০৯:৫২ এম
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন হিসাবরক্ষণ অফিসের সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অডিট কর্মকর্তা হৃদয় মিয়া।
রোববার (২১ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঘুষের টাকা লেনদেনের সময় তাকে আটক করেন ডিজিএফআইয়ের এক কর্মকর্তা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে ভৈরব উপজেলা পরিষদ চত্বরে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অর্থ ছাড়ের জন্য ঘুষ হিসেবে ৭ হাজার টাকা লেনদেনের সময় হৃদয় মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তা আব্দুস সালাম। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করা হয়। পরে তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে বসিয়ে রাখা হয়।
আরও পড়ুন: আমি এখন পীরগঞ্জের বিএনপি নেতাদের একজন':ঠাকুরগাঁওয়ে ইউএনওর বিতর্কিত বক্তব্য
এদিকে অভিযুক্ত অডিট কর্মকর্তা হৃদয় মিয়া বলেন, গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব প্রদীপ চন্দ্র দাস আমাকে ফাঁদে ফেলার জন্য হঠাৎ করে অফিসে প্রবেশের সময় হ্যান্ডশেক করার ছলে হাতে টাকা দেন। পরে অফিসে গিয়ে দেখি আমাকে সাত হাজার টাকা দিয়েছে। অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো ধরনের অপরাধমূলক কাজ করি নাই। আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
এই অভিযোগ অস্বীকার করে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিব প্রদীপ চন্দ্র দাস বলেন, আমার কাছে ২১টি ফাইলের জন্য হৃদয় মিয়া ২১ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। সেই দাবিকৃত ঘুষের অংশ হিসেবে ২১ জুন সকালে তাকে আমি ৭ হাজার টাকা দিয়েছি।
ভৈরব উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ফাইল সই করার বিনিময়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এবার অডিট কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণকালে হাতেনাতে ধরা পড়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সোহেল মিয়া বলেন, আমি সম্প্রতি এই উপজেলায় যোগদান করেছি। অডিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগটি আমি শুনেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘চর উৎসব’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন