০৯:০৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ক্ষমতার মসনদে যেতে বিরোধী দল সস্তা রাজনীতিতে ভর করেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) জুলাইয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের এক আলেচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের যে বক্তব্য এসেছে, তাতে বোঝা যায় তারা সম্পূর্ণ সস্তা রাজনীতিতে ভর করেছে। তারা জনগণকে জিম্মি করে, বিভেদ সৃষ্টি করে মসনদে যেতে চান। এভাবে বিগত ১৭ বছরে যে ক্ষতি হয়েছে, তা আর লাঘব করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, সংসদের বাইরে বিরোধী দলের মুখে ন্যাক্কারজনক এবং অশালীন ভাষা দেখা যাচ্ছে। এতে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার সুযোগ নিচ্ছে। এক দফার আন্দোলনের হুঙ্কারে তারা জাগ্রত হতে পারে।
এসময় শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বিরোধী দলকে বিভাজনের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিরোধী দলের কথা শোনার পর মনে হচ্ছে, সরকার ৫ মাসে সব কিছু করতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে আমরা একটি ধ্বংসস্তুপের মধ্যে ক্ষমতায় এসেছি, আর একদিনে সবকিছু ঠিক করে ফেলতে পারা সম্ভব নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার, ৮ আগস্ট ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘সেন্টমার্টিন দ্বীপ নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের একটি মহাপরিকল্পনা রয়েছে। এ দ্বীপের প্রতিবেশ-পরিবেশ সুরক্ষা এবং দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে যা কিছু করা প্রয়োজন, সবকিছুই আমরা করব।’
তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনগণের স্বার্থ, দেশের স্বার্থ, আমাদের সার্বভৌমত্ব এবং দ্বীপের অস্তিত্ব সবকিছু সমন্বয় করে আমরা একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। এই পরিকল্পনার মধ্যে সবচেয়ে যেটা গুরুত্বপূর্ণ বা যা করা উচিত, সেটাই আমরা বাস্তবায়ন করব।
আজ সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে ২০ হাজার চারা গাছ রোপণ ও সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং এনরুট ফাউন্ডেশন সেন্টমার্টিন দ্বীপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে যারা বসবাস করছেন তারা দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। তাদের ব্যাপারটি আমাদের গুরুত্বের সাথে বিবেচনার মধ্যে রাখতে হবে। কারণ দ্বীপটা তারা লালন এবং ধারণ করছেন। তাই দ্বীপের সঙ্গে তাদের একটা মমত্ব গড়ে উঠেছে। অনেক প্রতিকূলতার ভিতরে তারা দ্বীপে অবস্থান করছেন।
মহেশখালীতে প্যারাবন কাটার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন করছি না। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা এসব অন্যায় কাজে প্রশ্রয় দিচ্ছি না। আমাদের কাছে তথ্য আসার সাথে সাথে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
শেখ ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, সেন্টমার্টিন আমাদের দেশের একটি অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ আধার। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের বিরূপ প্রভাব থেকে এই দ্বীপকে সুরক্ষিত রাখতে বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র বৃক্ষ রোপণ করলেই হবে না, রোপণ করা গাছগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সেন্টমার্টিনকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই রাখতে সরকার, স্থানীয় জনগণ, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশসহ বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনরুট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. তারিকুল হক ও হেড অফ প্রোগ্রাম জুবায়ের ইবনে হাসনাত অভি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর কক্সবাজার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক, ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, উপজেলা কোর্ডিনেটর ছোটন বড়ুয়া, সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।
আয়োজকেরা জানান, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ বিগত ৩ বছরে সারা দেশে ৩২ লক্ষ বৃক্ষ রোপণ সম্পন্ন করেছে।
সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করার জন্য আগামী ৫ বছরে সারা দেশে ৭৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যাচাই-বাছাই ছাড়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রকাশে বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ক্ষোভ
সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহকে জড়িয়ে চাঁদা দাবি ও মানহানিকর অভিযোগসংবলিত সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ রনি শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা।
গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে হাওর বার্তা ডটকম, সময়ের খবরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহকে জড়িয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবিসহ বিভিন্ন অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ রনি শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, একজন কর্মরত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বক্তব্য গ্রহণ করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব।
তারা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের লিখিত অভিযোগ সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হলেই তা সত্য প্রমাণিত হয় না। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন যথাযথ তদন্ত, তথ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য। যাচাই-বাছাই ছাড়া একতরফা অভিযোগ প্রকাশের ফলে একজন সাংবাদিকের দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম, সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহ তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি কারও কাছে কোনো ধরনের চাঁদা দাবি করেননি এবং উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও জানিয়েছেন।
অভিযোগকারী সুজন মিয়ার অভিযোগও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, সুজন মিয়া নামে যে ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের কাছে সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, সেই অভিযোগের সত্যতা নিয়েও যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
তারা বলেন, সুজন মিয়াকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ ও বিতর্কের কথা বলা হয়ে থাকে। এর মধ্যে মাদক ব্যবসা, রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো, চাঁদাবাজি, ভূমি দখল ও ভূমিদস্যুতার মতো অভিযোগও রয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নয়; যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকেই প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, অতীতে কোনো রাজনৈতিক সময়কালে কারও বিরুদ্ধে ক্যাডার বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা, চাঁদাবাজি বা ভূমিদস্যুতার অভিযোগ থেকে থাকলে সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা যেতে পারে। কিন্তু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি কোনো ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একজন সাংবাদিককেও অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা আরও বলেন, সত্য উদঘাটনের স্বার্থে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।
জেলা প্রশাসনের প্রতি তদন্তের আহ্বান
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ রনি শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা জেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি কোনো পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক এবং তদন্তে যার বিরুদ্ধে যে ধরনের অপরাধের সত্যতা পাওয়া যাবে, তিনি যে পক্ষেরই হোন না কেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তারা বলেন, অপরাধী যে-ই হোক, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক পরিচয়, পেশাগত পরিচয় কিংবা অন্য কোনো প্রভাবের কারণে যেন কেউ আইনের ঊর্ধ্বে না থাকে। একইভাবে নিরপরাধ কোনো ব্যক্তিকে হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয় করার সুযোগও কাউকে দেওয়া উচিত নয়।
সাংবাদিকের বক্তব্য গ্রহণ না করে সংবাদ প্রকাশ দুঃখজনক
সভাপতি মোঃ রনি শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা বলেন, একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করা কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অপরিহার্য অংশ।
তারা বলেন, কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে একজন সাংবাদিককে চাঁদাবাজ হিসেবে জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হলে তাঁর পেশাগত জীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হাওর বার্তা ডটকম, সময়ের খবরসহ সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকাশিত সংবাদে যদি কোনো তথ্যগত ভুল, অসম্পূর্ণতা কিংবা একতরফা বক্তব্য থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টি পুনরায় যাচাই করে সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহের বক্তব্য যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও প্রতিবাদ প্রকাশ করা হোক।
তারা বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অর্থ কারও বিরুদ্ধে যাচাইহীন অভিযোগ প্রচারের স্বাধীনতা নয়। স্বাধীন সাংবাদিকতার সঙ্গে তথ্যের যথার্থতা, বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করতে হবে।
অপরাধী যে-ই হোক, আইনের আওতায় আনার দাবি
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দৃঢ়ভাবে বলেন, আমরা কোনো পক্ষের অন্ধ সমর্থন চাই না; আমরা চাই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক।
সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য হলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আবার অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণিত হলে অভিযোগকারী বা সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
তাদের বক্তব্য, “অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে; আর নিরপরাধ হলে কাউকে হয়রানি বা অপমান করার সুযোগ দেওয়া যাবে না।”
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব মনে করে, একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংবাদ প্রকাশের আগে যেমন সাংবাদিকের বক্তব্য নেওয়া জরুরি, তেমনি অভিযোগকারী ব্যক্তির পরিচয়, অভিযোগের ভিত্তি, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তথ্য-প্রমাণও যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহের বিরুদ্ধে প্রকাশিত কোনো তথ্য মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা মানহানিকর হলে তিনি প্রচলিত আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিকার গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করেন।
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহকে জড়িয়ে প্রকাশিত অভিযোগসংবলিত সংবাদসমূহের তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও জোরালো প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।
একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান—বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করুন এবং তদন্তে অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেলে অপরাধী যে পক্ষেরই হোক, তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
মোঃ রনি শিকদার
সভাপতি
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
কেন্দ্রীয় কমিটি।
মোঃ জুয়েল রানা
সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ অনলাইন সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
কেন্দ্রীয় কমিটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দ্বিতীয় মেয়াদে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হিসেবে হুগো ব্রুসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন পিটসো মোসিমানে।
বিশ্বকাপের পর দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন হুগো ব্রুস। যদিও অভিজ্ঞ এই কোচকে ২০২৭ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় কাপ অব নেশন্স পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেটি গ্রহণ করেননি।
আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে গিনির বিপক্ষে ঘরের মাঠের ম্যাচ দিয়ে ২০২৭ আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বাছাইপর্ব শুরু করবে দক্ষিণ আফ্রিকা। এমন পরিস্থিতিতে হুগো ব্রুসের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে পিটসো মোসিমানের সঙ্গে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালনের জন্য যোগাযোগ করেছে দেশটি। দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড্যানি জর্ডান জানিয়েছেন, মোসিমানেই তাদের পছন্দ। তবে এখনও কিছু খুঁটিনাটি বিষয় চূড়ান্ত করা বাকি রয়েছে।
এক বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আগামী সপ্তাহে আমরা কোচের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব। ৬২ বছর বয়সী মোসিমানে ২০১০ বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলিয়ান কোচ কার্লোস আলবার্তো পারেইরার স্থলাভিষিক্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এর আগে তিনি তিন বছর পারেইরার সহকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন।
তবে ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে হতাশাজনক শুরুর কারণে ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময়ে মোসিমানেকে বরখাস্ত করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্লাব মামেলোদি সানডাউনস এবং মিশরের ক্লাব আল আহলির হয়ে মোট তিনবার আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী মোসিমানে ২০১২ আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস-এর চূড়ান্ত বাছাইপর্বের ম্যাচে হিসাব-নিকাশে বড় ভুল করেছিলেন।
সিয়েরা লিওনের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিনি রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। এই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে, মূল টুর্নামেন্টে খেলার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার কেবল একটি ড্রই যথেষ্ট ছিল। অথচ টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিতে তাদের জয়ের প্রয়োজন ছিল।
ম্যাচ শেষে তিনি এবং তার খেলোয়াড়রা জয় উপভোগ করছিলেন। কিন্তু পরে জানতে পারেন, নিয়ম বুঝতে তাদের ভুল হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী গোল পার্থক্যের চেয়ে 'হেড-টু-হেড' বা মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
সেই ভুল থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মোসিমানে ২০১৬ সালে সানডাউনসকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতেন এবং ২০২০ সালে আল আহলির দায়িত্ব নেন। তার অধীনে দলটি টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ওঠে। তারা ২০২০ ও ২০২১ সালে শিরোপা জিতলেও ২০২২ সালে রানার্স-আপ হয়।
মোসিমানে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরানের বিভিন্ন ক্লাবেরও কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। খেলোয়াড় হিসেবে মোসিমানে গ্রিস ও কাতারেও খেলেছেন।
মোসিমানে নতুন দায়িত্বের প্রথম ম্যাচগুলো ‘কাপ অফ নেশনস’-এর বাছাইপর্বের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে। ঘরের মাঠে গিনির বিপক্ষে এবং প্রতিপক্ষের মাঠে ইরিত্রিয়ার বিপক্ষে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। কেনিয়া, তানজানিয়া ও উগান্ডায় অনুষ্ঠিতব্য আগামী বছরের টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বের দল নির্ধারণের লক্ষ্যে এই বাছাইপর্ব শুরু হতে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ