ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

রোনালদোর বিদায়, অর্ধেকে নেমেছে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম


রোনালদোর বিদায়, অর্ধেকে নেমেছে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হওয়ার আগেই টিকিটের বাজারে একটি বড় ধাক্কা লেগেছে।

শেষ ষোলো থেকে পর্তুগাল ও স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র বিদায় নেওয়ার কারণে এক ধাক্কায় বহু ম্যাচের টিকিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

টিকিট বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘টিকপিক’-এর তথ্যানুযায়ী, স্পেন ও বেলজিয়ামের কোয়ার্টার ফাইনালের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য ২ হাজার ৯৫০ মার্কিন ডলার থেকে কমে ১ হাজার ২০০ ডলারে নেমে এসেছে গত শুক্রবার।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে একাধিক সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের ফলে টিকিটের বাজারে একটি বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল শেষ ষোলোতেই ছিটকে যাওয়ায় দর্শকদের আগ্রহের মুখে স্পষ্ট ভাটা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে, শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের কাছে ৪-১ গোলে হেরে বিদায় নেওয়া স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রও এই পরিস্থিতির জন্য দাযী। ফলে স্থানীয় সমর্থকদের চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে টিকিটের দাম দ্রুত নেমে আসে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র ও পর্তুগাল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে টিকিটের চাহিদা আরও বাড়ত বলে মনে করছেন তারা।

চারটি কোয়ার্টার ফাইনালের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের টিকিট। এই ম্যাচের টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য ৯৮৯ মার্কিন ডলার। ফ্রান্স শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছে। অন্যদিকে, মরক্কো কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে।

কোয়ার্টার ফাইনালের অন্যান্য ম্যাচগুলোতে স্পেনের মুখোমুখি হবে বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড খেলবে নরওয়ের বিরুদ্ধে এবং সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে লড়বে আর্জেন্টিনা। এসব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ফক্সবোরোর জিলেট স্টেডিয়াম, ইনগলউডের সোফি স্টেডিয়াম, মায়ামি গার্ডেন্সের হার্ড রক স্টেডিয়াম এবং ক্যানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে।

আরও পড়ুন: শুধু ৯ দেশ-ই নয়, বিশ্ব এক হলেও হারবে? কারণ- ইয়েমেনের জন্য নবী (সা.) দোয়া করেছিলেন!

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়: জাহেদ উর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়: জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বললেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়; এটি হল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, দমন-পীড়ন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিক চূড়ান্ত পরিণতি। তিনি মন্তব্য করছেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে বর্তমানে নানা মহলে বিতর্ক ও বিভাজন দেখা যাচ্ছে। এটি পূর্বে থেকেই অনুমেয় ছিল।

বুধবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের আয়োজিত ‘মননে জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই কথাগুলি বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নানা ধরনের বিতর্ক, বিভাজন অথবা হতাশার সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। এগুলো আগেই অনুমান করা হয়েছিল। এসব নিয়ে অতিরিক্ত প্রত্যাশা না রেখে বাস্তবতা বিবেচনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সকলকে একসাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

আরও উল্লেখ করে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের আরব বসন্ত-পরবর্তী পরিস্থিতির তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, সিরিয়া, লিবিয়া ও ইয়েমেনে সরকারবিরোধী আন্দোলনের পর গৃহযুদ্ধ শুরু হলেও বাংলাদেশে তা ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনও আকস্মিকভাবে ঘটেনি, বরং এটি দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী রাজনৈতিক দল, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজন, মানবাধিকার কর্মী এবং সাধারণ মানুষের ধারাবাহিক প্রতিরোধের ফলেই সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বছরের পর বছর মামলা, কারাবাস, গুম, নির্যাতন, সম্পত্তি দখল ও জীবিকা হারানোর মতো কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়েও অসংখ্য মানুষ আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। এইসব ত্যাগ ও প্রতিরোধই ধীরে ধীরে স্বৈরশাসনকে দুর্বল করে তুলেছিল। একই সাথে হাজারো মানুষের এই আত্মত্যাগই জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই-এর মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। যদিও পরবর্তীকালে বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক চিন্তা সামনে এসেছে, তথাপি গণঅভ্যুত্থানের অভিন্ন দাবি ছিল স্বৈরশাসনের অবসান এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে আর কোনও স্বৈরাচারের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাদারিপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে শুধু রাজনীতিবিদদের নয়, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে গুম করে পুরো বাংলাদেশকে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল। তবে জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই গুমের রাজনীতির অবসান হয়েছে।

অন্য দিকে, বিশেষ অতিথি হিসেবে মায়ের ডাকের সমন্বয়ক ও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু রাজনীতিবিদদেরকেই গুম করেননি, পুরো বাংলাদেশকেই গুম করে রেখেছিলেন। পেশাজীবী, সাংবাদিক কোনোভাবেই বাদ যায়নি। এভাবে প্রত্যেক শ্রেণির মানুষকে গুম করে রাখা হয়েছিল শুধুমাত্র দেশকে জিম্মি করে রাখার উদ্দেশ্যে। এসব কিছুর শেষ গল্পের সমাপ্তিই হলো জুলাই আন্দোলন।

ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহ নিসতার জাহান কবির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীন। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ সংকট সমাধানে নতুন শাসনব্যবস্থার প্রয়োজন: তেহরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


হরমুজ সংকট সমাধানে নতুন শাসনব্যবস্থার প্রয়োজন: তেহরান

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির নতুন বাস্তবতার প্রতি ইরানকে মেনে নিতে হবে। এই বাস্তবতার বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আর কোনও বিকল্প নেই, এমনটাই জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন আজিজি।

এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) অভিযোগ করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রাথমিক জবাব’ হিসেবে এ অঞ্চলের ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় আজিজি আরও স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন বাস্তবতা যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। এর বাইরে সত্যিই আর কোনও পথ নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের তুরস্কের রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সেলেন্সি রামিস শেন।

বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে তুরস্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলইউর্ত এবং ইউনাইটেড আইগাজ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হারুন ওরতাচ।

সাক্ষাৎকালে তুর্কি প্রতিনিধি দল মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতি তুরস্ক সরকারের অব্যাহত শুভেচ্ছা ও সহযোগিতার বার্তা পৌঁছে দেয়।

রাষ্ট্রদূত রামিস শেন বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা, বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি দেশটির জ্বালানি খাতে, বিশেষ করে এলএনজি সরবরাহে আরো বেশি বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করে উভয় পক্ষ। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষে রাষ্ট্রদূত রামিস শেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানান।

জবাবে সুবিধাজনক সময়ে যত দ্রুত সম্ভব তুরস্ক সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দেহভাজন উগ্রবাদী সম্পৃক্ততায় গ্রেপ্তার দুইজন রিমান্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


সন্দেহভাজন উগ্রবাদী সম্পৃক্ততায় গ্রেপ্তার দুইজন রিমান্ডে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে, যাদের উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে, আদালত ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। একই মামলার অন্য চারজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশও দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন শাহ আমানত সাবির এবং হোসাইন তানিম। অপরদিকে, কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান এবং বায়োজিত।

এদিন আদালতে ছয় আসামিকে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে গত রোববার (৫ জুলাই) তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) এ বি সিদ্দিক দুই আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মো. সাদ্দাম হোসেন রিমান্ড বাতিল এবং জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, আসামিরা শিক্ষার্থী এবং তাদের বয়স কম। ইতিমধ্যে তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু তদন্তে উল্লেখযোগ্য কিছু পাওয়া যায়নি।

এ সময় আদালত বলেন, এই মামলায় পুলিশের এপ্রোচ ভালো। তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। যদি জিজ্ঞাসাবাদে কিছু পাওয়া না যায়, তাহলে তারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই মুক্তি পাবেন।

পরে বিচারক আসামিদের উদ্দেশ্যে জানতে চান, রিমান্ডে তাদের কোনো নির্যাতন করা হয়েছে কি না। এ সময় আসামি শাহ আমানত সাবির মাথা নেড়ে ‘না’ সূচক জবাব দেন।

মামলার রিমান্ড আবেদনে দাবি করা হয়, গত রোববার ভোরে যাত্রাবাড়ী থানাধীন মিনি কক্সবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের পাশের বালুর মাঠে একটি উগ্রবাদী সংগঠনের কিছু সদস্য প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে।

পুলিশের দাবি, খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ঘটনাস্থলে গেলে কিছু সদস্য পালানোর চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সেখানে জড়ো হওয়ার বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%