল্যবোধ আমরা ধারণ করি, তা রক্ষা করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনার অভিশংসনকে সমর্থন করছি।’
এরপর দলের আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা অভিশংসনের পক্ষে অবস্থান নেন। এই পরিস্থিতিতে পেনা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘দেশের স্থিতিশীলতা, সামাজিক শান্তি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো সময়ে আমি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়ে থাকলে তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি। তবে এই মুহূর্তে আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো সেই প্যারাগুয়েবাসীর মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করা, যারা আমাদের আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আস্থা রেখে নিজেদের সঞ্চয় জমা রেখেছিলেন। আমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা, তাদের অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা।’
কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে আসার পর থেকে বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও বিবৃতিতে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন পেনা। তবে বিরোধী দলের সিনেটর রাফায়েল ফিলিজোলা ঘটনাটিকে দেশটির গণতান্ত্রিক যুগের সবচেয়ে বড় আর্থিক জালিয়াতি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি ১০২০ এএম রেডিওকে বলেন, ‘রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ব্যাংক এটি। রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগত ব্যবসায় সরকারি অর্থ ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই ব্যাংকটি গড়ে তোলা হয়েছিল। আর এর নেতৃত্বে ছিলেন স্বয়ং প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট।’
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র পেনা
সাবেক অর্থমন্ত্রী পেনা ‘সমৃদ্ধ প্যারাগুয়ে’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসেন। লাতিন আমেরিকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া লাতিন আমেরিকার অল্প কয়েকজন প্রেসিডেন্টের একজন ছিলেন তিনি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ ওয়াশিংটনের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা পেনাকে বারবার ‘কৌশলগত অংশীদার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন সফরও করেন তিনি। তবে পেনার পদত্যাগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প বা রুবিওর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।
কে হচ্ছেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট?
পেনার পদত্যাগের পর তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। নিয়ম অনুযায়ী, তার পদত্যাগপত্র প্রথমে কংগ্রেসে গৃহীত হতে হবে। সেটি অনুমোদিত হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেবেন। তবে উয়েনো ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে আলিয়ানারও সম্পৃক্ততার সন্দেহ রয়েছে। যদিও তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পেনার পদত্যাগের ঘোষণার প্রায় এক ঘণ্টা পর দেশটির নিম্নকক্ষ সর্বসম্মতিক্রমে তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব অনুমোদন করে। এখন প্রস্তাবটি সিনেটে পাঠানো হবে।
অভিশংসন প্রস্তাব সিনেটে অনুমোদিত হলে পদত্যাগের পরও পেনা তার সিনেট সদস্যপদ হারাতে পারেন। এর ফলে সংসদ সদস্য হিসেবে পাওয়া আইনি দায়মুক্তিও আর থাকবে না। তখন সাধারণ আদালতে তার বিরুদ্ধে যেকোনো ফৌজদারি মামলার বিচার পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন সম্প্রতি রুকনদের ভোটে পুনর্নির্বাচিত মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, আগামী ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরার অধিবেশনে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও ঢাকা মহানগরী অঞ্চলের পরিচালক মিয়া গোলাম পরওয়ার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুর রহমান মূসা এবং মাহফুজুর রহমান।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পরপর সব মহানগরী ও জেলায় আমির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ জন্য দলের একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন রয়েছে এবং কমিশনের বিধি অনুযায়ী সারা দেশে এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ৭৯টি সাংগঠনিক শাখার মধ্যে ৭৭টি শাখার আমির নির্বাচনের ফলাফল গত ৪ নভেম্বর জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন। ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখা এই নির্বাচনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এখানে পুরুষ ও মহিলা রুকনদের প্রত্যক্ষ ভোটে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন পুনরায় আমির হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আগামী ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের জন্য।
শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী তার গঠনতন্ত্রের আলোকে প্রতি দুই বছর অন্তর অধস্তন সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল নির্বাচন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৭-২০২৮ মেয়াদকালের নির্বাচন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সারা দেশে প্রায় দেড় লাখ নারী-পুরুষ রুকন নিজ নিজ শাখায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।’
গত ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মহানগর উত্তরের রুকন সম্মেলনে ১৩ হাজার ভোটার ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য আমির নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। পুরুষ ও মহিলা রুকনরা প্রত্যক্ষ ও গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তাঁদের মতামত জানান। এর আগে ৪ অক্টোবর জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাওলানা এ টি এম মাসুম নির্বাচনের ফলাফল আমিরের কাছে হস্তান্তর করেন।
দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল এবং ২০০৪-২০০৫ সালে কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন শেষে তিনি দিগন্ত টেলিভিশনের অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে ভূমিকা রাখেন এবং ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৮-২০১১ সাল পর্যন্ত রমনা থানা আমির, ২০১২-২০১৬ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি এবং ২০১৭ সাল থেকে ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবেও বেশ আলোচিত ছিলেন। তিনি একজন দক্ষ সংগঠক, একাধিক বইয়ের লেখক ও প্রবীণ রাজনীতিক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, চলতি মাসের মধ্যেই ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা গঠন করা হবে। শূরা সদস্যরা রুকনদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। নির্বাচিত আমির মজলিসে শূরার সঙ্গে পরামর্শক্রমে কর্মপরিষদ গঠন করবেন এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক নায়েবে আমির, সেক্রেটারি ও সহকারী সেক্রেটারি মনোনয়ন দেবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে থানা আমির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলতি মাসের মধ্যে থানা বা উপজেলায় এবং ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইউনিট পর্যন্ত দায়িত্বশীলদের নির্বাচন ও মনোনয়ন সম্পন্ন করতে কেন্দ্রীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) অধীন প্রেমতলী, ইউসুফপুর ও মাজারদিয়া বিওপির আভিযানিক দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫৯ বোতল ভারতীয় জেডি মদ, ৭ হাজার পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্ট্যান্স, ১০৪ পিস যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ডিআর.এক্স-১০০ এমজি এবং ২০০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
শুক্রবার সকালে ১ বিজিবি, সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজিবি জানায়, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট থানায় এবং চোরাচালানি পণ্য রাজশাহী শুল্ক গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ