শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ১৪ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্র মো. নাঈমকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মো.ইব্রাহীম খলিল ক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর জঙ্গালিয়া গ্রামের তোফাজ্জল হকের ছেলে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা আক্তার সুমি বাদী হয়ে নিহতের বাবাকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামের একটি ধানখেতের পাশ থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাঈম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরজঙ্গালিয়া গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।
নাঈমের নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, সোমবার রাতে নাঈম আমার বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে ফজরের নামাজের সময় আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের দরজা খোলা এবং নাঈম শয়নকক্ষে নেই। পরে সকাল ৭টার দিকে সার আনতে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানখেতের পাশে রাস্তার ওপর নাঈমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে তার মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। এরপর নাঈম নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর রাতের খাবার খেয়ে নানার বসত ঘরেই ঘুমিয়ে ছিল নাঈম। সকালে। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানক্ষেতের পাশে পাওয়া যায় তার মরদেহ। গত ২০-২৫ দিন আগে নাঈমের মা সুমি আক্তার দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল সাবেক স্ত্রী সুমির ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিলেন। ছেলের আয়-রোজগার খেয়ে কীভাবে মা খায়, তা দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার পরপরই নাঈমের মা সুমি তার সাবেক স্বামী খলিলকে সন্দেহ করেন। সকালে নাঈমের মৃত্যুর খবর জানাতে খলিলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তিনি নিজে ফোন করলে ছেলের মৃত্যুর খবর তাকে জানানো হয়। সুমি দ্বিতীয় বিয়ে করায় খলিল তার ছেলেকে শ্বশুরের ঘর থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত বাবাকে কৌশলে আটক করা হয়। পরে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ছেলের হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। শুক্রবার বিকেলে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। পরবর্তীতে হত্যাকান্ডের কারণ জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ দল ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে। প্রথমার্ধে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা নিজেদের সেরাটা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ১৩৬ নম্বরে অবস্থান করা দলের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই বাংলাদেশ দুই গোল হজম করেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ম্যাচ শুরু হওয়ার পর থেকেই মালয়েশিয়া অনেকটা গোছানো ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ছিল ছন্নছাড়া। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলটি গোলবার বরাবর শট নিয়েছিলেন মালয়েশিয়ার আক্রমণভাগের এক ফুটবলার।
বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ কোনোমতে তা টোকা দিয়ে বাইরে পাঠাতে সক্ষম হন। এরপরও মালয়েশিয়ার আক্রমণভাগের ফুটবলাররা একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। বাংলাদেশ দলের রক্ষণভাগ তাদের আটকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু ম্যাচের ১৮তম মিনিটে গোলবার অক্ষত রাখা সম্ভব হয়নি।
মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের বাড়ানো বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মালয়েশিয়ার ১০ নম্বর জার্সিধারী ফরোয়ার্ড আরিফ আইয়ান। তিনি আলতো করে টোকা দিয়ে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন।
ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে তপু বর্মণের ভুলের কারণে বাংলাদেশ আরও একটি গোল হজম করে। এসময় তপুর দেওয়া ভুল পাশের বল পেয়ে যান মালয়েশিয়ার সেরা তারকা আরিফ আইমান।
তিনি সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি। নিজের দ্বিতীয় গোল করার সঙ্গে ব্যবধানও দ্বিগুণ করেন আরিফ। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-০ গোল ব্যবধানে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের পুরনো প্রেম আবারও জাগ্রত হয়েছে।
শুক্রবার ঝিনাইদহের নতুন হাটখোলা জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগের প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে জনগণের ধারণা পরিষ্কার। যদি নির্বাচনে কোনো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়ে থাকে, তবে তা জামায়াত ও এনসিপির পক্ষ থেকেই হয়েছে। সাধারণ জনগণ বিশ্বাস করে না যে তারা প্রকৃত ভোটের মাধ্যমে সংসদে গিয়েছে।
এ সময় জেলা বিএনপি সভাপতি জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, বিএনপি নেতা রনসহ ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি, মুম্বাইয়ের বিখ্যাত লালবাগচা রাজার মণ্ডপে গণপতি দর্শনে গিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। তার সঙ্গে ছিলেন সহ-অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকার। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে একের পর এক আলোচনা শুরু হয়েছে।
গোবিন্দ কিছুদিন ধরে তার ব্যক্তিগত জীবনের কারণে বলিপাড়ায় বারবার আলোচনায় আসছেন। এবার, মামাশ্বশুর গোবিন্দের লালবাগচা রাজার মণ্ডপের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর অভিনেত্রী কাশ্মীরা শাহ রহস্যময় একটি পোস্ট দিয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে কাশ্মীরা লিখেছেন, ‘বিশ্বাসই করতে পারছি না— মানুষ কেন একজন ‘রহস্যময় নারী’কে নিয়ে এত বড় করে পোস্ট করছে? তিনি বলেন, ‘ঘরভাঙানি’দের উৎসাহ দেওয়া বন্ধ করুন এবং যে পুরুষেরা তাদের আজীবনের সঙ্গী স্ত্রীদের ছেড়ে কমবয়সি, উচ্চাকাঙ্ক্ষী মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তাদের আদর্শ হিসেবে দেখানো বন্ধ করুন— এটা অত্যন্ত জঘন্য বিষয়।’
কাশ্মীরা আরও বলেন, ‘মানুষের কাছ থেকে আরও বিবেচনাবোধ এবং নৈতিকতা আশা করেছিলাম। দয়া করে এই উন্মাদনা বন্ধ করুন।’
উল্লেখ্য, অভিনেতা গোবিন্দের ভাগ্নে কৃষ্ণা অভিষেকের স্ত্রী কাশ্মীরা শাহ। যদিও সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি, তবে এক কাপ কফি হাতে এ পোস্ট যে মামাশ্বশুরকে উল্লেখ করেই তা বলাই যায়।
কাশ্মীরার এই পোস্টের কারণে অনেকেই তার প্রশংসা করেছেন। এক নেটিজেন বলেছেন— ‘সুনীতা আহুজার মতো একজন স্ট্রং নারীর পাশে অন্য একজন নারীকে দাঁড়াতে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। এটা সত্যিই প্রয়োজন ছিল।’
আরেক নেটিজেন বলেছেন—‘মামির পাশে যেভাবে তুমি দাঁড়ালে সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। তোমায় অনেক অনেক ধন্যবাদ কাশ্মীরা।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদে মিছিলের ডাক দিয়েছে। রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করতে পাকিস্তান সরকার কার্যত লকডাউন করে ফেলেছে, যাতে সমর্থকদের মিছিল ঠেকানো যায়।
দেশের প্রধান সড়কগুলোতে শিপিং কনটেইনার বসিয়ে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পিটিআই জানিয়েছে, তারা নির্ধারিত কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। অন্যদিকে, সরকার বলেছে, রাজধানীর সড়ক বন্ধ করে জনজীবন ব্যাহত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ নিয়ে সরকার এবং ইমরান খানের দলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
মিছিলের আগে ইমরান খানের তিন বোন, আলিমা খান, উজমা খান ও নোরিন নিয়াজি আটক হয়েছেন। পাশাপাশি পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন কর্মী ও নেতাকেও আটক করা হয়েছে বলে দলটি জানিয়েছে।
এই বিক্ষোভ পাকিস্তানে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। ইমরান খানের কারাবাস এবং তার দলকে বিভিন্নভাবে চাপে রাখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এর আগে দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে।
যদি বিপুলসংখ্যক মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয় বা রাজধানীতে যাওয়ার পথে সংঘর্ষ হয়, তাহলে ব্যবসা ও পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে। এতে সরকারের ওপর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট মোকাবেলার চাপ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, পাকিস্তানের ৭০০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির পর্যালোচনা করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি দল বর্তমানে দেশটিতে রয়েছে। দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকটের পর এই কর্মসূচি পাকিস্তানের অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে সহায়তা করছে।
এই সপ্তাহে আইএমএফের প্রতিনিধিদল করাচিতে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। পরিকল্পিত বিক্ষোভের পরদিন সোমবার তাদের ইসলামাবাদে যাওয়ার কথা রয়েছে।
‘দ্য নিউজ’-এর প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, রাজধানীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের ইসলামাবাদ সফরের পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার শিপিং কনটেইনার অস্থায়ী ব্যারিকেড হিসেবে বসানো হয়েছে। রবিবারের পরিকল্পিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ২২ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি না থাকায় ওই কর্মকর্তা ব্যারিকেড বসানোর নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।
ইমরান খানের সঙ্গে শিপিং কনটেইনারের এমন ঘটনার আগেও সম্পর্ক রয়েছে। ২০২২ সালে একটি বিক্ষোভ মিছিলে সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলার সময় তিনি একটি কনটেইনারের ওপর দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় এক বন্দুকধারীর গুলিতে তিনি পায়ে আহত হন।
দুর্নীতির একটি মামলায় ইমরান খান ১৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তার পরিবার ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, কারাগারে তাকে অমানবিক পরিবেশে রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, খান দিনে প্রায় ২৩ ঘণ্টা একটি ছোট কক্ষে থাকেন, যেখানে প্রাকৃতিক আলো নেই এবং অন্য বন্দিদের সঙ্গেও তার যোগাযোগের সুযোগ নেই। তবে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
রবিবারের বিক্ষোভ সামনে রেখে সরকারের মন্ত্রীরা মিছিল ঠেকানোর কথা জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি চলতি সপ্তাহের শুরুতে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের কারণে দেশ অচল হয়ে পড়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
এরই মধ্যে ইসলামাবাদে প্রবেশের প্রধান মহাসড়ক ও অন্যান্য সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই-শাসিত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়ার সঙ্গে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগও রয়েছে।
পাকিস্তানের ডন পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদজুড়ে দুই মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে, যার আওতায় পাঁচ বা ততোধিক লোকের সমাবেশ এবং জনসমাগমস্থলে র্যালি ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঞ্জাব নিরাপত্তা জোরদার করতে রাওয়ালপিন্ডিসহ চারটি জেলায় আধাসামরিক রেঞ্জার্স মোতায়েনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেছে। মিছিলের আগে প্রদেশটি মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখারও দাবি জানিয়েছে।
পিটিআই সরকারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষমতা ব্যবহারের অভিযোগ করেছে। পিটিআই চেয়ারম্যান গোহর আলী খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যখন ইসলামাবাদে প্রবেশ করব, তখন সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকাসহ একটি উৎসবমুখর পরিবেশ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ