বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৫ পি.এম
কৃষিমন্ত্রীর মা আমেনা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের মা আমেনা বেগমের জানাজা বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় কুমিল্লার বিজয়পুর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের পরানপুরে পারিবারিক কবরস্থানে স্বামীর কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
জানাজার পূর্বে, মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে বক্তব্য দেন এবং যারা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি সকলের কাছে মায়ের মাগফিরাত কামনায় দোয়া চান।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কুমিল্লার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ নানা শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের মা আমেনা বেগম ঢাকার বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। তার বয়স ছিল ১০৩ বছর। ৯ সন্তানের জননী আমেনা বেগমের পঞ্চম সন্তান কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
এদিকে, আমেনা বেগমের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে ১ কেজি গাঁজা ও ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক কারবারি, পরোয়ানাভুক্ত তিনজন আসামি, ডাকাতি মামলার চারজন এবং ১৪ জন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সোনারগাঁ থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতারকৃত দুই নারী আসামি হলেন বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের রূপা বেগম (২১) এবং সোনামুই গ্রামের মোছা. মিনা আক্তার (২৮)।
অভিযানে উদ্ধার করা ইয়াবা ও গাঁজার বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের পরোয়ানাভুক্ত গ্রেফতারকৃত তিন আসামি হলেন মনাইকান্দি গ্রামের মো. রুবেল, বেহাকৈর গ্রামের মো. জুবায়ের খন্দকার এবং হাবিবপুর গ্রামের মো. সাদ্দাম।
ডাকাতি মামলায় গ্রেফতারকৃত চারজন হলেন উপজেলার কলতাপাড়া গ্রামের মো. আমিনুল ইসলাম মানিক (২০), আলামিন হোসেন ওরফে সম্রাট (১৯) আলমপুর গ্রামের ইমন (১৯), কুমিল্লার চান্দিনার স্থায়ী বাসিন্দা ও বর্তমানে কলতাপাড়ার বাসিন্দা মো. সাব্বির (২০)
এছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ১৪ জন হলেন রতনপুর গ্রামের শামসুজ্জামান (৫৫), জোবায়ের (২০) ও টিটু (৪০), কোম্পানীগঞ্জ গ্রামের আব্দুল্লাহ (৪০) ও ইমরান (৩০), রাইজদিয়া গ্রামের মো. ফাহিম ওরফে হিমেল (২০), হাড়িয়া বৈদ্যপাড়ার মাসুম মোল্লা (৩৮), শাহপুর গ্রামের মো. হালিম (৩৫), সাতভাইয়াপাড়া গ্রামের ফারদিন আহাম্মেদ (২৬), আনন্দবাজার গ্রামের মাছুম মিয়া (২৫), সোনাপুরে বসবাসকারী রায়হান (২৯), রূপগঞ্জের নয়ন (২৭) এবং চাঁদপুর সদরের বাসিন্দা আনোয়ার কাজী (৪২) ও বাবু প্রধান (২৫)।
সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারিক জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক ও ডাকাতিসহ যেকোনো অপরাধ দমনে সোনারগাঁ থানা পুলিশের জিরো টলারেন্স অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর সোনাগাজীর নবাবপুর ইউনিয়নের ভোরবাজার এলাকায় ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শাহ আলম সুমন (৪২) নামে এক যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ভোরবাজারের ইত্যাদি স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শাহ আলম সুমন হাজীপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।
আহতের পরিবার ও দলীয় সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সুমন স্থানীয় দাগী আপরাধীদের বিরুদ্ধে গত কয়েকদি আগে একটি পোস্ট দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ যুবদল নেতা সোহাগ, সিএনজি সোহাগ, রাকিব ও তাহসিনসহ ১০-১২ জন মিলে তাকে সকাল ১১টার দিকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রোকেয়া সুলতানা লোপা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আহত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল হাসিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন৷, খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিবাহবিচ্ছেদ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে। গেমিং কোম্পানি স্মাইলগেটের প্রতিষ্ঠাতা কওন হিয়ক-বিনকে তার সাবেক স্ত্রী লি হোয়া-জিনকে ২ দশমিক ৫৫ ট্রিলিয়ন ওন, যা প্রায় ১৮৭ কোটি ডলার সমমূল্যের সম্পদ প্রদান করতে বলা হয়েছে।
বুধবার আদালতের রায়ে কওনের স্মাইলগেটে ৩৫ শতাংশ মালিকানা লি হোয়া-জিনের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই অংশের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ওন। এর পাশাপাশি সাবেক স্ত্রীকে ৬৫ বিলিয়ন ওন নগদ অর্থও দিতে বলা হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কওন দক্ষিণ কোরিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম ভিডিও গেম কোম্পানি স্মাইলগেট প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি দেশের অন্যতম ধনকুবের হিসেবে পরিচিত।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লি হোয়া-জিন বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় স্মাইলগেটের ৫০ শতাংশ মালিকানা দাবি করেছিলেন। অন্যদিকে, ব্লুমবার্গের হিসাব অনুযায়ী, তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। প্রতিবেদনে বলা হয়, কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠার সময় তিনি অর্থায়নে সহায়তা করেছিলেন, এমনটাই আদালতে তার আইনজীবীরা যুক্তি দেন। তারা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সন্তানদের লালন-পালন ও সংসার দেখাশোনায় তার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।
অন্যদিকে, কওনের দাবি ছিল যে তার সাবেক স্ত্রী কোম্পানিতে কোনো অর্থ বিনিয়োগ করেননি এবং সেখানে কাজও করেননি। চলতি বছরের শুরুতে স্মাইলগেট জানিয়েছিল, কোম্পানির প্রাথমিক মূলধনের পুরোটাই কওন সরবরাহ করেছিলেন।
এই রায় দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ববর্তী বিবাহবিচ্ছেদ নিষ্পত্তির রেকর্ডের দ্বিগুণেরও বেশি। এর আগে এসকে গ্রুপের চেয়ারম্যান চে তায়ে-উনকে তার সাবেক স্ত্রীকে ৯৪৪ বিলিয়ন ওন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সুপ্রিম কোর্ট সম্পদের মূল্য নির্ধারণে হিসাবের ভুল উল্লেখ করে সেই রায় বাতিল করে মামলাটি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেন।
কওন ও লি-উভয় পক্ষই আদালতের বর্তমান রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার রাখেন। এদিকে স্মাইলগেটের এক মুখপাত্র কওনের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তিনি জানিয়েছেন যে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত তাদের দায়িত্ব পালন করে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কিশোরীদের সচেতনতা, নৈতিকতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা" শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বুধবার দুপুরে পৌর এলাকার রাজারামপুর হাসিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহযোগীতায় বিদ্যালয়ের হল রুমে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
এ সময় রাজারামপুর হাসিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার।
বক্তারা বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতি শুক্রবার জেলার বিভিন্ন মসজিদে মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরনের পাশাপাশি বিদ্যালয় সমূহের শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে আলোচনাসভা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আর তাই এলাকাসমূহ মাদক মুক্ত রাখতে আহ্বান জানানো হয় আলোচনা সভায়।
আলোচনা সভায় বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক মিথুনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে রাজারামপুর হাসিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর সেলিম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ