প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করার জন্য জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার, তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে, আইএইএর মহাপরিচালকের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো বৈঠক হয়নি। আরো উল্লেখ করেন যে, ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের জন্য আইএইএকে আমন্ত্রিত করার কোনো পরিকল্পনা বর্তমান নেই।
তবে, এর একদিন আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ব্যান্স অভিযোগ করেছেন যে, ইরান শিগগিরই জাতিসংঘের পারমাণবিক পরিদর্শকদের প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দেবে। তিনি এটিকে ইরানকে স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
গত বছরের জুনে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের একটি যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রও এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ফোরডো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।
ইরান দাবি করছে, সাম্প্রতিক মারাত্মক সংঘাতেও নাতাঞ্জে আবার হামলা হয়েছে। তবে, ইসরায়েল জানিয়েছে যে, এ বিষয়ে তাদের কোনো তথ্য নেই।
এর পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ওই হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট হয়নি।
নিরাপত্তাজনিত কারণে, ইরান এসব স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবিশেষ অনুমতি দিচ্ছে না।
ইরান অভিযোগ করেছে যে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার নিন্দা না করায় আইএইএর ভূমিকা পক্ষপাতদুষ্ট ছিল। এ কারণে গ্রীষ্মের মাসে, দেশটি আইএইএর সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করে। তবে সেপ্টেম্বর মাসে উভয় পক্ষ একটি নতুন কাঠামোয় সমঝোতায় পৌঁছালে সহযোগিতা পুনরায় শুরু হয়। কিন্তু হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো সেই চুক্তির আওতায় নয়।
বাঘাই আরো বলেন, এ ধরনের স্থাপনা পরিদর্শনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রোটোকল নেই। তবে, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) ও বিদ্যমান সুরক্ষা চুক্তির আওতায় ইরান তার বর্তমান নীতি অনুসরণ করে যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন