১১:২২ পি.এম
দেশে নারী স্বাস্থ্য ও কল্যাণে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে ডিজিটাল স্বাস্থ্য অ্যাপ চালু এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি তরুণ চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক উচ্চতর প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি এই সময় বলেন, ‘নারী স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিতে আমাদের দল সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর জন্য আমাদের যে ম্যান্ডেট দিয়েছেন, আমরা তাদের দোরগোড়ায় সেই সেবা পৌঁছে দেব।’
আজ মঙ্গলবার, রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘হার হেলথ বাংলাদেশ : নারীদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ ত্বরান্বিতকরণ জাতীয় মাতৃস্বাস্থ্য এবং জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার কর্মসূচি শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: এ ইউ এম ফখরুদ্দীনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক-এর যৌথ অর্থায়নে এবং ইউএনএফপিএ-এর সহযোগিতায় এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত আরও বলেন, প্রজেক্টের ‘ডিজিটাল হেলথ অ্যান্ড ইনোভেশন’ স্তম্ভটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। এই কর্মসূচির আওতায় একটি দ্বি-মুখী ডিজিটাল অ্যাপ তৈরি করা প্রয়োজন, যার একটি ইন্টারফেস ব্যবহার করবেন রোগীরা এবং অন্যটি ব্যবহার করবেন সেবাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মীরা। এর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের ডেটা বা তথ্য যেমন সহজে সংগ্রহ করা যাবে, ঠিক তেমনি রোগীরাও অ্যাপের মাধ্যমে তাদের পরবর্তী স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলো-আপ রিমাইন্ডার ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক শিক্ষা লাইভও সরাসরি পেয়ে যাবেন।
সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা ঢেলে সাজানোর একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমাদের বর্তমানে তিন ধরনের ফ্রন্টলাইন কর্মী রয়েছেন। আমরা এদের সবাইকে একত্রিত করে 'কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার' নামে একটি একক ও সমন্বিত বাহিনী গড়ে তুলছি।
আরও পড়ুন: মাদ্রাসায় বলাৎকার-অশালীন ঘটনা লজ্জাজনক: ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) শাহ ইমাম আলী রেজা, ইউএনএফপিএ-বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন ক্যামকং এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন