জাহিদ হাসান নাটোর রাজশাহী প্রতিনিধি
০১:৩৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করবে না। যারা রাজপথে বিশৃঙ্খলা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট ফ্যাসিবাদী সরকারের অপরিপক্বতার ফল। বাধা পেরিয়ে রাষ্ট্র মেরামতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
কৃষকদের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামর্থ্য অনুযায়ী কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে সরকার। কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
নারী শিক্ষা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী সমাজকে এগিয়ে নিতে স্নাতক পর্যন্ত নারী শিক্ষা ফ্রি করা হবে। যেসব মেয়ে ভালো ফলাফল করবে, তাদের উপবৃত্তি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সারা দেশে দরিদ্র ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ প্রদান করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনই সরকারের লক্ষ্য। যে কাজ করলে মানুষের উপকার হবে, সরকার সে কাজই করতে চায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড এবং ভারতীয় টেলিভিশন জগতে বিভিন্ন সময়ে এমন কিছু তারকা রয়েছেন যারা ভিন্ন ধর্মের মানুষদের সঙ্গে বিয়ের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তাদের মধ্যে কিছু তারকা বিয়ের আগে বা পরে ইসলাম গ্রহণের বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এবং সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধর্মেন্দ্র-হেমা মালিনী থেকে শুরু করে শর্মিলা ঠাকুর, অমৃতা সিং, আয়েশা টাকিয়া, দীপিকা কাকর এবং রাখি সাওয়ান্ত—বিয়ের সঙ্গে ধর্ম পরিবর্তনের প্রসঙ্গে আলোচনায় আসা কয়েকজন তারকার তথ্য এখানে তুলে ধরা হলো।
ভারতের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদিকে বিয়ে করার পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি ‘বিগ বলিউড বাফস’-এর একটি ইউটিউব আলোচনায় শর্মিলা ও মনসুরের মেয়ে সাবা পতৌদি জানান, তার মা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তার বাবা-মায়ের বিয়ের সময়। তাদের সন্তানদের ধর্মীয় বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করার জন্য ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সাবা।
সাবার ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের পরিবারে হিন্দু ধর্মীয় আচার পালনের চর্চা বা মন্দিরে যাওয়ার কোনো অভ্যাস ছিল না।
অভিনেত্রী আয়েশা টাকিয়া ব্যবসায়ী ফারহান আজমিকে বিয়ে করেন, যিনি সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক আবু আজমির ছেলে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আয়েশা বিয়ের জন্য হিন্দুধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
বিয়ের পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘আয়েশা আজমি’ রাখেন বলে জানা যায়।
২০০৯ সালে ফারহানকে বিয়ে করার সময় আয়েশার বয়স ছিল মাত্র ২৩ বছর।
অভিনেত্রী অমৃতা সিং শিখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকে বিয়ের আগে ইসলাম গ্রহণ করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৯১ সালের জানুয়ারিতে ইসলামি রীতিতে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর অমৃতা অভিনয় থেকে কিছুটা দূরে চলে যান। দীর্ঘ ১৩ বছর সংসার করার পর, ২০০৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
এই দম্পতির দুই সন্তান—অভিনেত্রী সারা আলি খান এবং ইব্রাহিম আলি খান।
জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী দীপিকা কাকর অভিনেতা শোয়েব ইব্রাহিমকে বিয়ে করেন। শোয়েবকে বিয়ের সময় দীপিকা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিয়ের পর দীপিকা ‘ফাইজা’ নাম গ্রহণ করেছেন বলেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।
এ বিষয়ে দীপিকা কথা বললেও অতিরিক্ত বিস্তারিতভাবে আলোচনা করতে আগ্রহী ছিলেন না। অন্যদিকে, শোয়েব এবং দীপিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভ্লগের মাধ্যমে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করে আসছেন।
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর বিয়ের সঙ্গে ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর তাকে তালাক দিতে রাজি না হওয়ায়, হেমা মালিনীকে বিয়ে করার জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছিল। তবে ধর্মেন্দ্র এই বিষয়ে অস্বীকার করেছেন।
ফলে, এই ঘটনাটি নিয়ে অনেক বিতর্ক এবং আলোচনা বিদ্যমান।
৬. রাখি সাওয়ান্ত
বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হওয়া অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তের ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টিও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
প্রায় ২০০৯ সালে রাখি তার মায়ের সঙ্গে হিন্দুধর্ম থেকে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন এবং এটি ছিল তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে খুব বেশি কথাও বলেননি।
পরবর্তীতে, ব্যবসায়ী আদিল খান দুরানিকে বিয়ে করার সময় রাখি ইসলাম গ্রহণ করেন বলে জানা যায়। তখন তিনি নিজের নাম ‘ফাতিমা’ রাখেন এবং বোরকা পরে দেখা যায়।
৭. ভিভিয়ান ডিসেনা
জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা ভিভিয়ান ডিসেনা ২০১৮ সালে একটি কর্মসূত্রে মিশরীয় সাংবাদিক নূরান আলির সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাদের মধ্যে একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাবেক স্ত্রী ভাহবিজ দোরাবজির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর, নূরানের সঙ্গে ভিভিয়ান খুব ঘনিষ্ঠ হন।
ভিভিয়ান নিজেই জানান, ২০১৯ সালের রমজান মাসে ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি।
এবং ২০২২ সালে ভিভিয়ান ডিসেনা ও নূরান আলি ব্যক্তিগত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিক শিশির মনির গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটকে শুধুমাত্র সরকারের বা কোনো রাজনৈতিক দলের সমস্যা হিসেবে না দেখে জাতীয় সংকট হিসেবে বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি রোববার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট আছে। এটা সত্য। এটি দেশের সংকট। শুধু সরকার, দল বা গোষ্ঠীর সংকট নয়।’
এ খাতে সমস্যা সমাধানে সকল পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘এই সংকট নানা কারণে হতে পারে। সবাইকে নিয়ে বসুন। সবাই সমাধান চায়। ইগো দেখানোর কিছু নেই।’
শিশির মনিরের এই বক্তব্য সম্প্রতি গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এসেছে। শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত সমাধানে বিরোধী দলগুলোর প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সংকট সমাধান করা সম্ভব—এমন কোনো পরিকল্পনা বিরোধী দলের কাছে থাকলে তা সরকারকে দিতে পারে; কার্যকর হলে সরকার সেটি গ্রহণ করবে। প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, আগামী ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হবে এবং সেখানে বিরোধী দলকে তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে শনিবার ঢাকা-১৭ আসনে একটি আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কারণে মানুষের দুর্ভোগ রয়েছে এবং এ পরিস্থিতির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার পর গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, এবং কারিগরি ত্রুটি মেরামত করা হয়েছে। তার আশা, কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাসের সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
শিশির মনিরের বক্তব্যে সংকট মোকাবিলায় রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে গিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যের মূল সুর হলো—পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বদলে সরকার, বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে বসে জনগণের ভোগান্তি কমানোর জন্য কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যার মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর। ওইদিন সাবেক দুই মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও হাসানুল হক ইনুকে হাজির করার নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার (১৬ আগস্ট) প্রসিকিউশনের আবেদনের পর বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশটি প্রদান করেন।
এর আগে সকালে এই মামলায় গ্রেপ্তার ৯ জন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
গত ২৭ জুলাই শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। শাপলা চত্বরের ঘটনার ফলে এ পর্যন্ত নিহত ৬১ জনের একটি তালিকা পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় ইতোমধ্যেই শনাক্ত করা হয়েছে।
মামলায় গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সামিল রয়েছেন—সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, শামসুল হক টুকু, জিয়াউল আহসান, এ কে এম শহীদুল হক, শাহরিয়ার কবির, আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল বাবু। এই মামলায় শেখ হাসিনা, সাবেক আইজিপি বেনজীর, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ, ইমরান এইচ সরকারসহ ৩০ জন ব্যক্তি এখনও পলাতক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ