মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৬ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা প্রাঙ্গণে প্রায় পাঁচ দশক ধরে একটি পুরোনো জিপ গাড়ি সংরক্ষিত রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এই গাড়িটি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত যান হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গাড়িটির ইঞ্জিন এখনো সচল অবস্থায় রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, দেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে সারের চাহিদা পূরণ এবং সার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে আশুগঞ্জে সার কারখানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আশুগঞ্জ সফর করে কারখানার কার্যক্রম ও অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।
১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার সোনারামপুর এলাকায়ও খাল খনন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ওই কর্মসূচির অগ্রগতি পরিদর্শনে জিয়াউর রহমান যে জিপ গাড়ি ব্যবহার করেছিলেন, সেটিই বর্তমানে আশুগঞ্জ সার কারখানা প্রাঙ্গণে সংরক্ষিত রয়েছে।
সময়ের পরিক্রমায় জিপটি এখন একটি ঐতিহাসিক স্মারকে পরিণত হয়েছে। পুরোনো এই যানটি দেশের কৃষি, শিল্প ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ের স্মৃতিও বহন করছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
গাড়িটির বর্তমান চালক আলমগীর মিয়া জানান, তার বাবা মো. জাহাঙ্গীর মিয়া দীর্ঘ ২৬ বছর এই গাড়ি চালিয়েছেন। তিনি নিজেও গত ২২ বছর ধরে গাড়িটির চালকের দায়িত্ব পালন করছেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গাড়িটির ইঞ্জিন সচল আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে মাঝে মাঝে এটি চালানো হয়।
আলমগীর মিয়া বলেন, “গাড়িটির ইঞ্জিন এখনো সচল আছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাঝে মাঝে গাড়িটি চালিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এটি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত হওয়ায় আমরা যত্ন করে সংরক্ষণ করে আসছি।”
আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু কাউসার বলেন, ইতিহাসের সাক্ষী এই পুরোনো জিপ গাড়িটি এখনো কারখানা প্রাঙ্গণে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
আশুগঞ্জ সার কারখানার উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, জিয়াউর রহমান আশুগঞ্জের সোনারামপুরে খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনে এই গাড়িতে করে গিয়েছিলেন। এ সময় একাধিক দেশের রাষ্ট্রদূতসহ তার সফরসঙ্গীরাও গাড়িটিতে ছিলেন বলে জানান তিনি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ঐতিহাসিক এই জিপ গাড়িটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও সর্বসাধারণের জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হলে নতুন প্রজন্ম দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাঙালির আবেগের সঙ্গে একটি নাম আজও গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে—সেটি হল মহানায়ক উত্তম কুমার। পঞ্চাশের দশক থেকে বাংলা সিনেমার দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখা এই কিংবদন্তি অভিনেতা কোটি মানুষের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান মহানায়কের জন্মশতবর্ষে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
উত্তম কুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জয়া একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি তাকে সত্যিকার অর্থে একজন ‘আইকন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জয়া লিখেছেন, ‘আইকন’ শব্দটির যদি কোনো সার্থক বাংলা প্রতিশব্দ খুঁজতে হয়, তবে সেই শব্দ বা নামটি অবশ্যই উত্তম কুমার। একশ বছর পরেও বাংলা সিনেমায় তার মতো উজ্জ্বল সর্বগ্রাসী উপস্থিতি নজিরবিহীন।
জয়া মনে করেন, উত্তম কুমার শুধু একজন অভিনেতা বা নায়ক ছিলেন না। তার ভাষায়, একজন শিল্পীর যে বহুমাত্রিক সত্তা, তারই এক অনন্য সমন্বয় তার ব্যক্তিত্বে বিদ্যমান। পর্দায় তার অভিনয় যেমন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে, পর্দার বাইরেও তার ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে এক স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক অভিঘাত।
শুধু জনপ্রিয়তা দিয়ে উত্তম কুমারের প্রভাব ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেছেন জয়া। তিনি লিখেছেন, জনপ্রিয়তা তাকে মহানায়ক করেছে; কিন্তু শুধুমাত্র জনপ্রিয়তা তার পরিচয়ের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা নয়। তিনি বাঙালির মনের নায়ক; এমন এক প্রতীক, যার সঙ্গে বাঙালির পুরুষত্ব, ব্যক্তিত্ব, সৌন্দর্য এবং আত্মবিশ্বাসের একটি বিশেষ আবেগ আজও জড়িয়ে আছে।
কালজয়ী এই অভিনেতার প্রভাব নিয়ে জয়া আরও লিখেছেন, সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, বাংলা সিনেমার ভাষাও বদলেছে। কিন্তু উত্তম কুমার নির্মিত সেই মিথ এখনো অমলিন।
সবশেষে মহানায়কের জন্মশতবর্ষে শ্রদ্ধা জানিয়ে জয়া বলেন, ভালোবাসা ও নিরন্তর মুগ্ধতার এই ঋণ কখনো ফুরোনোর নয়।
উল্লেখ্য, উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে কলকাতায় নানা আয়োজনের মাধ্যমে তাকে স্মরণ করা হচ্ছে। একইভাবে বাংলাদেশেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানায়ককে স্মরণ করছেন সাধারণ দর্শক ও তারকারা। দুই বাংলার মানুষের কাছে উত্তম কুমারের জনপ্রিয়তা যে সময়ের সঙ্গে কমেনি, জন্মশতবর্ষের আয়োজনগুলোতেই তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবলারদের জন্য সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর কে জিততে পারে, এ নিয়ে কথার লড়াই ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ২০২৬ ব্যালন ডি’অর ট্রফি উঁচিয়ে ধরার প্রতিযোগিতায় নিজের শিষ্যদের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন লুইস এনরিকে।
ফুটবলের এই সম্মানজনক ব্যক্তিগত পুরস্কারের বিজয়ী প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) স্কোয়াড থেকেই আসা উচিত বলে তিনি দাবি করেছেন। এর আগে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ হোসে মরিনিহো নিজের এক শিষ্যকে এগিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন।
আসন্ন ২৬ অক্টোবর লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী হিসেবে একজনের নাম ঘোষণা করবেন আয়োজকেরা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি জেতার পর বর্ষসেরার এই দৌড়ে পিএসজির বেশ কয়েকজন ফুটবলার ভালোভাবেই এগিয়ে আছেন।
পিএসজিতে গত মৌসুমে নজর কাড়ছেন খিচা খিচা কাভারাস্কেইয়া, উসমান দেম্বেলে ও ফাবিয়ান রুইজ। তাদের মধ্যে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রুইজ আলাদাভাবে চোখ কাড়ছেন, যিনি স্পেনের হয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতে নিজের সাফল্যের ঝুলিকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।
ব্যালন ডি’অর জয়ের ফেভারিট হিসেবে নিজের শিষ্যদের এগিয়ে রাখছেন এনরিকে। মোনাকোর বিপক্ষে পিএসজির তৃতীয় রাউন্ডের লিগ ওয়ান ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্প্যানিশ কোচ বলেন, “কে ব্যালন ডি'অর জিতবে তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই, তবে আমার মতে বিজয়ী হওয়া উচিত পিএসজির কোনো খেলোয়াড়।”
এনরিকে আরও জানান, “আমাদের কাছে সবকিছুই আছে। আমাদের এমন খেলোয়াড় আছে যারা সবাই চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে, ফাবিয়ান রুইজ বিশ্বকাপ জিতেছেন, আর উসমান দেম্বেলে গত মৌসুমে ব্যালন ডি'অর জিতেছেন। তাই আমার মতে, বিজয়ী হওয়া উচিত পিএসজি থেকেই। এটা আমার মতামত, আর আমি ভুলও হতে পারি।”
কিছুদিন আগে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ মরিনিহো সরাসরি না বললেও, পরোক্ষভাবে নিজের দলের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপেকে ব্যালন ডি’অর জয়ে এগিয়ে রেখেছিলেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তিনিও এই দৌড়ে আছেন। এছাড়া লামিন ইয়ামাল, হ্যারি কেইন, লিওনেল মেসি, রদ্রি এবং মাইকেল ওলিসের মতো তারকারাও রয়েছেন।
এনরিকে আসলে হোসে মরিনহোর কথার জবাবই দিচ্ছিলেন। রিয়াল মাদ্রিদের কোচের মতে, “এই বছরের ব্যালন ডি'অর বিজয়ী অগত্যা পিএসজি বা স্পেন জাতীয় দল থেকেই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই।”
গত শনিবার মালাগার বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে মরিনিহো তাঁর যুক্তি তুলে ধরেন, “এটা ব্যক্তিগত পর্যায়ে দারুণ একটা পুরস্কার। এই পুরস্কার একজন নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। খুব উঁচু মানের প্রায় ১২ জন খেলোয়াড় আছে, আর তাদের মধ্যে ৩-৪ জন আমাদের (রিয়াল মাদ্রিদে) আছে।”
“স্পেশাল ওয়ান” আরও বলেন, “আমার মতে, ব্যালন ডি'অর তাদেরই পাওয়া উচিত, যাদের অবসরের পর আমরা চিরকাল মিস করব। আমি ম্যারাডোন, (রোনালদো) নাজারিও, মেসি, জিদান আর মাথেউসকে মিস করি। শুধু চ্যাম্পিয়নস লিগ বা বিশ্বকাপ জেতার কারণে কোনো খেলোয়াড়কে ব্যালন ডি'অর দেওয়া যায় না। চ্যাম্পিয়নস লিগ বিজয়ীকে পুরস্কৃত করতে চাইলে, তাহলে ব্যালন ডি'অর লুইস এনরিকেকে দিয়ে দাও।”
মরিনিহো আরও বলেন, “স্পেনের ব্যাপারে বলতে গেলে, দে লা ফুয়েন্তে অবশ্যই এটা প্রাপ্য। এটাই সর্বোচ্চ সম্মান। বিশ্বসেরা হওয়া আলাদা ব্যাপার, সেটার জন্য পিএসজি বা স্পেন থেকে হতেই হবে এমন নয়। দুই-তিন বা চারজন আছে, আর আমরা জানি তারা কারা। আমরা জানি তারা কোথায় আছে, তারা এখানেই আছে। আমরা জানি এই গ্রীষ্মে ব্যক্তিগতভাবে কে ইতিহাস গড়েছে।”
শেষ পর্যন্ত ‘সোনার বল’ কার হাতে উঠবে সেটাই দেখার অপেক্ষা। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে সবার থেকে এগিয়ে থাকা কিলিয়ান এমবাপে নাকি দলীয় সাফল্যে পাওয়া অন্য কেউ?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কিউবার পাঁচটি কোম্পানি এবং দেশটির বিপ্লবী নেতা রাউল কাস্ত্রোর ৩১ বছর বয়সী নাতি ফিদেল এরনেস্তো কাস্ত্রোর ওপর।
শুক্রবার দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্যারিবীয় দ্বীপ দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ফিদেল এরনেস্তো কাস্ত্রোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কারণ, তিনি কাস্ত্রো পরিবারের একজন প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য, যাদের ওপর ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ওয়াশিংটন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক টব্যাংকো এক্সতেরিয়র দে কিউবা'র ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কিউবার নিকেল খনন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত আরো দুটি কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, দেশটির সংকটে থাকা জ্বালানি খাতে কাজ করা দুটি কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি তেল আমদানিকারক কোম্পানিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জয়পুরহাটের ভাদসা ইউনিয়নে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে স্থানীয় মাঝিপাড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে এবং আয়োজনে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন হয়। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল, "রূপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।"
এ কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনা করেন মাঝিপাড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হক। অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মতিন, ভাদসা ইউনিয়ন ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আব্দুস সালাম, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক নেতা মইনুদ্দিন, এবং ভাদসা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ।
কর্মসূচিতে বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আলোচনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ