০৫:৫৯ পি.এম
চলতি মৌসুমে মানিকগঞ্জে রেকর্ড ৩৬৪২ হেক্টর জমির ওপর চিনা বাদাম আবাদ করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, উন্নত বীজ এবং সঠিক সময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। পাশাপাশি, বাজারে বাদামের চমৎকার চাহিদা ও দামের জন্য চরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে। যার ফলে, আগামী দিনে এই অঞ্চলে বাদাম চাষের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বর্তমানে বাদাম চাষের ভরা মৌসুম চলছে। কৃষক-কিষানি এবং শ্রমিকরা মিলে বাদাম সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। জেলার শিবালয়, হরিরামপুর এবং দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলে চিনা বাদামের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষজ্ঞ আলোকদিয়া, চর মধ্যনগর, বোষ্টমী, জাফরগঞ্জের চর, ত্রিশুন্ডি, দৌলতপুরের বাঘুটিয়া, চর কাটারী, হরিরামপুরের লেছড়াগঞ্জ এবং সুতালড়িসহ বিভিন্ন স্থানগুলিতে বাদাম চাষ হয়েছে।
বাদাম চাষীরা জানাচ্ছেন, এবারে সময়মতো বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং অন্যান্য বছরের তুলনায় রোগবালাইও কম ছিল। এ কারণে তুলনামূলকভাবে এবার বাদাম ভালো হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ৩৩
বাদাম চাষি মজিবর রহমান বলেন, ‘কয়েক বছরের মধ্যে এবারে বাদামের ফলন ভাল হয়েছে এবং দামও ভালো পাচ্ছি। বাজার এরকম থাকলে আগামীতে বাদাম আবাদ বেশি হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং উন্নত বীজ রোপণের ফলে উৎপাদন বেড়েছে।’
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহজাহান সিরাজ জানান, ‘মানিকগঞ্জে মোট ৩৬৪২ হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম আবাদ করা হয়েছে। এবারে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।’
গত বছরের তুলনায় ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে বাদাম চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: কাউখালীতে ইউএনওর আকস্মিক শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের পাঠদান করালেন রেহেনা আক্তার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন