ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এজলাসে অসুস্থ সাবেক এমপি তুহিন, বললেন- ‘প্রেসার বাড়ল না কমল, বুঝব কেমনে?’


এজলাসে অসুস্থ সাবেক এমপি তুহিন, বললেন- ‘প্রেসার বাড়ল না কমল, বুঝব কেমনে?’

 

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির পরবর্তী তারিখ আগামী ১৪ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালত এই তারিখ ঠিক করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. জাকির হোসাইন এ সংক্রান্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: পিএসসির দুই সদস্যের পদত্যাগ, সদস্য সংখ্যা ২০ থেকে ১৮

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আজ শুনানির জন্য এই মামলায় কারাগারে থাকা ২৬ আসামিকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়েছে। এদের মধ্যে ছিলেন ২১ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী আসামি। তাদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন শুনানি শুরু হয়ে যায়।

শুনানি চলাকালীন একপর্যায়ে আদালত কক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং মামলার আসামি সাবিনা আক্তার তুহিন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আদালত কক্ষে একটি বেঞ্চে বসানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং মাথায় পানি দেওয়া হয়।

এ সময় তুহিন বলেন, কারাগারে খাবারের কষ্টের কথা তুলে ধরে তার আইনজীবী পলাশী মজুমদারের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ‘আমারে যা করার করুক। আর যেন আমাদের না আনে। সেই ভোরবেলা নিয়ে আসা হয়েছে। খারাপ লাগছে। মনে হয় ডায়াবেটিস নেমে গেছে। প্রেসার বাড়ল না কমল তা বুঝব কেমনে। কোনো আইন নাই, রুলস নাই।’

নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘আমি ডায়াবেটিস, হার্টের রোগী। ভোরবেলা নিয়ে আসা হয়। কলা আর রুটি দেয়। কলা খেতে পারি না, নষ্ট। আর আমাদের কোনো খাবার দেয় না। আমরা আর তো পারি না। সকাল থেকে বসায় রাখছে।’

আরও পড়ুন: সুপ্রিমকোর্টে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া আগামীকাল

আজ আদালতে সাবিনা আক্তার তুহিনসহ কয়েকজন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি শেষ করেন। অন্যদিকে, বাকি কয়েকজন আসামির আইনজীবীরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে এই মামলা দায়ের করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।

এরপর গত বছরের ১৪ আগস্ট আদালত এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ২৬১ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। পরবর্তীতে ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কারণে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ থেকে বর্তমান ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে বদলি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে মেয়েসহ ছিনতাইয়ের কবলে সিনিয়র সাংবাদিক আরিফ আলম দিপু

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাত করার নির্দেশনাসহ দেশবিরোধী বক্তব্য দেন, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


খুলনায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মা হচ্ছেন সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক। একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা, নৈতিকতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। এ উপলব্ধিকে সামনে রেখে আজ বুধবার বেলা ১১টায় দিঘলিয়া উপজেলায় সেনহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর একটি পরিবেশে ‘মা সমাবেশ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাশ গুপ্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক এম. সিদ্দিক-উজ-জামান, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মাকসুদা খানম, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য শেখ মোহাম্মদ আলী মিন্টু এবং অভিভাবক সদস্য সৈয়দ রাশেদুজ্জামান।

মায়েদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন ফারজানা ইয়াসমিন রুবা। এই আয়োজনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের মায়েরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষায় জিপিএ ৫ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থী নাঈমা হাসান তন্দ্রা ও জান্নাতুল ফেরদৌস জয়ীতার মায়ের হাতে ‘গর্বিত মা’ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

এই আয়োজনে মা, শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অতিথিরা। মা সমাবেশ স্মরণীয় করে রাখতে বিদ্যালয় সবুজ চত্বরে ১টি শিউলি ও ১টি জবা ফুলের চারা রোপণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ৪ জন দালালের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


সিলেটের এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ৪ জন দালালের কারাদণ্ড

সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব ও জেলা প্রশাসন। এই অভিযানে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষের হয়রানি ও প্রতারণার অভিযোগে চারজন দালালকে আটক করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়।

বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, জেলা প্রশাসন ও র‍্যাবের যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

এই অভিযানটি রাত ১০টা ১০ মিনিট থেকে ১০টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত চলে। অভিযানের সময় সরকারি দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেয়ার অপরাধ এবং রোগীদের প্রতারিত করার জন্য চারজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে, যখন তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে, তখন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৬ ধারায় দণ্ড প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন তানভীর আহমেদ সুমন (৩০), সায়েম আহমেদ (৩৪), বকুল মিয়া (৫৬) ও সুমন আহমেদ (২৮)। তাদের মধ্যে তানভীর আহমেদ সুমন এবং সায়েম আহমেদকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়, অন্যদিকে বকুল মিয়া ও সুমন আহমেদকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, সম্প্রতি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালচক্রের কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনেরা মুখোমুখি হয়েছেন নানানভাবে হয়রানির। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং হাসপাতালের সেবার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে র‍্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনস্বার্থে এ ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষা খাতের বরাদ্দের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


শিক্ষা খাতের বরাদ্দের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার দেশের শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত বাজেটে এবছর শিক্ষা খাতে জিডিপির দুই শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত এই বাজেটের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক।

তিনি আলোচনা করে যে, দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানবসম্পদ। যা তৈরিতে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা অপরিহার্য। এজন্য সরকার দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন। দেশ সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘আনন্দময়’ করতে চায়। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি আনন্দময় শিক্ষার দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য শ্রেণিকক্ষে আনন্দময় শিক্ষা বা ‘লার্ন উইথ হ্যাপিনেস’ ধারণা পাঠ্যবইয়ের সিলেবাস ও কারিকুলামে সংযোজন করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সেই দিন আসবে, যেদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আগামী বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। এই প্রত্যয় নিয়ে আজ যারা পুরস্কৃত হয়েছেন, তাদের আন্তরিক অভিনন্দন ও যারা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাই। তিনি আশা করেন, দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা ১৮০০ শতাব্দীতে ব্রাহ্ম স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। স্বাধীনতার পরে এটি জগন্নাথ কলেজে রূপান্তরিত হয় এবং পরে বিভিন্ন ধাপে উন্নীত হয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। আমি যখন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলাম, তখন এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বহু বৈঠক করতে হয়েছে। কীভাবে নীতিমালা নির্ধারণ ও কীভাবে প্রতিষ্ঠানটিকে সংগঠিত করা হবে, সে সম্পর্কে আমরা কাজ করেছিলাম। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।

ড. এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, আমি যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম, তখন পাঠ্যবই ছাপা ও বিতরণ নিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। ১ জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছাতে হতো। আমার মনে আছে, একদিন গভীর রাতে হামিদ, সাত্তার, টিপু ও পারভেজদের সঙ্গে বাংলাবাজারে বই চোরাচালান রোধে অভিযান চালিয়েছিলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আমরা সেই কার্যক্রম বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলাম।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৬ দিনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং শিক্ষার প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও নেতৃত্বের গুণাবলি ছিল অসাধারণ। তাঁর শিক্ষার উন্নয়নের জন্য দুরদর্শিতা এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছিল, যেখানে আমরা এখনো পুরোপুরি পৌঁছাতে পারিনি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং শিক্ষার প্রসারে তিনি ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি চালু করেছিলেন। পরে ‘টাকার বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচিও চালু করেন। তিনি মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি চালু করেন, যা উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। তিনি বলেছিলেন, আবার দায়িত্ব পেলে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি দেবেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি আমাদের মাঝে নেই। তাঁর জ্যেষ্ঠ সন্তান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কয়েক দিন আগে ঘোষণা করেছেন যে ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. পরিমল বালা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মনজুর মোর্শেদ ভুঁইয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরিফুল-হৃদয়রা র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


শরিফুল-হৃদয়রা র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেলেন

আইসিসির হালনাগাদ করা র‌্যাঙ্কিংয়ে কিছু সুখবর বাংলাদেশে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের জন্য আসছে। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে যে ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তার পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও তাওহীদ হৃদয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি দেখা গেছে।

সিরিজের শেষ ম্যাচে ছয় উইকেট শিকার করে শরিফুল বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০ ধাপ এগিয়ে ১৮তম স্থানে চলে এসেছেন। অন্যদিকে মোস্তাফিজুর ১২ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৫তম স্থানে অবস্থান করছেন এবং তাসকিন ৫ ধাপ এগিয়ে ২৭তম স্থানে উঠে এসেছেন।

তিন ম্যাচের সিরিজে হৃদয় ১৫৪ রান করার সুযোগ পেয়েছিলেন। যার মধ্যে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৮৩ রান। এই পারফরম্যান্সের ফলে তিনি ৭ ধাপ এগিয়ে ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০তম স্থানে পৌঁছেছেন। এদিকে আফগানিস্তানের ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজও এই তালিকাতে উন্নতি করতে সক্ষম হয়েছেন। ধর্মশালায় ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অসাধারণ শতরান করার পরে তিনি ৬ ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে পৌঁছেছেন।

এদিকে, ক্যারিবীয় অঞ্চলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার তিন ম্যাচের সিরিজের শেষে আন্তর্জাতিক কুড়ি ওভারের র‌্যাঙ্কিংয়ের মধ্যে কিছু পরিবর্তন ঘটেছে। ২-১ ব্যবধানে সিরিজটি জিতে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজে ১১ উইকেট নিয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করেন পেসার শামার জোসেফ, যিনি সিরিজসেরা নির্বাচিত হন।

এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে শামার জোসেফ ৪২ ধাপ এগিয়ে বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ২৭তম স্থানে পৌঁছেছেন। তার সতীর্থ অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডারও মিলে দুই ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে ১১ ধাপ উন্নতি করে ২৮তম স্থানে পৌঁছেছেন।

শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬ ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছেন এবং দুনিত ভেল্লালাগে ১১ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ১৭তম স্থানে অবস্থান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%