ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরানের ৬০০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি


যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরানের ৬০০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করেছে। এই তেলের বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি ডলার বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে ওই যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়ে গেছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। নতুন হামলায় ইরানের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়াও, জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং একজন নিখোঁজ রয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল বেসরকারি সংস্থা ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরানের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

এটি জানাচ্ছে যে যুদ্ধবিরতি চলাকালে ইরান প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করতে সক্ষম হয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে, ইরানের প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকার এশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

পুনরায়, ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রনালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল একটি নথি প্রকাশ করেছে। ওই নথিতে দেখা যায়, ইরানের তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রির জন্য একটি সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে ৭ জুলাই ওই সাধারণ লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এই লাইসেন্সটি ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল।

এদিকে, ইরানের সঙ্গে নতুন সংঘাত শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা, রিফুয়েলিং বিমান এবং এফ-১৬ ও স্টেলথ এ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এই তথ্য জানিয়েছে যে জার্মানির স্পাংডাহলেম বিমানঘাঁটি থেকে এফ-১৬ এবং ব্রিটেন থেকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। এসব বিমান প্রয়োজনে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহায়তা করতে পারে এমন রাডার ধ্বংসের মিশনও করতে পারে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ার কাছে চীনের জবাবদিহি জরুরি

একইসঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে এবং পরে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা সতর্কতা প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটনের মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং যেকোনো সময় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ দূতাবাসে ইতালির রোমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


বাংলাদেশ দূতাবাসে ইতালির রোমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন

এই দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠানটি চলাকালীন ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

পরে দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং এই আন্দোলনকে সর্বজনীন রূপ দেওয়ার জন্য দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শ্রমিকসহ সব স্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তার বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধ এবং সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের রুহের মাগফিরাত ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি বক্তব্যের মধ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান ও স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

জুলাইয়ের চেতনা ও আত্মত্যাগ থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের পূর্ণ সুস্থতা এবং বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, ইতালির নাগরিক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মব সংস্কৃতি চালু করেছেন এনসিপি নেতারা: বুলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


মব সংস্কৃতি চালু করেছেন এনসিপি নেতারা: বুলু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা ইউনূস সরকারের অংশ ছিলেন এবং তাদের কথাবার্তা লাগামহীন। দেশে মবোক্রেসির সংস্কৃতি তারা প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ভাসানী জনশক্তি পার্টি আয়োজিত ‘২০২৪ এর জুলাইয়ের গণঅভ্যুথান এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বরকত উল্লাহ বুলু এই কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ভূরাজনৈতিক কারণে দেশের অস্থিতিশীলতার চিন্তা থেকে ফ্যাসিস্টরা ভারতে বসে দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। নৈরাজ্য সৃষ্টি করে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

বরকত উল্লাহ বুলু বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে শেখ মুজিব উনিশ শতকের একনায়কতন্ত্র গঠন করেছিলেন, এই মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই কারণেই তার পতন ঘটেছিল।

এ সময় দেশে ভিন্নদিকে ধাবিত হওয়ার অপচেষ্টা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, দেশকে সুদৃঢ় ঐক্যের মধ্যে নিয়ে যেতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ জিতেও আসল ট্রফি ঘরে নিতে পারে না চ্যাম্পিয়ন দল, কারণ জানেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


বিশ্বকাপ জিতেও আসল ট্রফি ঘরে নিতে পারে না চ্যাম্পিয়ন দল, কারণ জানেন?

ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলার স্বপ্ন সব ফুটবলারের থাকে। তবে অনেকের কাছে অজানা যে ফাইনালে জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়রা যে ট্রফি উঁচিয়ে ধরে উদযাপন করেন, সেটি স্থায়ীভাবে তাদের কাছে থাকে না। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই ফিফা প্রকৃত ট্রফিটি ফেরত নিয়ে নেয়।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ফাইনাল শেষে বিজয়ী দল কিছু সময়ের জন্য আসল বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে উদযাপনের সুযোগ পায়। তারপর নিরাপত্তার জন্য ট্রফিটি ফেরত নেওয়া হয়। পরে চ্যাম্পিয়ন দলকে তাদের দেশের নাম খোদাই করা সোনালি আবরণযুক্ত ব্রোঞ্জের তৈরি একটি রেপ্লিকা ট্রফি দেওয়া হয়।

আসল বিশ্বকাপ ট্রফিটি বছরের বেশির ভাগ সময় সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত ফিফা মিউজিয়ামে সংরক্ষিত থাকে। এটি বিশেষ প্রদর্শনী, ট্রফি ট্যুর অথবা বিশ্বকাপ চলাকালীন কিছু নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের বাইরে আর কখনও বের করা হয় না।

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে এমন কঠোর নিরাপত্তার পেছনে রয়েছে ইতিহাস। পুরোনো জুল রিমে ট্রফিটি ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় চুরি হয়। পরে 'পিকলস' নামে একটি কুকুর সেটি উদ্ধার করে। কিন্তু ১৯৮৩ সালে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের সদর দপ্তর থেকে দ্বিতীয়বার চুরির পর সেই ট্রফিটি আর কখনো উদ্ধার করা যায়নি। ধারণা করা হয়, সেটি গলিয়ে ফেলা হয়েছিল।

জুল রিমে ট্রফিটি ১৯৭০ সালে তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের পর স্থায়ীভাবে ব্রাজিলের মালিকানায় চলে যায়। এরপর নতুন ট্রফি তৈরির উদ্যোগ নেয় ফিফা।

বর্তমান বিশ্বকাপ ট্রফির নকশা তৈরি করেছেন ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগা। ১৯৭৪ বিশ্বকাপ থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসা এই ট্রফিটি ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি। এর উচ্চতা ৩৬ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার এবং ওজন প্রায় ৬ দশমিক ২ কেজি। ট্রফির নকশায় দুইজন মানুষের হাতে পৃথিবীকে তুলে ধরার প্রতীকী অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

অর্থাৎ, বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি চিরকাল থাকলেও আসল ট্রফি নয়, বরং তার হুবহু প্রতিরূপই স্থায়ীভাবে নিজেদের কাছে রাখতে পারে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধান রোপণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল দুই কৃষকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


ধান রোপণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল দুই কৃষকের

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কৃষি জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করার সময় একটি ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই কৃষকের মৃত্যু সংগঠিত হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে ফটিকছড়ি থানার মীরেরখীল এলাকার পশ্চিম পাশের একটি ফসলি জমিতে এই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন— মোহাম্মদ ইউনুস ও মো. হাসেম। মোহাম্মদ ইউনুস হলেন ভূজপুর মিরেরখীল পশ্চিম পাড়া সমছুর বাপের বাড়ির মাহাবুবুল আলমের সন্তান এবং মো. হাসেম একই এলাকার কারিগর পাড়ার প্রকাশ টুক্কুর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, বিকালে মীরেরখীলের পশ্চিমে একটি কৃষি জমিতে আমন ধান রোপণের কাজ করছিলেন দুই কৃষক। এই সময় বিদ্যুতের একটি লাইনের ছিঁড়ে আগে থেকেই ফসলি জমিতে পড়ে ছিল। অসাবধানতাবশত ওই ছেঁড়া তারের সংস্পর্শে এলে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি যে, কৃষি জমিতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ব্যক্তি মারা গেছেন। নিহতদের বাসস্থান ভূজপুর থানার এলাকায় হলেও দুর্ঘটনাস্থলটি ফটিকছড়ি থানা সীমানার মধ্যে পড়েছে। তাই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ফটিকছড়ি থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

ফসলি জমিতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পড়ে থাকার পেছনে বিদ্যুৎ বিভাগের কোনো অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%