রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
০৯:৫৩ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনাকে ভালোবেসে এবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মোল্লাকান্দি গ্রামের ফুটবলপ্রেমীরা। প্রিয় দল ও খেলোয়াড়দের প্রতি ভালোবাসা জানাতে গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক সাজানো হয়েছে আর্জেন্টিনার পতাকা, তারকা খেলোয়াড়দের ছবি ও নানা রঙের ব্যানারে। মনোমুগ্ধকর এ দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে মোল্লাকান্দি গ্রামে এখন চলছে উৎসবের আবহ। সড়কের দুই পাশে শোভা পাচ্ছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি সহ দলের জনপ্রিয় খেলোয়াড়দের ছবি। মোড়ে মোড়ে টানানো হয়েছে বড় বড় বিলবোর্ড ও ফেস্টুন। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও অংশ নিচ্ছেন এই আয়োজনের আনন্দে।
স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের অনেকেই মজা করে গ্রামটির নাম ‘আর্জেন্টিনা গ্রাম’ রাখার দাবিও তুলেছেন। পথচারী ও যাত্রীরা এই সাজসজ্জা দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। অনেকেই ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে সেখানে থামছেন।
স্থানীয়রা জানান, চার বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ঘিরে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দিন দিন বাড়ছে। কেউ আর্জেন্টিনার জার্সি পরে ঘুরছেন, কেউ পতাকা নিয়ে মিছিল করছেন। তাদের বিশ্বাস, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপও নিজেদের ঘরে তুলবে আর্জেন্টিনা।
তবে পুরো গ্রামে আর্জেন্টিনার আধিপত্যের মধ্যেও রয়েছেন একজন ব্রাজিল সমর্থক—খালিদ হাসান। তিনি জানান, তিনি একমাত্র ব্রাজিল সমর্থক হলেও সবার সঙ্গে মিলেমিশেই খেলা উপভোগ করেন।
ব্রাজিল সমর্থক খালিদ হাসান বলেন, “এই গ্রামে আমি একমাত্র অন্য দলের সমর্থক হলেও সবার সঙ্গে মিলেমিশে খেলা দেখি, আনন্দ করি। কেউ কাউকে উসকানিমূলক কথা বলি না, বিষয়টি ভালো লাগে।”
আর্জেন্টিনা সমর্থক মো. আল আমিন বলেন, “গত বিশ্বকাপের মতো এবারও আমরা আশা করছি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতবে। মেসির শেষ বিশ্বকাপ হওয়ায় এবার আমাদের আবেগ ও প্রত্যাশা আরও বেশি।”
সড়ক দিয়ে চলাচলকারী নুর নাহার বেগম বলেন, “প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। এমন সুন্দর আয়োজন দেখে খুব ভালো লাগে। এলাকার মানুষ যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী, তা এই ছবি ও ব্যানার দেখলেই বোঝা যায়।”
মোল্লাকান্দির এই ব্যতিক্রমী আয়োজন এখন শুধু স্থানীয়দের নয়, আশপাশের এলাকার মানুষের কাছেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করতে মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে “Startup, Science Project & Innovation Idea Showcasing Program”।
অনুষ্ঠানে কালকিনি উপজেলার ১৭টি এবং ডাসার উপজেলার ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ২ জন শিক্ষক ও ৩ জন শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে গঠিত দল বিভিন্ন বিজ্ঞান প্রকল্প, স্টার্টআপ ধারণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম প্রদর্শন করে।
প্রদর্শনীতে ডাসার উপজেলার মধ্যে শহীদস্মৃতি মহাবিদ্যালয় প্রথম স্থান, ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থান এবং নবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করে।
অন্যদিকে কালকিনি উপজেলার মধ্যে কালকিনি সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম, ক্রোকিরচর উচ্চ বিদ্যালয় দ্বিতীয় এবং কালিনগর ফাসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান লাভ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান খোকন তালুকদার। সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল-আরেফীন এবং ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার স্বপ্না আক্তার, কমিটির সদস্যবৃন্দ, সম্মানিত বিচারকমণ্ডলী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণা, প্রযুক্তি ব্যবহার ও নতুন কিছু উদ্ভাবনের আগ্রহ বাড়াবে। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রতিভা বিকাশে এমন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এখন থেকে প্রতিটি পরীক্ষার জন্য পকেট থেকে গুনতে হবে নির্ধারিত ফি। বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা পরিচালনার খরচ সামাল দিতেই এই নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ‘হলদে পাখি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এই সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সচিব জানান, পরীক্ষা নেয়ার জন্য এখন থেকে শ্রেণিভেদে নির্ধারিত ফি নেয়া হবে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির জন্য ৪০ টাকা এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফি নেয়া হবে।
হঠাৎ এই ফি নির্ধারণের কারণ ব্যাখ্যা করে গণশিক্ষা সচিব বলেন, ‘বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের যে স্লিপ বরাদ্দ দেয়া হয়, তা দিয়ে অনেক সময় পরীক্ষা আয়োজনের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, শিক্ষকদের নিজেদের পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হয়। শিক্ষকদের ওপর এমন ব্যক্তিগত আর্থিক চাপ তৈরি হওয়া কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়। তাই নির্ধারিত সীমার মধ্যে এই অর্থ নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং এটি কোনো অন্যায় কাজ নয়।’
পরীক্ষা ফি চালুর পর জনমনে বা অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে পারে–এমনটি ধরে নিয়েই সচিব বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আমি নিজেই ব্যাখ্যা দেব। দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর চেয়েও অনেক বেশি হারে পরীক্ষা ফি নেয়ার উদাহরণ রয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ না দিয়ে পরীক্ষার মতো জরুরি একটি কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা করা।’
তবে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আশার কথাও শুনিয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, বর্তমানে সরকারি স্লিপের বরাদ্দ কিছুটা সীমিত হলেও ভবিষ্যতের জন্য এই বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকেই বিদ্যালয়গুলো আগের চেয়ে তুলনামূলক বেশি অর্থ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সঞ্চালনায় এই সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা) ছাইফুল ইসলাম এবং অ্যাসোসিয়েশনের হলদে পাখি কমিশনার বেলা রাণী সরকারসহ অন্য আঞ্চলিক কমিশনাররা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা র্যাঙ্কিং অনুসারে— ব্রাজিল ও মরক্কো শক্তির দিক থেকে প্রায় সমান শক্তিশালী। তালিকায় ব্রাজিল ৬ নম্বরে এবং মরক্কো ৭ নম্বরে আছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব সব সময় সঠিক হয় না, এটি আবারও স্মরণ করিয়ে দিল এই ম্যাচটি।
এই টুর্নামেন্টে যেই প্রতিপক্ষ হোক না কেন, ব্রাজিল সবসময় অঘোষিত ফেবারিট। তাই আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মাঠে নেমেছিল প্রাথমিকভাবে এগিয়ে থাকা দল হিসেবে। কিন্তু ‘আটলাসের সিংহ’খ্যাত মরক্কো প্রমাণ করল—এটি শুধুমাত্র হাইপ নয়, বরং র্যাঙ্কিংয়ে তাদের অবস্থানও যথার্থ।
ম্যাচের শুরু থেকেই মরক্কো ব্রাজিলকে চাপে রেখেছিল। নেইমারকে ছাড়া মাঠে নামা ব্রাজিলের তুলনায় আফ্রিকান দলটি অনেক বেশি সু-সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। মরক্কোর মাঝমাঠের দক্ষ খেলার উল্টো দিকে ব্রাজিলের আসলে কোনো উল্লেখযোগ্য মধ্যমাঠ ছিল না!
ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রথমার্ধে দাপুটে খেলা প্রদর্শন করেছে দলটি। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে যারা সর্বশেষ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। যদিও দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল খেলে উঠলেও তাদের খেলাটা সেরা ব্রাজিলের থেকে অনেক দূরে ছিল। সুতরাং, সামগ্রিকভাবে এই ম্যাচের ১–১ গোলের ড্রকে ন্যায্য বলা যায়।
নিউ জার্সিতে প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুসের অসাধারণ গোল ছাড়া ব্রাজিল দুর্বল অবস্থায় ছিল। বিশেষ করে প্রথম আধাঘণ্টায় ব্রাজিলের খেলা ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। এই সময়টাতে তাদের পারফরম্যান্স ছিল অস্থির ও ছন্দহীন।
প্রথমার্ধে ফরোয়ার্ড লাইনে ইগর থিয়াগো অনেক পরিশ্রম করেছেন, কিন্তু ফলপ্রসূ হয়নি। দগলাস সান্তোসও ভালো খেলে কিন্তু ইবানিয়েজ ছিল পুরোপুরি দিশাহারা। মরক্কোর আক্রমণগুলো বুঝতে পারছিলেন না। মার্কিংয়ে দুর্বল ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভালোভাবে খেলতে পারেননি।
হতাশা প্রকাশ করেছিলেন রাফিনিয়াও। যিনি আগের মৌসুমে চোটে ভুগেছিলেন এবং তার দুর্দান্ত ফর্ম হারিয়ে ফেলেছেন। সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচগুলোতেও ভালো খেলতে পারেননি। আজ রাফিনিয়া মাঠের সবচেয়ে খারাপ খেলোয়াড় নন শুধুমাত্র এই কারণে যে ইবানিয়েজ ও পাকেতা আরও খারাপ খেলছেন। প্রথমার্ধে দু-একজন ছাড়া আর কেউ সন্তোষজনক পারফর্ম করেননি।
মিডফিল্ডকে কিছুটা সচল রেখেছেন ব্রুনো গিমারেস। ভিনির গোলে অ্যাসিস্টসহ দারুণ কিছু বল সামনের দিকে বাড়িয়েছেন। অন্যদিকে কাসেমিরো ও পাকেতা একের পর এক ভুল করেছেন।
ভিনির গোলে তিনি অসাধারণ একটা কাজ করেছেন। বরাবরের মতো এটি ব্রাজিলের জার্সিতে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দশম গোল। যখন ব্রাজিল চাপে ছিল, গিমারাইসের দেওয়া পাসে ভিনি জাদু দেখালেন।
বাঁ দিক দিয়ে এগোতেও তিনি শরীরের ভঙ্গিতে ভিন্ন দিকের ইঙ্গিত দেন। মুহূর্তেই ডান পায়ে বল সরিয়ে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে উঠেন। ফুলব্যাক তখন কিছুই করতে পারেননি।
ভিনির ফিনিশিং ছিল মনে রাখার মতো। এমন কারণে তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন। বলা যায়, দলের সেরা খেলোয়াড়ের এমন পারফরম্যান্সই আনচেলত্তির হতাশাজনক ব্রাজিল দলকে প্রথমার্ধে রক্ষা করেছে।
বিরতির পর স্বাভাবিকভাবেই আনচেলত্তি একাধিক পরিবর্তন করেন। প্রথমার্ধে খারাপ খেলতে থাকা ইবানিয়েজ ও কাসেমিরোকে তুলে ফাবিনিও ও দানিলোকে মাঠে নামানো হয়। এরপর ৬১ মিনিটে ইগর থিয়াগো ও লুকাস পাকেতাকে তুলে মাঠে নামান মাতেউস কুনিয়া ও লুইস এনরিকে। আনচেলত্তির বিদ্যমান অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা ছিল।
বিরতির পর ব্রাজিল অনেক বেশি শান্ত, গোছানো ও সংগঠিত হয়ে মাঠে ফিরতে চেষ্টা করে। প্রতিপক্ষ যখন আত্মসমর্থনে আক্রমণ গড়ে তোলা চেষ্টা করেছিল, তখনও তারা আগের তুলনায় অনেক বেশি চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। তবে শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসেনি।
প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি কৌশলগতভাবে সুবিধা গ্রহণ করতে পারেননি। যেমন ইগর থিয়াগোকে দলে ডাকার উদ্দেশ্য ছিল মরক্কোর রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করা। কিন্তু পরিকল্পনাটি বাস্তবে পুরোপুরি কার্যকরী ছিল না। প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স ব্রাজিলের জন্য একটি সতর্কবার্তাও।
ব্রাজিলের সামনে এখন তুলনামূলক সহজ দুটি ম্যাচ রয়েছে। নকআউট পর্বে শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের মোকাবেলার আগে নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার এটি একটি সুযোগ। আনচেলত্তি এখনও নিজের সেরা একাদশ খুঁজে পেতে পারেননি, তা স্পষ্ট। দলটি পুরোপুরি প্রস্তুত নয় এবং দেখে মনে হচ্ছে ‘কাগুজে বাঘ’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ