১০:১৯ পি.এম
১৬ জুন, ২০২৬, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শনে যান বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৯টায় এই উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম আমের হাটে উপস্থিত হন। সেই সময়ে তিনি বিভিন্ন আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন এবং আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে আলাপ করেন।
রাষ্ট্রদূতের সফরের সময় মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড এবং দূতাবাসের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তার সঙ্গ acompanh kaldırtt। হাটে ঘুরে রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। তিনি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কিছু জাতের আমের স্বাদও গ্রহণ করার সুযোগ পান।
ব্যবসায়ী ও চাষিরা রাষ্ট্রদূতকে রাজশাহীর আম উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানির সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন। ব্যবসায়ীদের কথা ছিল, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই ধরনের সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো বেশি পরিচিত করতে সাহায্য করবে। স্থানীয় কৃষকেরা জানায়, রাজশাহীর আমের স্বাদ ও গুণগত মান দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও সুপরিচিত। বিদেশি কূটনীতিকদের এ ধরনের আগ্রহ কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে।
আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি
পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজশাহীতে এটি আমার প্রথম সফর। এর আগে আমি ২০২০ সালের একবার এসেছিলাম। কিন্তু এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি, কারণ আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। এখানে আসতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত।” রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছেন। তাঁর ভাষ্য, কোনো পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয়, সেখানে গিয়ে সেটি দেখা ও স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতার তুলনা করা যায় না। সেখানে সবচেয়ে তাজা, বৈচিত্র্যময় ও সেরা পণ্য দেখার সুযোগ ঘটে।
বাংলাদেশের আম রপ্তানি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত হিমায়িত আম বেশি পাওয়া যায়, যা শেক তৈরিতে ব্যবহার হয়। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে আম পাওয়া গেলেও রাজশাহীর মতো এত তাজা আম পাওয়া কঠিন। আম রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে বাংলাদেশে কোল্ড চেইন বা হিমাগার ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি বলে মন্তব্য করেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, সারা বছর আম সহজলভ্য রাখতে এবং হিমায়িত আমের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য উন্নত কোল্ড চেইন ব্যবস্থা প্রয়োজন। এতে বাংলাদেশের আম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন