ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক ভোটে ক্যারিকে পেছনে ফেলে আবারও বর্ষসেরা হেড


এক ভোটে ক্যারিকে পেছনে ফেলে আবারও বর্ষসেরা হেড

মাত্র একটি ভোটের ব্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাঁ-হাতি ব্যাটার ট্রাভিস হেড। ক্যারি ও মিচেল স্টার্ককে পেছনে ফেলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটার হওয়ার গৌরব অর্জন করে ‘অ্যালান বোর্ডার মেডেল’ জিতেছেন।

২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত হওয়া পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এই নির্বাচনটি করা হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী, হেড ১৫৩, ক্যারি ১৫২ এবং স্টার্ক ১৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এটি টানা দ্বিতীয়বার এবং ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে একাধিকবার অ্যালান বোর্ডার মেডেল জেতার সম্মান অর্জন করলেন হেড। প্রসঙ্গত, এর আগে রিকি পন্টিং, মাইকেল ক্লার্ক, স্টিভেন স্মিথ (চারবার করে), ডেভিড ওয়ার্নার (তিনবার) এবং শেন ওয়াটসন (দুইবার) এই কীর্তি গড়েছেন।

ব্রিজবেনে আজ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক বোর্ডার নিজেই হেডকে মেডেলটি প্রদান করেন। বর্ষসেরা হওয়ার পর হেড বলেন, ‘অ্যালান বোর্ডারের কাছ থেকে মেডেল পেয়ে আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান ও সম্মানিত বোধ করছি।’

আরও পড়ুন: চোরাচালানের অভিযোগে দিলীপ আগরওয়ালার ৩ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি

তিনি আরও বলেন, ‘ভাবতে খুব ভালো লাগছে যে, আমি দুটি মেডেল পেয়েছি। আমার সন্তানেরা ২০ বছর পর এগুলো দেখতে পারবে। আমি তাদের এসব বিষয়ে বলতে পারব।’

ঘরের মাঠে গত অ্যাশেজ সিরিজে হেড তিন সেঞ্চুরিতে ৬২৯ রান করেন। পার্থে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৮৩ বলে ১২৩, অ্যাডিলেডে দ্বিতীয় টেস্টে ১৭০ এবং সিডনিতে ১৬৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া ‘শেন ওয়ার্ন টেস্ট প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন স্টার্ক, যিনি প্রয়াত স্পিন কিংবদন্তি ওয়ার্নের বাবা কিথের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ ছাড়াও বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার হন মিচেল মার্শ এবং বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার হন টিম ডেভিড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিন্ডিকেট ভেঙে কৃষকদের পণ্যের ন্যায্য দাম পান তা নিশ্চিত করা হবে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


সিন্ডিকেট ভেঙে কৃষকদের পণ্যের ন্যায্য দাম পান তা নিশ্চিত করা হবে: আইনমন্ত্রী

সারাদেশের ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, যাতে প্রান্তিক কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পান, এমন তথ্য জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি শনিবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পাট ও পেঁয়াজের বাজার পরিদর্শন করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। আইনমন্ত্রী এই বিষয়ে বলেন, দেশের প্রান্তিক কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পেতে পারে, সেজন্য ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটকে ভেঙে দেওয়া হবে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

তিনি এ সময় মজুদদারদের প্রতি একটি সতর্কবানীও জারি করেন। আইনমন্ত্রী বলেন, মজুদদারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। তাই তাদের মজুদ রাখার বিষয়ে সতর্কতার সাথে ভাবতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়ेला। শুক্রবার (৭ আগস্ট) আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার, সরকারি প্রক্রিয়া সুসংহত করার এবং দেশের তেল ও গ্যাস খাত পুনরুজ্জীবিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গত জুন মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ৪৯.৬ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন দে লা এসপ্রিয়েলা। এই নির্বাচনে তিনি তার নিকটতম বামপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ইভান সেপেদাকে এক শতাংশেরও কম ভোটের ব্যবধানে পরাস্ত করেন।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই দে লা এসপ্রিয়েলা দেশে অপরাধ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে এক শূন্যমাত্র সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণা করেছিলেন।

তার মূল পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে মাদক পাচারকারীদের দমনে বিশেষ ‘মেগাপ্রিজন’ অথবা বিশাল আকারের কারাগার নির্মাণ করা এবং সশস্ত্র ‘নারকো-সন্ত্রাসী’ শিবিরগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানানো। এ ছাড়া গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আগের প্রশাসনের শুরু করা শান্তি আলোচনা বন্ধ করে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তার এই কঠোর অবস্থানকে এল সালভাদরের জনপ্রিয় ও কঠোর প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলের নীতির সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পুরো লাতিন আমেরিকা জুড়ে ডানপন্থী এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের যে জাগরণ দেখা যাচ্ছে, দে লা এসপ্রিয়েলার বিজয় তারই বড় একটি বার্তা বহন করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরের গুলিতে নিহত ৮, কঠোর অস্ত্র আইন আনার ঘোষণা থাই প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ এম


কিশোরের গুলিতে নিহত ৮, কঠোর অস্ত্র আইন আনার ঘোষণা থাই প্রধানমন্ত্রীর

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরের গুলিতে আটজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ২২ জন।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। হামলার পর প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল দেশে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে নতুন আইন করা হবে। প্রস্তাবিত আইনে দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তারা ছাড়া অন্যদের জনসমক্ষে বন্দুক বহনের সুযোগ থাকবে না।

আনুতিন মন্তব্য করেন, এই ঘটনা ‘ঘটা উচিত ছিল না’। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু নিহতদের জন্য দুঃখিত নই। এই ঘটনা ঘটেছে বলেও আমি দুঃখিত। আমাদের দেশে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে?’ পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোর তার ৭৩ বছর বয়সী দাদা এবং ৭৪ বছর বয়সী দাদিকে গুলি করে হত্যা করে।

তারা ননথাবুরি এলাকায় একই দোতলা বাড়িতে বসবাস করতেন। পুলিশ জানায়, দুজনের মাথায় একটি করে গুলি করা হয়েছিল।

 

দাদা-দাদিকে হত্যার পর কিশোরটি তাদের একটি বন্দুক ও কয়েক ডজন গুলি নিয়ে স্কুলবাসে ওঠে। পরবর্তীতে সে ননথাবুরির দেবসিরিন স্কুলে যায়। ওই স্কুলেই সে পড়াশোনা করত।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সে প্রথম ক্লাসে যোগ দেয়। পরে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে দ্বিতীয় ক্লাস শুরু হয়। দ্বিতীয় ক্লাস শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর সে বন্দুক বের করে গুলি চালাতে শুরু করে। পুলিশের ধারণা, কিশোরটি প্রথমে স্কুলের ষষ্ঠ তলায় শিক্ষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেখানে তিন শিক্ষক নিহত হন। পুলিশের মেজর জেনারেল দেজরাপি কংদে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, এরপর কিশোরটি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছিল। এসময় স্কুলের উপপরিচালক ও পরিচালকের সচিব পরিস্থিতি দেখতে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠছিলেন। হামলাকারী সিঁড়িতেই তাদের দুজনকে গুলি করে হত্যা করে।

গুলির খবর পেয়ে স্কুলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের মেজর জেনারেল দেজরাপি বলেন, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ হামলাকারীকে খুঁজে পায়। ততক্ষণে সে নিজেকেও গুলি করেছিল। প্রাথমিকভাবে পাঁচজন নিহত এবং অন্তত ২৩ জন আহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে আহতদের একজন মারা যান। থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ও ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরে আরো দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এতে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় আটজনে। জাতীয় পুলিশপ্রধান জেনারেল কিত্তিরাত ফানফেত সাংবাদিকদের বলেন, ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, হামলাকারীর গুলির নিশানা বেশ নিখুঁত ছিল। কয়েকটি গুলি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশে লাগে। প্রধানমন্ত্রী আনুতিন বলেন, হামলাটি ভালোভাবে প্রস্তুত করা হয়েছিল। তার ভাষায়, হামলার ‘পরিষ্কার ধাপ ও পরিষ্কার লক্ষ্য’ ছিল।

 

পুলিশের কর্নেল থাদসাকর্ন কনথং বলেন, হামলায় ব্যবহৃত বন্দুক ও গুলিগুলো কিশোরটির দাদার ছিল। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, দাদার শোবার ঘর থেকে বন্দুকটি নেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা গেছে, বন্দুকটি আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত ছিল। এর বৈধ অনুমতিপত্রও ছিল। পুলিশ এখন তদন্ত করে দেখছে, কিশোরটি কীভাবে বন্দুকটি হাতে পেল এবং হামলার আগে কীভাবে তা প্রস্তুত করেছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, পুলিশ কিশোরটির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র পরীক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে বেশ কয়েকটি ভিডিও পেয়েছে।

কিশোরটির পরিবারের সদস্যরা তাকে শান্ত ও ভালো আচরণের ছেলে হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার এক চাচা থাই গণমাধ্যমকে বলেন, কিশোরটি বেশির ভাগ সময় বাড়ির ভেতরেই থাকত। সে সহিংস ধরনের ভিডিও গেম খেলত এবং খুব কমই বাইরে যেত। তবে হামলার পরিকল্পনা করছিল, এমন কোনো লক্ষণ আগে দেখা যায়নি বলে জানান তার চাচা। কিশোরটি তার দাদা-দাদির সঙ্গে থাকত। তার বাবা-মায়ের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। হামলার পর থাইল্যান্ডে আবারও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সামনে এসেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বেসামরিক নাগরিকদের কাছে বন্দুক থাকার দিক থেকে থাইল্যান্ড অন্যতম শীর্ষ দেশ। দেশটিতে বেসামরিক নাগরিকদের কাছে প্রায় এক কোটি তিন লাখ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ বন্দুক অবৈধভাবে মালিকানাধীন বলে বিভিন্ন হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

থাইল্যান্ডে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার বিষয়ে কঠোর আইন রয়েছে। অবৈধভাবে বন্দুক রাখার অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। কিন্তু এসব আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালেও আনুতিন বন্দুক নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে নতুন বন্দুকের লাইসেন্স দেওয়ার ওপর স্বল্পমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা এবং বন্দুক আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। এবার স্কুলে হামলার পর তিনি জনসমক্ষে বন্দুক বহন বন্ধ করতে নতুন আইন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হলে দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তারাই শুধু জনসমক্ষে বন্দুক বহন করতে পারবেন।

 

যে দেবসিরিন স্কুলে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেটি থাইল্যান্ডের অন্যতম পরিচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ব্যাংককে ১৮৮৫ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন জায়গায় এই স্কুলের শাখা রয়েছে। থাইল্যান্ডের অনেক পরিচিত ব্যক্তি এই স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত। তাদের মধ্যে কূটনীতিক, ক্রীড়াবিদ এবং কয়েকজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীও রয়েছেন। এমন একটি ঐতিহ্যবাহী স্কুলে শিক্ষকদের ওপর গুলির ঘটনায় থাইল্যান্ডজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলার পর অস্ত্রের সহজলভ্যতা এবং বিদ্যমান আইন কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইথিওপিয়ার শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


ইথিওপিয়ার শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক আটক

ইথিওপিয়ার একটি শীর্ষস্থানের স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের প্রধান সম্পাদককে নিরাপত্তা বাহিনী ধরে নিয়ে নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির মালিক। একই সময়ে সংবাদমাধ্যমটির কার্যালয়ে তল্লাশি চালানোর এবং সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জ্যাকেন পাবলিশিং বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় এসব তথ্য জানায়। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, গত শনিবার দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর প্রধান সম্পাদক ইয়োনাস কেদিরকে নিরাপত্তা বাহিনী ধরে নিয়ে যায়। ইয়োনাসকে প্রায় ২৪ ঘণ্টা আটক রাখা হয় এবং এই সময় দীর্ঘ সময় ধরে তার উপর জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়।

ইয়োনাস নিজেও অভিযোগ করেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় মারধর করে। জ্যাকেন পাবলিশিং আরো জানায়, ইয়োনাসকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পরদিন সংবাদমাধ্যমটির কার্যালয়ে নিরাপত্তা দল তল্লাশি চালায়। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, এই সময়ে কোনো আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তল্লাশির সময় কার্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া স্টুডিও থেকে বিভিন্ন সরঞ্জামও নিয়ে যাওয়া হয়।

এর একদিন পর পুলিশ কার্যালয় খালি করার আদেশ দেয়। ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে তিন দিনের মধ্যে কার্যালয় ছেড়ে দিতে বলা হয়।

জ্যাকেন পাবলিশিং জানিয়েছে, দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের তিন দিনের পদক্ষেপের প্রথম দিনেই ইয়োনাস কেদিরকে গ্রেফতার করা হয়। বার্তা সংস্থা এএফপির উদ্ধৃত করা লিখিত বিবৃতিতে ইয়োনাস বলেন, বেসামরিক পোশাক পরা দুই ব্যক্তি জোর করে তাকে তুলে নেয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তিদের দ্বারা মারধরের শিকার হতে হয়।

পরবর্তীতে জোর করে একটি দুটি কেবিনের পিকআপ গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। সেখানে তার বিরুদ্ধে ‘দেশ বিক্রি করে দেওয়ার’ অভিযোগ আনা হয়। জ্যাকেন পাবলিশিং জানায়, ইয়োনাসকে ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর অর্থাৎ রবিবার ২ আগস্ট, একটি নিরাপত্তা দল দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর কার্যালয়ে প্রবেশ করে। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, তারা কোনো আইন মানেনি এবং কার্যালয়ে তল্লাশি চালায়।

তল্লাশির সময় মাল্টিমিডিয়া স্টুডিও থেকে বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে সোমবার ৩ আগস্ট পুলিশ প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যালয় ছাড়ার নির্দেশ দেয়। তিন দিনের মধ্যে তাদের কার্যালয় খালি করার আদেশ দেওয়া হয়। এর ফলে ওই কার্যালয়ে দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর ১৬ বছরের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর সংবাদমাধ্যম হিসেবে নিবন্ধন বাতিল করা হয় ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ দ্বারা। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, সংবাদমাধ্যমটি গণমাধ্যমের নীতি লঙ্ঘন করেছে এবং ‘জাতীয় স্বার্থের’ জন্য হুমকি তৈরি করেছে। তবে এই পদক্ষেপের পেছনে কোন প্রতিবেদন বা কর্মকাণ্ড ছিল তা পরিষ্কার করা হয়নি। নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আইনি লড়াই শুরু করে দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড। এ কারণে আদালতে মামলা চলার সময়েও সংবাদমাধ্যমটি কাজ চালিয়ে যেতে পেরেছে। এখন কর্তৃপক্ষ পরামর্শ করছে, দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর ভবিষ্যৎ কার্যক্রম কীভাবে পরিচালনা করা হবে। তবে দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর ওয়েবসাইট বর্তমানে চালু রয়েছে এবং সেখানে কার্যালয়ে তল্লাশি এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাকে ইথিওপিয়ায় স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর চলমান চাপের অংশ হিসেবে দেখতে পাচ্ছে অধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো। সাংবাদিকদের সুরক্ষা সংস্থা বা সিপিজে এই ঘটনাটিকে ইথিওপিয়ার অন্যতম প্রধান স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে ভেঙে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের চলমান অভিযানের ‘উদ্বেগজনক প্রভাবের বৃদ্ধি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচও ইথিওপিয়া সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। মানবাধিকার সংস্থার দাবি, দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর ওপর হয়রানি একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ, যা সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করার লক্ষ্যে চলছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি, গত এক বছরে ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ ইচ্ছামতো অনেক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাঁদের কয়েকজনকে বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না দিয়ে আটক রেখে রাখা হয়েছে, একই সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে।

ইথিওপিয়ার গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি আরো দুটি স্বাধীন সম্প্রচারমাধ্যমকে সতর্ক করেছে। এগুলো হলো আর্টস টিভি ও আহাদু এফএম। কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যম আইন বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠান দুটিকে ‘চূড়ান্ত লিখিত সতর্কবার্তা’ দিয়েছে। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘন অব্যাহত থাকলে তাদের সম্প্রচার লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। দ্য অ্যাডিস স্ট্যান্ডার্ড-এর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক পদক্ষেপ এবং অন্য সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এই সতর্কবার্তার পর ইথিওপিয়ায় স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, এ বিষয়ে বিবিসির মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি ইথিওপিয়া সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%